ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
রোববার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ফের সংলাপে বসছে ঐকমত্য কমিশন
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আগামীকাল রোববার (০৫ অক্টোবর) আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে বেলা সাড়ে ১১টায় এ সংলাপ শুরু হবে।
শনিবার (০৪ অক্টোবর) কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় ঠিক করতে দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় ধাপের তৃতীয় দিনের সংলাপে বসেছিল কমিশন। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমাতে সরকারের কাছে দুটি প্যাকেজ প্রস্তাব
করবে ঐকমত্য কমিশন। প্রথমত সংবিধান আদেশ জারি, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত গ্রহণ এবং গণভোট আয়োজন। দ্বিতীয়ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণপরিষদ বা সংবিধান সংস্কার সভার মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দ্বারা সনদের সাংবিধানিক বিষয়গুলোর সমাধান। সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রস্তাবে দলগুলোর মধ্যে ঐক্য না হওয়ায় ঐকমত্য কমিশনের কার্যকালের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রথম পর্বে ঐকমত্যে ৬২টি বিষয়ে, দ্বিতীয় পর্বে ২০টিতে : মোট ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট তাদের মতামত কমিশনের কাছে পাঠায়। অনেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও দেয়। মতামত গ্রহণের পাশাপাশি প্রথম পর্যায়ে ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মোট
৪৪টি বৈঠক হয়। কিছু দলের সঙ্গে হয় একাধিক বৈঠক। প্রথম পর্বের আলোচনায় ৬২টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়।
করবে ঐকমত্য কমিশন। প্রথমত সংবিধান আদেশ জারি, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত গ্রহণ এবং গণভোট আয়োজন। দ্বিতীয়ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণপরিষদ বা সংবিধান সংস্কার সভার মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দ্বারা সনদের সাংবিধানিক বিষয়গুলোর সমাধান। সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রস্তাবে দলগুলোর মধ্যে ঐক্য না হওয়ায় ঐকমত্য কমিশনের কার্যকালের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রথম পর্বে ঐকমত্যে ৬২টি বিষয়ে, দ্বিতীয় পর্বে ২০টিতে : মোট ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট তাদের মতামত কমিশনের কাছে পাঠায়। অনেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও দেয়। মতামত গ্রহণের পাশাপাশি প্রথম পর্যায়ে ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মোট
৪৪টি বৈঠক হয়। কিছু দলের সঙ্গে হয় একাধিক বৈঠক। প্রথম পর্বের আলোচনায় ৬২টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়।



