ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
রামপালে চায়ের দোকানে সাবেক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
বাগেরহাটের রামপালে এক দুর্বৃত্তের অতর্কিত হামলায় ইখলাস গাজী (৫০) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১১টার দিকে রামপাল বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার সদর ইউনিয়নের যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলার পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানদার হুমায়ুন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১১টার দিকে ইখলাস গাজী ওই চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর শ্রীফলতলা গ্রামের বাসিন্দা মাহবুব রহমান সিকদার সেখানে আসেন এবং ইখলাসকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ইখলাসের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এতে গুরুতর
আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইখলাস গাজী। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে মাহবুবুর রহমান সিকদার তাঁর ওপর এভাবে চড়াও হয়েছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার সাথে জড়িত মাহবুবুর রহমান সিকদারসহ অন্যান্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস জানান, ঘটনাটি পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা
হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং হামলার সাথে জড়িত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইখলাস গাজী। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে মাহবুবুর রহমান সিকদার তাঁর ওপর এভাবে চড়াও হয়েছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার সাথে জড়িত মাহবুবুর রহমান সিকদারসহ অন্যান্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস জানান, ঘটনাটি পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা
হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং হামলার সাথে জড়িত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।



