ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইইউ
সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক
ভারতীয়দের পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করল বাংলাদেশ
ভেজাল মদের কারখানা ও ‘কুশ’ ল্যাবের সন্ধান
সীমান্তে বিএসএফের সড়ক নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় বন্ধ কাজ
ভারতীয়দের পর্যটক ভিসা ‘সীমিত’ করল বাংলাদেশ
নবম পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের ৩ প্রস্তাব, সর্বনিম্ন বেতন যত
রাষ্ট্র ব্যর্থ বলেই বাড়ছে উগ্রবাদ: শেখ হাসিনা
‘উগ্রবাদ ও মব মেন্টালিটি’: হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার জন্য ইউনূসকে দায়ী করলেন শেখ হাসিনা
আজকের কন্ঠ ডেস্ক,
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ, ‘মব মেন্টালিটি’ এবং রাজনৈতিক সুবিধাবাদের উত্থান ঘটেছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতারই নামান্তর।
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতার স্বার্থে ভারতকে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, “এসব হামলা ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং মব মেন্টালিটির (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) এক বিপজ্জনক মিশ্রণ, যা অন্তর্বর্তী সরকার কোনো বাধা ছাড়াই
বাড়তে দিয়েছে।” দিপু দাসের হত্যাকাণ্ডকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে সমাজে অসহিষ্ণুতা ও ধর্মান্ধতা কতটা গভীরে শেকড় গেড়েছে। তাঁর দাবি, ড. ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে হাজার হাজার সংখ্যালঘু—হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং আহমদিয়া মুসলিমদের ওপর হামলা হয়েছে, অথচ এসবের কোনো বিচার বা জবাবদিহিতা নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারতকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাবেই ভারতের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিজের দেশের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে তার প্রভাব পররাষ্ট্রনীতিতেও পড়ে।” তিনি ভারত সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি
ভারতকে গণতান্ত্রিক নীতি, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাই।” শরিফ উসমান হাদির মৃত্যু ও গণমাধ্যম শরিফ উসমান হাদির মৃত্যুকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের ফল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বিএনপি ও জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, একটি দায়িত্বশীল সরকার হলে অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দিত। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে স্বাধীন গণমাধ্যম এবং সাহসী সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে, অথচ তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত ছিল। ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভকে শেখ হাসিনা ‘পরিকল্পিত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “এগুলো স্বতঃস্ফূর্ত কোনো প্রতিবাদ ছিল না। উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং সুবিধাবাদী রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশকে তার সবচেয়ে কাছের মিত্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য এসব ঘটিয়েছে।” তিনি
আরও অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস এই উগ্রবাদী উপাদানগুলোকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন এবং জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতার অপরাধীদের রক্ষা করছেন। আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হলে তা বৈধ বা গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশের বৃহত্তম এবং ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত দল। যদি আমাদের নিষিদ্ধ করা হয় বা নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়, তবে সেই নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হতে পারে না।” তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগ বিপুল জনসমর্থন পাবে জেনেই তাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া সিলেকশনের মাধ্যমে গঠিত কোনো সরকার বৈধতা
পাবে না।
বাড়তে দিয়েছে।” দিপু দাসের হত্যাকাণ্ডকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে সমাজে অসহিষ্ণুতা ও ধর্মান্ধতা কতটা গভীরে শেকড় গেড়েছে। তাঁর দাবি, ড. ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে হাজার হাজার সংখ্যালঘু—হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং আহমদিয়া মুসলিমদের ওপর হামলা হয়েছে, অথচ এসবের কোনো বিচার বা জবাবদিহিতা নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারতকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাবেই ভারতের সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। নিজের দেশের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে তার প্রভাব পররাষ্ট্রনীতিতেও পড়ে।” তিনি ভারত সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি
ভারতকে গণতান্ত্রিক নীতি, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাই।” শরিফ উসমান হাদির মৃত্যু ও গণমাধ্যম শরিফ উসমান হাদির মৃত্যুকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের ফল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বিএনপি ও জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, একটি দায়িত্বশীল সরকার হলে অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দিত। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে স্বাধীন গণমাধ্যম এবং সাহসী সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে, অথচ তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত ছিল। ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভকে শেখ হাসিনা ‘পরিকল্পিত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “এগুলো স্বতঃস্ফূর্ত কোনো প্রতিবাদ ছিল না। উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং সুবিধাবাদী রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশকে তার সবচেয়ে কাছের মিত্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য এসব ঘটিয়েছে।” তিনি
আরও অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস এই উগ্রবাদী উপাদানগুলোকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন এবং জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতার অপরাধীদের রক্ষা করছেন। আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হলে তা বৈধ বা গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশের বৃহত্তম এবং ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত দল। যদি আমাদের নিষিদ্ধ করা হয় বা নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়, তবে সেই নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হতে পারে না।” তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগ বিপুল জনসমর্থন পাবে জেনেই তাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া সিলেকশনের মাধ্যমে গঠিত কোনো সরকার বৈধতা
পাবে না।



