রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত কুশীলবদের বের করে আনাটা গুরুত্বপূর্ণ: মাহিন সরকার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ জুলাই, ২০২৫

রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত কুশীলবদের বের করে আনাটা গুরুত্বপূর্ণ: মাহিন সরকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ জুলাই, ২০২৫ |
রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজি করার অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাসহ পাঁচজন আটক হয়েছেন। এ ঘটনায় আজ রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার। পোস্টে তিনি লিখেছেন, রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত কুশীলবদের বের করে আনাটা গুরুত্বপূর্ণ। মাহিন সরকার আরও লেখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার একটি ঐতিহাসিক ব্যানার। আমি ইতিপূর্বেও জানিয়েছি এই ব্যানার আর থাকার প্রয়োজন নেই, যদিও এই ব্যানার প্রতিষ্ঠা করতে আমারও ভূমিকা ছিল। ওই পোস্টে তিনি আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য বলেও উল্লেখ করেন। যদিও গত ২৬ মে আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান নিজেকে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিচয় দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। গতকাল রাতে গুলশান থেকে আটক হন রাজ্জাকসহ পাঁচজন। পুলিশ জানায়, তাঁরা সবাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ ঘটনায় মাহিন সরকারের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— ‘আবদুর রাজ্জাক নামের যে ছেলেটা গ্রেপ্তার হয়েছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে, সে পুলিশ সংস্কার কমিশনের মেম্বার। অর্থাৎ গুরুত্বের বিচারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের সে লিস্টেড ছাত্র প্রতিনিধি। বাংলাদেশে যে কালচার চলে, তাতে সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে কোনোভাবে যুক্ত, এই পরিচয়েই কেউ অর্থ উপার্জন করতে পারে বলে মনে করি। এখানে তার মতো ব্যক্তিকে কীভাবে স্বরাষ্ট্র বিভাগের পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সুপারিশ করল, এটা সামনে আনা প্রয়োজন। এটা

খুব করে চাওয়া আমার।’ ‘জানে আলম অপু নামক ছেলেটা আগে থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনেক উচ্চবাচ্য করত, অনেকটা ঔদ্ধত্যের পর্যায়ে। তার বিরুদ্ধে নিজ জেলা জয়পুরহাটে অসংখ্য অভিযোগ ইতিপূর্বে কানে এসেছে, যেহেতু রাজশাহী বিভাগীয় দায়িত্বে আমি ছিলাম। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সেসহ আরও কয়েকজন সেই হত্যাকাণ্ডের কারণ তাদের দাবির সাথে না মেলা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন করে এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরে যাতায়াত বৃদ্ধি করে। এখানে জানে আলম অপু শুধু নয়, ওর আশপাশে থাকা আরও দু–একজনের নামে এমন অভিযোগ আসলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।’ ‘সর্বশেষ ইব্রাহিম হোসেন মুন্না নামক ছেলেটা এই চাঁদাবাজিতে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এই নাম আসায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানারটির যৌক্তিকতা শতভাগ

ফুরিয়ে এসেছে। ইতিপূর্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সে ঢাকা মহানগর কমিটি গোছানোতে ভূমিকা রেখেছে। সবচেয়ে বড় কথা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গত কয়েক দিন আগে হওয়া নির্বাচনে সে টপ অর্গানোগ্রামের একটি পদে ইলেকশন করে এবং পরে তার জায়গায় সে নাকি অন্য কাউকে সিলেক্ট করেছে, এই অজুহাত দিয়ে সে আর দায়িত্ব নেয়নি। এ রকম অদ্ভুতুড়ে ঘটনা ইতিপূর্বে জীবনেও প্রত্যক্ষ করিনি আমি।’ ‘ইব্রাহিম হোসেন মুন্নার নামটি একেবারে সেন্ট্রালি কানেক্টেড এবং গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলেম অপুও সেন্ট্রাল নেতা। তাদের সাথে অনেকেরই ভালো খাতির থাকা অস্বাভাবিক নয়। রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত কুশীলবদের বের করে আনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কেননা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার একটি ঐতিহাসিক ব্যানার। আমি

ইতিপূর্বেও জানিয়েছি এই ব্যানার আর থাকার প্রয়োজন নেই, যদিও এই ব্যানার প্রতিষ্ঠা করতে আমারও ভূমিকা ছিল।’ উল্লেখ্য, এদিন রাতেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংগঠনিক নীতিমালা ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সদস্য সাকাদাউন সিয়াম ও সাদাবকে সাংগঠনিক পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। পৃথক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের দুই নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কারের কথা জানায় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ। তাঁরা হলেন, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু ও সদস্য আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান। আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমানের ফেসবুক প্রোফাইলে তাঁর নামের পাশে ব্র্যাকেটে রিয়াদ লেখা দেখা গেছে। পুলিশ আটক যে পাঁচজনের নাম প্রাথমিকভাবে উল্লেখ করেছিল, তাঁদের মধ্যে

রিয়াদ নামটি ছিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ সরকার: গত ঈদের তুলনায় এবার সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৮.২৬% আবারও পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা বাংলাদেশে, বয়ান দেবেন চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা জামালপুরে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতা-কর্মীর গণআত্মসমর্পণ, আদালতের কারাগারে পাঠানোর আদেশ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা ইরান সংকটে ‘দ্রুত সমাধান’ খুঁজছেন ট্রাম্প, তবে পরিস্থিতি জটিল—বিশ্লেষকদের সতর্কতা সরকারি নিষেধাজ্ঞা নয়, বকেয়া মেটাতে না পারায় আইপিএল দেখাতে পারছে না টি-স্পোর্টস বরিশালেও বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৬ ইউনূস অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কিনতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ: এখন দেশে হাম মহামারি সংসদ ভবনে ঘোলা পানি খেয়ে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে : চিফ হুইপ আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়! ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর ভানুয়াতুর উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপিকে হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো ঢাকায় ‘জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার গুঞ্জন, মুখ খুলল ইরান ইরানকে নতুন হুমকি দিলেন ট্রাম্প মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন মিন অং হ্লাইং