ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের
‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি?
এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
লেবুর ভরি একশো বিশ, তারেক সাহেবের ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’টা এখন পরিষ্কার!
এক হালি লেবু একশো বিশ টাকা। পড়ে অবাক হচ্ছেন? বিষম খাচ্ছেন? দুটোই হওয়া স্বাভাবিক। সামাজিক মাধ্যমে এখন ট্রেন্ড চলছে, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” মানুষ রসিকতা করছে, কিন্তু এই রসিকতার ভেতরে একটা গভীর নিষ্পেষিত ক্লান্তি আছে। যে মানুষটা ইফতারে এক গ্লাস লেবুর শরবত খেতে চান, তিনি হিসাব করছেন একটা লেবুর দাম দিয়ে আর কী কী কেনা যেত!
এখন প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী? বিক্রেতারা বলছেন চাহিদা বেশি, সরবরাহ কম। নব্য গজানো বিএনপি সরকার সাফাই দিচ্ছে, আগেও হয়েছে এমন, এবারই প্রথম না। আচ্ছা বুঝলাম না হয় আপনাদের কথা। কিন্তু চাহিদা যে রমজানে বাড়বে সেটা তো আর অজানা কোনো তথ্য না।
এটা জানা সত্ত্বেও প্রস্তুতি নেই কেন, সেই প্রশ্নটাই উত্তরই তো আপনারা কেউ দিচ্ছেন না! বিএনপির ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে চালের দাম দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। ভোজ্যতেলের দাম এতটাই বেড়েছিল যে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে তেলের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হয়েছিল। পেঁয়াজ-রসুন-মরিচ, সব মিলিয়ে সেই পাঁচ বছরে বাজারের যে অবস্থা হয়েছিল, সেটা কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। সেটা ছিল একটা সিস্টেমের ফল, যেখানে ক্ষমতাসীনদের সাথে ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের একটা পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক ছিল। বাজার নিয়ন্ত্রণে হাত দিলে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে, তাই হাত দেওয়া হয়নি। এখন আবার সেই দলই ক্ষমতায়। আর আবার সেই একই দৃশ্য। তারেক রহমান বলেছিলেন, আই হ্যাভ আ প্ল্যান। সেই প্ল্যান যে কী ছিল
সেটা এখন পরিষ্কার। লেবু একশো বিশ টাকা হালি, বেগুনে আগুন, মুরগি কিনতে গেলে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার কথা মাথায় আসে। এটাই প্ল্যান। কেউ কেউ বলবেন, আগের সরকারও তো ব্যর্থ ছিল। তর্কের খাতিরে ধরলাম আপনাদের সঠিক। কিন্তু একটা দলের ব্যর্থতা আরেকটা দলের ব্যর্থতাকে ঢেকে যে দেয় না, সেটা বোঝেন আপনারা? বিএনপির নিজস্ব একটা রেকর্ড আছে, এবং সেই রেকর্ড অনুযায়ী তারা যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, বাজারে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এটা কাকতালীয় হলে পরপর কয়েকবার ঘটে না। সমস্যাটা শুধু লেবুর দাম না। সমস্যাটা হলো একটা দলের মানসিকতায়। বাজার নিয়ন্ত্রণ মানে শুধু মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঠানো না। বাজার নিয়ন্ত্রণ মানে সিন্ডিকেটের সাথে সম্পর্ক না রাখা।
সেই কাজটা যারা কোনোদিন করেনি, তারা আজও করছে না, কালও করবে না। মানুষ তাই এখন ঠাট্টা-মশকরা করছে লেবুর ভরি নিয়ে। কারণ কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে গেলে মানুষ হাসতে শেখে। দুঃখের হাসি।
এটা জানা সত্ত্বেও প্রস্তুতি নেই কেন, সেই প্রশ্নটাই উত্তরই তো আপনারা কেউ দিচ্ছেন না! বিএনপির ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে চালের দাম দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। ভোজ্যতেলের দাম এতটাই বেড়েছিল যে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে তেলের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হয়েছিল। পেঁয়াজ-রসুন-মরিচ, সব মিলিয়ে সেই পাঁচ বছরে বাজারের যে অবস্থা হয়েছিল, সেটা কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। সেটা ছিল একটা সিস্টেমের ফল, যেখানে ক্ষমতাসীনদের সাথে ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের একটা পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক ছিল। বাজার নিয়ন্ত্রণে হাত দিলে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে, তাই হাত দেওয়া হয়নি। এখন আবার সেই দলই ক্ষমতায়। আর আবার সেই একই দৃশ্য। তারেক রহমান বলেছিলেন, আই হ্যাভ আ প্ল্যান। সেই প্ল্যান যে কী ছিল
সেটা এখন পরিষ্কার। লেবু একশো বিশ টাকা হালি, বেগুনে আগুন, মুরগি কিনতে গেলে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার কথা মাথায় আসে। এটাই প্ল্যান। কেউ কেউ বলবেন, আগের সরকারও তো ব্যর্থ ছিল। তর্কের খাতিরে ধরলাম আপনাদের সঠিক। কিন্তু একটা দলের ব্যর্থতা আরেকটা দলের ব্যর্থতাকে ঢেকে যে দেয় না, সেটা বোঝেন আপনারা? বিএনপির নিজস্ব একটা রেকর্ড আছে, এবং সেই রেকর্ড অনুযায়ী তারা যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, বাজারে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এটা কাকতালীয় হলে পরপর কয়েকবার ঘটে না। সমস্যাটা শুধু লেবুর দাম না। সমস্যাটা হলো একটা দলের মানসিকতায়। বাজার নিয়ন্ত্রণ মানে শুধু মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঠানো না। বাজার নিয়ন্ত্রণ মানে সিন্ডিকেটের সাথে সম্পর্ক না রাখা।
সেই কাজটা যারা কোনোদিন করেনি, তারা আজও করছে না, কালও করবে না। মানুষ তাই এখন ঠাট্টা-মশকরা করছে লেবুর ভরি নিয়ে। কারণ কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে গেলে মানুষ হাসতে শেখে। দুঃখের হাসি।



