ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
শতাধিক কোটি টাকা অনুদান তোলার পরেও তহবিলশূন্যতায় জুলাই ফাউন্ডেশন!
মাত্র এক বছর ৮ মাস না যেতেই আর্থিক সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন। চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সরকার উৎখাত করতে গিয়ে আহত ও নিহতের পরিবারের কল্যাণে গঠিত প্রতিষ্ঠানটি, বর্তমানে নিজেদের কর্মীদেরই মাসিক বেতন দেওয়া নিয়ে পড়েছে সংকটে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বার বার আবেদন করেও মেলেনি টাকা। বাধ্য হয়ে এমপিদের ১ মাসের বেতন অনুদান হিসেবে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফাউন্ডেশন।
সরকারবিরোধী দাঙ্গায় অংশ নিয়ে আহত ও নিহতদের পরিবারের সহায়তায় ২০২৪ এর ১০ই আগস্ট যাত্রা শুরু করে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন। কথিত ৮৩৪ জন নিহতের পরিবার ও আহত ১৪ হাজারের বেশি জুলাইযোদ্ধার সহায়তায় ৩৩৭ কোটি টাকার তহবিল নির্ধারণ করে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই ফাউন্ডেশনের ভেতরে ‘আয়নাঘর’ বানিয়ে নির্যাতন: স্বীকারোক্তি
ভুক্তভোগী জুলাইযোদ্ধার টাকা দেওয়ার নামে বারবার ঘোরানো, জুলাই ফাউন্ডেশনে তালা দিয়ে আহতদের তাণ্ডব-ভাঙচুর! জুলাই দাঙ্গায় হতাহতদের নামে শত কোটি টাকার অনুদান তুলে এখন বেতন দিতেই হিমশিম ফাউন্ডেশন তবে, যাত্রা শুরুর সময় তারা হাতে পায় ১০০ কোটি টাকা। এরপর আর টাকা ছাড় করেনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এতে দেড় বছর না যেতেই আর্থিক সংকটে পড়েছে এই ফাউন্ডেশন। রাজধানীর শাহবাগে ২,৪০০ বর্গফুটের অফিসের মাসিক ভাড়া ১.৫ লাখ টাকা, সঙ্গে প্রশাসনিক ব্যয়, অফিস রক্ষণাবেক্ষণ, যানবাহন ও আসবাব কেনা—সব মিলিয়ে ফাউন্ডেশন কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ২০২৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ইউনূস নিজ হাতে ফাউন্ডেশনকে ১০০ কোটি টাকার অনুদান দেন। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ কোটি এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী আরও ৫
কোটি টাকা দেন। ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া অনুদানসহ তহবিল বেড়ে দাঁড়ায় ১১৯ কোটি টাকায়। কিন্তু হিসাব অনুযায়ী, এর মধ্যে ১১৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে—যার বড় অংশ গিয়েছে আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক ব্যয়ে। বর্তমানে যা অবশিষ্ট, তা দিয়ে বেতন দেওয়ার সুযোগ নেই। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সিইও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামাল আকবর বলেন, ২০২৪ সালের পর আর টাকা দেওয়া হয়নি। ১৫ বার মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি, পত্র লিখেছি, সাক্ষাৎ করেছি। কিন্তু তা পাইনি। জুলাই ফাউন্ডেশনের তথ্য, আহতের মধ্যে এখনো আর্থিক সুবিধা পায়নি ৮ হাজারের বেশি যোদ্ধা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে একাধিক আবেদনেও প্রতিশ্রুত তহবিলের বাকি ২৩৭ কোটি টাকা মিলেনি এখনো। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের
অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বৈছা নেত্রী দিলশাদ গ্রেপ্তার দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ: জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে সরে দাঁড়ালেন সারজিস আন্দোলন সফল, নির্বাচনও শেষ: জুলাইযোদ্ধা নিহত-আহতদের পরিবারের খোঁজ নেয়না এখন আর কেউ ফাউন্ডেশনের সিইও বলেন, সরকারে কাছে ২৩৭ কোটি টাক বকেয়া। এটা পেলে সহায়তাটা করা যাবে। তবে এর আগে জুলাইয়ের আহতদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। টাকা দেওয়ার নাম করে বারবার ঘোরানো, টাকার ‘বখরা’ চাওয়া, টাকা নিয়ে চাপাচাপি করলে ধরে নিয়ে ফাউন্ডেশনের ভেতরে তৈরি ‘আয়নাঘর’-এ আটকে নির্যাতনের মত ঘটনাও ঘটেছে। এসবের জের ধরে ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ভাঙচুর আর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেটানোর ঘটনাও ঘটেছে গত বছরের জুলাইতে। অর্থসংকটে নিহত পরিবারের সহায়তা বন্ধ হয়ে গেলেও ইউনূস সরকার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে বিপুল
অপব্যয় ঘটিয়েছেন। চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, এমনকি রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ৪৬ কোটি টাকায় নতুন স্থাপনা হচ্ছে। গণভবনকে ‘জুলাই জাদুঘর’ করার কাজেও ব্যয় হয়েছে ১১১ কোটি টাকা—তা-ও সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে। এই ব্যয় নিয়ে টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে নিহত পরিবার ও আহতরা সহায়তার জন্য দফায় দফায় ঘুরছেন, সেখানে স্মৃতিস্তম্ভে এমন অপচয় কেন? নিহত সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ বলেন, “যারা নিহতের প্রতি সম্মান দেখাতে চান, তারা স্মৃতিস্তম্ভ ছাড়াও তা দেবেন। কিন্তু যারা জীবিত আহত, তারা এখনো চিকিৎসার জন্য ঘুরছেন—এটাই লজ্জার।” এদিকে, প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা নিশ্চিতে সরকারের সুদৃষ্টি চাইছেন জুলাইযোদ্ধাদের পরিবারগুলো। নিহত তাহির জামান প্রিয়র মা সামসি আরা জানান , সরকার যেন বিষয়টি সুন্দরভাবে দেখে। আহত
ও নিহদের পরিবার যেন অর্থ পায়। নিহত মো. সোহেলের বোন নুপুর আক্তার জানা, তাদের জন্য খুব বেশি সহায়তা প্রয়োজন। পুনর্বাসন, চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা দিলে তারা একটু ভালোভাবে জীবনটা চালাতে পারবে। আর্থিক সংকট কাটাতে সব এমপিকে তাদের এক মাসের বেতন অনুদান হিসাবে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফাউন্ডেশন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ফাউন্ডেশনের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, অনুদান বিতরণের স্বচ্ছতা এবং যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ১২০ কোটি টাকার ফান্ড নিয়ে চালু হওয়া এই ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে শুরু থেকেই। বর্তমানে অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মত অর্থও নেই তহবিলে। এমনকি ব্যাংক ঋণ চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে জুলাই ফাউন্ডেশন।
ভুক্তভোগী জুলাইযোদ্ধার টাকা দেওয়ার নামে বারবার ঘোরানো, জুলাই ফাউন্ডেশনে তালা দিয়ে আহতদের তাণ্ডব-ভাঙচুর! জুলাই দাঙ্গায় হতাহতদের নামে শত কোটি টাকার অনুদান তুলে এখন বেতন দিতেই হিমশিম ফাউন্ডেশন তবে, যাত্রা শুরুর সময় তারা হাতে পায় ১০০ কোটি টাকা। এরপর আর টাকা ছাড় করেনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এতে দেড় বছর না যেতেই আর্থিক সংকটে পড়েছে এই ফাউন্ডেশন। রাজধানীর শাহবাগে ২,৪০০ বর্গফুটের অফিসের মাসিক ভাড়া ১.৫ লাখ টাকা, সঙ্গে প্রশাসনিক ব্যয়, অফিস রক্ষণাবেক্ষণ, যানবাহন ও আসবাব কেনা—সব মিলিয়ে ফাউন্ডেশন কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ২০২৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ইউনূস নিজ হাতে ফাউন্ডেশনকে ১০০ কোটি টাকার অনুদান দেন। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ কোটি এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী আরও ৫
কোটি টাকা দেন। ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া অনুদানসহ তহবিল বেড়ে দাঁড়ায় ১১৯ কোটি টাকায়। কিন্তু হিসাব অনুযায়ী, এর মধ্যে ১১৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে—যার বড় অংশ গিয়েছে আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক ব্যয়ে। বর্তমানে যা অবশিষ্ট, তা দিয়ে বেতন দেওয়ার সুযোগ নেই। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সিইও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামাল আকবর বলেন, ২০২৪ সালের পর আর টাকা দেওয়া হয়নি। ১৫ বার মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি, পত্র লিখেছি, সাক্ষাৎ করেছি। কিন্তু তা পাইনি। জুলাই ফাউন্ডেশনের তথ্য, আহতের মধ্যে এখনো আর্থিক সুবিধা পায়নি ৮ হাজারের বেশি যোদ্ধা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে একাধিক আবেদনেও প্রতিশ্রুত তহবিলের বাকি ২৩৭ কোটি টাকা মিলেনি এখনো। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের
অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বৈছা নেত্রী দিলশাদ গ্রেপ্তার দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ: জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে সরে দাঁড়ালেন সারজিস আন্দোলন সফল, নির্বাচনও শেষ: জুলাইযোদ্ধা নিহত-আহতদের পরিবারের খোঁজ নেয়না এখন আর কেউ ফাউন্ডেশনের সিইও বলেন, সরকারে কাছে ২৩৭ কোটি টাক বকেয়া। এটা পেলে সহায়তাটা করা যাবে। তবে এর আগে জুলাইয়ের আহতদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। টাকা দেওয়ার নাম করে বারবার ঘোরানো, টাকার ‘বখরা’ চাওয়া, টাকা নিয়ে চাপাচাপি করলে ধরে নিয়ে ফাউন্ডেশনের ভেতরে তৈরি ‘আয়নাঘর’-এ আটকে নির্যাতনের মত ঘটনাও ঘটেছে। এসবের জের ধরে ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ভাঙচুর আর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেটানোর ঘটনাও ঘটেছে গত বছরের জুলাইতে। অর্থসংকটে নিহত পরিবারের সহায়তা বন্ধ হয়ে গেলেও ইউনূস সরকার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে বিপুল
অপব্যয় ঘটিয়েছেন। চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, এমনকি রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ৪৬ কোটি টাকায় নতুন স্থাপনা হচ্ছে। গণভবনকে ‘জুলাই জাদুঘর’ করার কাজেও ব্যয় হয়েছে ১১১ কোটি টাকা—তা-ও সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে। এই ব্যয় নিয়ে টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে নিহত পরিবার ও আহতরা সহায়তার জন্য দফায় দফায় ঘুরছেন, সেখানে স্মৃতিস্তম্ভে এমন অপচয় কেন? নিহত সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ বলেন, “যারা নিহতের প্রতি সম্মান দেখাতে চান, তারা স্মৃতিস্তম্ভ ছাড়াও তা দেবেন। কিন্তু যারা জীবিত আহত, তারা এখনো চিকিৎসার জন্য ঘুরছেন—এটাই লজ্জার।” এদিকে, প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা নিশ্চিতে সরকারের সুদৃষ্টি চাইছেন জুলাইযোদ্ধাদের পরিবারগুলো। নিহত তাহির জামান প্রিয়র মা সামসি আরা জানান , সরকার যেন বিষয়টি সুন্দরভাবে দেখে। আহত
ও নিহদের পরিবার যেন অর্থ পায়। নিহত মো. সোহেলের বোন নুপুর আক্তার জানা, তাদের জন্য খুব বেশি সহায়তা প্রয়োজন। পুনর্বাসন, চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা দিলে তারা একটু ভালোভাবে জীবনটা চালাতে পারবে। আর্থিক সংকট কাটাতে সব এমপিকে তাদের এক মাসের বেতন অনুদান হিসাবে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফাউন্ডেশন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ফাউন্ডেশনের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, অনুদান বিতরণের স্বচ্ছতা এবং যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ১২০ কোটি টাকার ফান্ড নিয়ে চালু হওয়া এই ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে শুরু থেকেই। বর্তমানে অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মত অর্থও নেই তহবিলে। এমনকি ব্যাংক ঋণ চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে জুলাই ফাউন্ডেশন।



