ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়ক ছেড়ে তেলের পাম্পের লাইন সামলাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ, জ্বালানি সংকটে নতুন চাপে দায়িত্বশীলরা
হামের টিকা অব্যবস্থাপনা: অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী সরকারের ঘাড়েও দায় চাপালেন তারেক রহমান
ড. ইউনূসের ‘সর্বনাশা’ বাণিজ্য চুক্তি: দেশের সার্বভৌমত্ব কি হুমকির মুখে?
একে একে মার্কিন বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু, নিযুক্ত ছিলেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর প্রকল্পে
রেকর্ড লোডশেডিং: গরমে বিপর্যস্ত দেশবাসী
শান্তি ফোরামে যোগ দিতে সেনেগালে গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার
লোডশেডিংয়ে আঁধারে ডুবেছে চট্টগ্রাম: ১০ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ, নাকাল জনজীবন
তীব্র তাপদাহের মাঝে জ্বালানি সংকটের কবলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। জ্বালানির অভাবে চট্টগ্রামের ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ তলানিতে ঠেকেছে। এর ফলে নগরী থেকে গ্রাম—সর্বত্রই শুরু হয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং, যা সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।
১৭ই এপ্রিল, শুক্রবার সারাদিনই চাহিদার তুলনায় জোগানের ঘাটতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পিডিবি-র তথ্যমতে: সকাল ১১টা চাহিদা ছিল ১,২৯১.৬০ মেগাওয়াট, সরবরাহ পাওয়া যায় ১,১৫০.৭০ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হয় ১৪০.৯০ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৭টা চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১,১৭০.২০ মেগাওয়াটে। যদিও উৎপাদন অনেকটাই বেশি ছিল, কিন্তু জাতীয় গ্রিডে বড় একটি অংশ সরবরাহ করায় স্থানীয়ভাবে ১২০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়।
সার্বিক পরিস্থিতি
২৮টির মধ্যে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি
অচল জ্বালানি ও গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন গ্রামাঞ্চলে ১২-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট চাহিদা বাড়লে লোডশেডিং আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ১০টি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ। বড় কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। এরমধ্যে এনলিমা (১১৬ মেগাওয়াট), জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট), জুলধা-২ ও ৩ (২০০ মেগাওয়াট) এবং রাউজানের দুটি ইউনিট (৪২০ মেগাওয়াট) উল্লেখযোগ্য। মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে সকালে উৎপাদন মিললেও সন্ধ্যায় তা শূন্যে নেমে আসে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২টি সচল রয়েছে। চট্টগ্রামের বর্তমান সরবরাহ মূলত টিকে আছে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার (৬১২ মেগাওয়াট), শিকলবাহা (২১৮ মেগাওয়াট) ও মিরসরাইয়ের বি-আর পাওয়ার (১৫০ মেগাওয়াট) কেন্দ্রের ওপর। হাটহাজারী উপজেলার ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন,
দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দোকানে অনলাইনভিত্তিক কাজ করতে হয়। বিদ্যুৎ ছাড়া কাজ করা যায় না। আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। অসহ্য গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় শুধু জীবনযাত্রাই ব্যাহত হচ্ছে না, দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকটও। নগরীর বাকলিয়া এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী বক্কর সওদাগর বলেন, বৈশাখ মাসের গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন সেই একযুগ আগেকার দিনে ফিরে গেছে। নগরে ৪-৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও উপজেলার অবস্থা আরও শোচনীয়। বাঁশখালীর গৃহিনী সুচিত্রা গুহ জানান, সেখানে দিনে ১২-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, ফলে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। পিডিবির চট্টগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী
ফাহমিদা জামান জানিয়েছেন, মূলত গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণেই কেন্দ্রগুলো চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের এই ধারা কমবেশি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অচল জ্বালানি ও গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন গ্রামাঞ্চলে ১২-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট চাহিদা বাড়লে লোডশেডিং আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ১০টি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ। বড় কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। এরমধ্যে এনলিমা (১১৬ মেগাওয়াট), জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট), জুলধা-২ ও ৩ (২০০ মেগাওয়াট) এবং রাউজানের দুটি ইউনিট (৪২০ মেগাওয়াট) উল্লেখযোগ্য। মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে সকালে উৎপাদন মিললেও সন্ধ্যায় তা শূন্যে নেমে আসে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২টি সচল রয়েছে। চট্টগ্রামের বর্তমান সরবরাহ মূলত টিকে আছে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার (৬১২ মেগাওয়াট), শিকলবাহা (২১৮ মেগাওয়াট) ও মিরসরাইয়ের বি-আর পাওয়ার (১৫০ মেগাওয়াট) কেন্দ্রের ওপর। হাটহাজারী উপজেলার ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন,
দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দোকানে অনলাইনভিত্তিক কাজ করতে হয়। বিদ্যুৎ ছাড়া কাজ করা যায় না। আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। অসহ্য গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় শুধু জীবনযাত্রাই ব্যাহত হচ্ছে না, দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকটও। নগরীর বাকলিয়া এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী বক্কর সওদাগর বলেন, বৈশাখ মাসের গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন সেই একযুগ আগেকার দিনে ফিরে গেছে। নগরে ৪-৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও উপজেলার অবস্থা আরও শোচনীয়। বাঁশখালীর গৃহিনী সুচিত্রা গুহ জানান, সেখানে দিনে ১২-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, ফলে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। পিডিবির চট্টগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী
ফাহমিদা জামান জানিয়েছেন, মূলত গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণেই কেন্দ্রগুলো চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের এই ধারা কমবেশি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



