‘শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো দেখেই মানুষ রাস্তায় নেমেছিলো, সমন্বয়কদের ডাকে নয়’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ আগস্ট, ২০২৫

‘শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো দেখেই মানুষ রাস্তায় নেমেছিলো, সমন্বয়কদের ডাকে নয়’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ আগস্ট, ২০২৫ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী হানিয়াম মারিয়া মনে করেন, কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনাই ছিলো গণমানুষের সড়কে নামার প্রধান কারণ— কোনো সমন্বয়কের আহ্বানে নয়। রোববার (৩ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, সাধারণ মানুষ রাজনীতির জটিল হিসাব বোঝে না। তারা সন্তানসম শিক্ষার্থীদের গুলিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে চুপ করে বসে থাকতে পারেনি। সে কারণেই রাজপথে নেমেছিল। এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অধ্যাপক মারিয়া বলেন, কয়েকজন ছাত্রছাত্রী আবেগঘন কণ্ঠে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এদের একজন, গণিত বিভাগের দেলোয়ার, বলেন— তার ডাকে আন্দোলনে এসে কেউ প্রাণ হারিয়েছে, এ কথা ভাবলেই তার অপরাধবোধ হয়। অধ্যাপকের ভাষায়, ‘ছোট্ট একটা ছেলেমেয়ে কত কষ্ট বুকে

চেপে আছে!’ তিনি বলেন, অনেক নাম না জানা আন্দোলনকারী ছিলো, যাদের খোঁজ আর কেউ রাখেনি। যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের নামও নথিভুক্ত হয়নি। এই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে কোনো ব্যক্তিগত লাভের আশায় আসেনি, বরং বিচার ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মাঠে নেমেছিল। অধ্যাপক আরও লেখেন, অনেকে জুলাই মাসকে এখন রাজনীতির হাতিয়ার বানালেও, আসল ত্যাগ স্বীকারকারী শিক্ষার্থীরা আজও আড়ালে রয়ে গেছে। তাদের আত্মত্যাগ যেন কিছু লোকের স্বার্থসিদ্ধির পন্থা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই কামনাও করেন তিনি। পরিশেষে তিনি লেখেন, দেলোয়ার, ফারিয়া এবং তাদের মতো নাম না জানা অন্যদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো। এই শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ যেন কখনো বৃথা না যায়— সেটিই তাঁর প্রত্যাশা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব, গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয় তিন ঘণ্টা বসে পাঁচ লিটার তেল, এটাই বিএনপি সরকারের কৃষিনীতি কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ? ‘আর কখনও বিচার চাইব না’ : যে দেশে বিচার চাওয়াই অপরাধ পুলিশ হত্যার বিচার চাই! ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ খালি তাক আর মন্ত্রণালয় ভরা অজুহাত : আন্তর্জাতিক বাজারের দোষ, দেশীয় ব্যর্থতার ঢাল অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার ফুটবলের এক ম্যাচেই ২৪ লাল কার্ড রানআউট নিয়ে বিতর্ক, ছুরিকাঘাতে নিহত ক্রিকেটার ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ, থাকছে না বয়সসীমা শিশুদের মধ্যে বাড়ছে হামের কাছাকাছি উপসর্গ, যা করণীয় চ্যাট না খুলেই অনলাইনে কে আছে দেখাবে এবার হোয়াটসঅ্যাপ ৬৪ বাংলাদেশিসহ ১২৭ বন্দিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের যুদ্ধের মধ্যেও খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বেড়েছে ইরানের ‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে জাতিসংঘের চিঠি’ বিষয়টি নিয়ে যা জানা গেল ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস কতদিন চলবে যুদ্ধ, জানাল ইরানের সেনাবাহিনী নারী সেজে থাকা সেই ছাত্রদল নেতা বাস্তবে দেখতে কেমন, দেখুন ছবিতে