ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত
এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল
আইনি মারপ্যাঁচে আসন হারাতে পারেন জামায়াত জোটের প্রার্থী
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ফারজানা সিঁথি
চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের
শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেছেন, ছাত্রশিবির যেখানে তূলনামূলক শক্তিশালী, সেখানে তারা কেমন সন্ত্রাসের বীজ বপন করে, তা আমরা আজ দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা এমন কাজের সাহস করত না। এ পর্যন্ত তারা যতগুলো ঘটনা ঘটিয়েছে, তার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ চট্টগ্রামে। কারণ সেখানের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে তাদের অবস্থান তূলনামূলক ভালো।
মঙ্গলবার রাত ৯টায় ‘চট্টগ্রাম সিটি কলেজে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্র শিবিরের সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।
চট্টগ্রাম সিটি কলেজের একটি দেয়ালে গ্রাফিতির নিচে লেখা ছিল—‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’। সোমবার কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা-কর্মী গিয়ে ‘ছাত্র’ শব্দটি
মুছে দেন। পরে সেখানে ‘গুপ্ত’ শব্দটি লিখে দেওয়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দুপক্ষের মধ্যে দুইদফায় সংঘর্ষ হয়েছে। নাছির বলেন, দেয়ালে যদি ছাত্রদল ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে কোনো বাক্য লিখেও থাকে, তারা পাল্টা আরেকটি দেয়ালে লিখতে পারত। কিন্তু তারা ছাত্রদলের অসংখ্য কর্মীদের উপর হামলা করেছে। তিনি বলেন, ছাত্রশিবির যেখানে তূলনামূলক শক্তিশালী, সেখানে তারা কেমন সন্ত্রাসের বীজ বপন করে, তা আমরা আজ দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা এমন কাজের সাহস করত না। এ পর্যন্ত তারা যতগুলো ঘটনা ঘটিয়েছে, তার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ চট্টগ্রামে। কারণ সেখানের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে তাদের অবস্থান তূলনামূলক ভালো। যদি ছাত্রদলের আরেকটি নেতাকর্মীর উপরও হামলা করা হয়, ছাত্রশিবিরের নেতাদের ক্যাম্পাসের
স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া হবে না। নাছির বলেন, বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতিতে একটি জিনিস আপনারা লক্ষ্য করেছেন। কোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ভুয়া ও মিথ্যা ন্যারেটিভ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে চায়। ছাত্রশিবিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ডাকসুর ভিপি, জিএস, মোসাদ্দেক এবং এবি জুবায়ের-আপনাদের ব্যবহৃত ফোন কোন দেশ থেকে আসা-যেখানে গুপ্ত রাজনীতি ও মুনাফেকের রাজনীতি দেখা যায় না। আমাদের নেতাকর্মীরা তো ফোন খুললেই এসব দেখতে পান। বিক্ষোভে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা সহিষ্ণুতা পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু কিছু উশৃঙ্খল ছাত্র, পরে জানা গেছে তারা গুপ্ত রাজনীতির সাথে যুক্ত, তারা একের পর এক মব কালচারকে উসকে দিয়ে বাংলাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে
বিভ্রান্তকর পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তিনি বলেন, যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে গেস্টরুম-গণরুমের মতো নিকৃষ্ট কালচারে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের সম্পৃক্ততা পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি তার নামে মামলা করব। মিছিলে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাছুম বিল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম ভূঁইয়া ইমনসহ একাধিক নেতা বক্তব্য রাখেন। মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা ছাড়াও ঢাকা কলেজের নেতৃবৃন্দ, কবি নজরুল কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মুছে দেন। পরে সেখানে ‘গুপ্ত’ শব্দটি লিখে দেওয়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দুপক্ষের মধ্যে দুইদফায় সংঘর্ষ হয়েছে। নাছির বলেন, দেয়ালে যদি ছাত্রদল ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে কোনো বাক্য লিখেও থাকে, তারা পাল্টা আরেকটি দেয়ালে লিখতে পারত। কিন্তু তারা ছাত্রদলের অসংখ্য কর্মীদের উপর হামলা করেছে। তিনি বলেন, ছাত্রশিবির যেখানে তূলনামূলক শক্তিশালী, সেখানে তারা কেমন সন্ত্রাসের বীজ বপন করে, তা আমরা আজ দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা এমন কাজের সাহস করত না। এ পর্যন্ত তারা যতগুলো ঘটনা ঘটিয়েছে, তার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ চট্টগ্রামে। কারণ সেখানের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে তাদের অবস্থান তূলনামূলক ভালো। যদি ছাত্রদলের আরেকটি নেতাকর্মীর উপরও হামলা করা হয়, ছাত্রশিবিরের নেতাদের ক্যাম্পাসের
স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া হবে না। নাছির বলেন, বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতিতে একটি জিনিস আপনারা লক্ষ্য করেছেন। কোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ভুয়া ও মিথ্যা ন্যারেটিভ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে চায়। ছাত্রশিবিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ডাকসুর ভিপি, জিএস, মোসাদ্দেক এবং এবি জুবায়ের-আপনাদের ব্যবহৃত ফোন কোন দেশ থেকে আসা-যেখানে গুপ্ত রাজনীতি ও মুনাফেকের রাজনীতি দেখা যায় না। আমাদের নেতাকর্মীরা তো ফোন খুললেই এসব দেখতে পান। বিক্ষোভে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা সহিষ্ণুতা পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু কিছু উশৃঙ্খল ছাত্র, পরে জানা গেছে তারা গুপ্ত রাজনীতির সাথে যুক্ত, তারা একের পর এক মব কালচারকে উসকে দিয়ে বাংলাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে
বিভ্রান্তকর পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তিনি বলেন, যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে গেস্টরুম-গণরুমের মতো নিকৃষ্ট কালচারে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের সম্পৃক্ততা পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি তার নামে মামলা করব। মিছিলে ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাছুম বিল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম ভূঁইয়া ইমনসহ একাধিক নেতা বক্তব্য রাখেন। মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা ছাড়াও ঢাকা কলেজের নেতৃবৃন্দ, কবি নজরুল কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



