ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
রাজধানীতে একই বাসা থেকে সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের পল্লবীর ওয়াপদা বিহারি ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে দুই সন্তানসহ এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি, সাড়ে ৩ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে আসাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের (পল্লবী) বি-ব্লকের ৩ নম্বর
ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা বলছেন, নিহত পরিবার টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করো জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতিতে ঋণ নিয়েছিল। যার ফলে তারা ঋণগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসত। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন।
ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা বলছেন, নিহত পরিবার টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করো জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতিতে ঋণ নিয়েছিল। যার ফলে তারা ঋণগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসত। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন।



