ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
লালমনিরহাটের চার যুবককে ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে রাশিয়ায় উচ্চমূল্যে বেচে দিলেন জামায়াতের দুই নেতা
উচ্চ বেতনে গার্মেন্টসে চাকরির ‘মূলা ঝুলিয়ে’ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার চার যুবককে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে ‘ভাড়াটে যোদ্ধা’ হিসেবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী যুব সংগঠনের দুই নেতার বিরুদ্ধে।
নিখোঁজ ওই চার যুবকের পরিবার বর্তমানে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাদের প্রভাব=প্রতিপত্তির ভয়ে ভুক্তভোগীদের পরিবার আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারছেন না।
রাশিয়ায় মানব পাচারের শিকার চার যুবক হলেন-পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের টেপুরগাড়ী এলাকার দেলদার রহমানের ছেলে নাজমুল হক সৌরভ (২১), একই এলাকার রাবিউল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (২১), সর্দারপাড়া এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে আল আমিন (২০) এবং আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২২)।
পরিবারগুলো জানায়, জেলা শিবিরের
সাবেক সভাপতি ও পাটগ্রাম উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি ইউনুস আলী এবং পৌর যুব বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মাহিন ইসলাম জনপ্রতি সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে যুবকদের রাশিয়ায় পাঠান। ঢাকা উত্তরার আরএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি এজেন্সির মাধ্যমে নিরাপদ ও বৈধভাবে রাশিয়ায় চাকরির আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে চলতি মাসের ৪ঠা মে চার যুবককে ঢাকায় নেওয়া হয়। ৭ই মে তারা রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়ে ৮ই মে সকালে মস্কো পৌঁছান। পরিবার জানায়, মস্কো বিমানবন্দরে নেমে ভিডিওকলে স্বাভাবিক যোগাযোগ হলেও পরে রুশ সেনাবাহিনী তাদের একটি হোটেলে নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। তখন তারা টের পান, চাকরির নামে তাদেরকে বেচে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তাদের
সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিবারের। পরে বিভিন্ন সময় তারা গোপনে অন্যের ফোন থেকে কেঁদে পরিস্থিতি জানায়। দেশে ফিরিয়ে নিতে সরকারের কাছে দাবি জানায় পরিবারের মাধ্যমে। এ ঘটনায় পরিবারগুলো অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ইউনুস ও মাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে ১৪ই মে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার আরএস ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির কার্যালয়ে গেলে কয়েক দিনের মধ্যে যুবকদের নিরাপদ স্থানে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরে পরিবারগুলো গিয়ে তাদের রিক্রুটিং এজেন্সির অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে গত ২১শে মে ঢাকায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আরও কয়েকটি পরিবার। তারা দ্রুত স্বজনদের দেশে ফিরিয়ে
আনার দাবি জানান। গতকাল মঙ্গলবার পাটগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এ ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাদের বিচার দাবি করে। সেখানে পৌর জামায়াতের আমির সোহেল রানাকেও দায়ী করা হয়। এদিকে, ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় গত ২০শে মে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী অভিযুক্ত ইউনুস আলী ও মাহিন ইসলামকে তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে দায় সারে। অভিযোগের বিষয়ে ইউনুস আলী বলেন, যুবকেরা বৈধ কাগজপত্র নিয়েই রাশিয়ায় গেছেন। সেখানে গিয়ে তারা প্রতারণার শিকার হন। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ও দুই দেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া সব টাকা তিনি মাহিন ইসলামের
কাছে দিয়েছেন। তবে মাহিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে তার কোনো পরিচয় নেই। ইউনুস আলীর সঙ্গে এজেন্সির পরিচয় করিয়ে দিলেও পুরো প্রক্রিয়া ইউনুস নিজেই পরিচালনা করেছেন। পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ শোয়াইব আহমেদ দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের দায় সংগঠনের নয়। অভিযুক্ত দুজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাবেক সভাপতি ও পাটগ্রাম উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি ইউনুস আলী এবং পৌর যুব বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মাহিন ইসলাম জনপ্রতি সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে যুবকদের রাশিয়ায় পাঠান। ঢাকা উত্তরার আরএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি এজেন্সির মাধ্যমে নিরাপদ ও বৈধভাবে রাশিয়ায় চাকরির আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে চলতি মাসের ৪ঠা মে চার যুবককে ঢাকায় নেওয়া হয়। ৭ই মে তারা রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়ে ৮ই মে সকালে মস্কো পৌঁছান। পরিবার জানায়, মস্কো বিমানবন্দরে নেমে ভিডিওকলে স্বাভাবিক যোগাযোগ হলেও পরে রুশ সেনাবাহিনী তাদের একটি হোটেলে নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। তখন তারা টের পান, চাকরির নামে তাদেরকে বেচে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তাদের
সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিবারের। পরে বিভিন্ন সময় তারা গোপনে অন্যের ফোন থেকে কেঁদে পরিস্থিতি জানায়। দেশে ফিরিয়ে নিতে সরকারের কাছে দাবি জানায় পরিবারের মাধ্যমে। এ ঘটনায় পরিবারগুলো অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ইউনুস ও মাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে ১৪ই মে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার আরএস ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির কার্যালয়ে গেলে কয়েক দিনের মধ্যে যুবকদের নিরাপদ স্থানে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরে পরিবারগুলো গিয়ে তাদের রিক্রুটিং এজেন্সির অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে গত ২১শে মে ঢাকায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আরও কয়েকটি পরিবার। তারা দ্রুত স্বজনদের দেশে ফিরিয়ে
আনার দাবি জানান। গতকাল মঙ্গলবার পাটগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এ ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাদের বিচার দাবি করে। সেখানে পৌর জামায়াতের আমির সোহেল রানাকেও দায়ী করা হয়। এদিকে, ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় গত ২০শে মে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী অভিযুক্ত ইউনুস আলী ও মাহিন ইসলামকে তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে দায় সারে। অভিযোগের বিষয়ে ইউনুস আলী বলেন, যুবকেরা বৈধ কাগজপত্র নিয়েই রাশিয়ায় গেছেন। সেখানে গিয়ে তারা প্রতারণার শিকার হন। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ও দুই দেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া সব টাকা তিনি মাহিন ইসলামের
কাছে দিয়েছেন। তবে মাহিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে তার কোনো পরিচয় নেই। ইউনুস আলীর সঙ্গে এজেন্সির পরিচয় করিয়ে দিলেও পুরো প্রক্রিয়া ইউনুস নিজেই পরিচালনা করেছেন। পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ শোয়াইব আহমেদ দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের দায় সংগঠনের নয়। অভিযুক্ত দুজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



