ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ
ইউনূস আমলের নীতিমালা সংশোধনীর ফাঁদে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ আউটসোর্স কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে
জুলাই-আগস্টে সিলেটের থানা থেকে লুটের অস্ত্র মিলছে নদীর পাড়, চা বাগানে-জংলায়, জড়িতরা অধরা
পদ্মার চর পেরিয়ে সোনা যাচ্ছে ভারতে, ঢুকছে হেরোইন-ফেনসিডিল
ব্যান্ডউইথ ব্যবসার সিন্ডিকেট: ৩ প্রতিষ্ঠানের জোট- বাজার দখলের চেষ্টা
দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা- প্রশ্ন মামুনুল হকের
জুলাইতে আন্দোলন করে কোটা সংস্কারের পর পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের নারীরা
‘শাহজালাল বিমানবন্দরের ১ কিমি পর্যন্ত নীরব এলাকা ঘোষণা করা হবে’
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ কিমি উত্তর এবং ১ কিমি দক্ষিণ পর্যন্ত নীরব এলাকা ঘোষণা করা হবে। ১ অক্টোবর থেকে এই এলাকায় যানবাহনের হর্ন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিমানবন্দরকে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকমুক্ত করতে বিকল্প সামগ্রী ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কার্যক্রম জোরদার করা হবে।’
মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।সভাটি বিমানবন্দর এলাকায় সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক এবং হর্নের ব্যবহার বন্ধের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় হর্ন বন্ধে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার চালানো হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সভা করে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে। ১ অক্টোবর থেকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন এবং ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জননিরাপত্তা বিভাগ, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
১৭ সেপ্টেম্বর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সভা করে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে। ১ অক্টোবর থেকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন এবং ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জননিরাপত্তা বিভাগ, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।



