ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব
রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান
বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?
রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন দেশজুড়ে আগুন জ্বলছিলো, রাস্তায় রক্ত গড়াচ্ছিলো, তখন কেউ ভাবেনি যে আসল দুঃস্বপ্ন শুরু হবে তারপর থেকে। একটা নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দিয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা দেশটাকে এমন এক অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছেন যেখান থেকে বেরোনোর পথ দেখা যাচ্ছে না।
মুহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরেও দেশে শান্তি ফেরাতে পারেনি। উলটো প্রতিটা দিন নতুন করে প্রমাণ করছে যে পরিকল্পিতভাবে এই দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নদীতে ভাসছে লাশ, কারাগারে মরছে মানুষ, রাস্তায় মবের হাতে পিটিয়ে মারা হচ্ছে নাগরিকদের। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এসব দেখেও সরকারের কোনো নড়াচড়া নেই।
অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা এখন এতটাই
বেড়ে গেছে যে মানুষ গুনতে গুনতে ক্লান্ত। শুধু অক্টোবরেই ৬৬টা লাশ পাওয়া গেছে যাদের পরিচয় জানা যায়নি। সেপ্টেম্বরে ছিলো ৫২টা। নদীতে, ডোবায়, রাস্তার পাশে, সেতুর নিচে, পরিত্যক্ত জায়গায় পড়ে থাকা এসব মৃতদেহের কাহিনী কী? কারা এরা? কেন মরলো তারা? এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। খুলনা অঞ্চলের নদী থেকে এক বছরে ৫০টা লাশ তুলেছে নৌ-পুলিশ। ঢাকার বুড়িগঙ্গায় একদিনে চারজনের লাশ ভেসে উঠেছে, যাদের দুজনের হাত বাঁধা ছিলো। এটা কোন সভ্য দেশের চিত্র? কারাগারগুলো এখন কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। দেড় মাসে ১১২ জন মানুষ মারা গেছে হেফাজতে। বগুড়া কারাগারে একসাথে চারজন আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছিলো, কিন্তু তদন্ত হয়েছে কি? জবাবদিহিতা হয়েছে কি? কিছুই
না। পুলিশ হেফাজতেও মরছে মানুষ, কিন্তু কারো কোনো পরোয়া নেই। যেন মানুষের প্রাণের কোনো দাম নেই এই দেশে। মব সন্ত্রাসের কথা তো আলাদা অধ্যায়। দশ মাসে ২৫৬টা ঘটনায় ১৪০ জন মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। মাজার, দরগা, বাউলদের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ঘটনা। কুমিল্লার একটা গ্রামেই চারটা মাজারে হামলা হয়েছে। রাজবাড়ীতে একজন মানুষের মরদেহ কবর থেকে তুলে মহাসড়কে নিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, মানিকগঞ্জের আদালত চত্বরে আইনজীবীরা শ্লোগান দিয়েছেন "একটা একটা বাউল ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর"। এটা কোন যুগে আমরা বাস করছি? কোথায় আইনের শাসন? কোথায় সভ্যতা? রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা গেছে ২৮১ জন। বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার
হয়েছে অন্তত ২৬ জন। পুলিশ আর সেনাবাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে অনেক হত্যাকাণ্ডে। কিন্তু কোনো তদন্ত নেই, কোনো বিচার নেই। উলটো হাজার হাজার মামলা হচ্ছে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে, যাদের সাথে সেসব ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। মামলা নিয়ে ব্যবসা চলছে। মানুষকে খসড়া মামলার কপি পাঠিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের নামে বাড়িঘর আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল হয়ে যাচ্ছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যখন বলেছে যে অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে, তখন সেটা কোনো বাড়াবাড়ি ছিলো না। সংস্থাটা স্পষ্ট করে বলেছে যে রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্বিচারে আটক করা হচ্ছে, কাঠামোগত সংস্কার আনা যায়নি, আর ধর্মীয় কট্টরপন্থীদের হাতে নারী অধিকার কর্মী, সাংবাদিক, এলজিবিটি সম্প্রদায়ের
মানুষজন হয়রানির শিকার হচ্ছে নিয়মিত। প্রশ্ন হলো, কেন এই অবস্থা? একটা দেশের প্রধান উপদেষ্টা হয়ে মুহম্মদ ইউনুস কী করছেন? জানুয়ারিতে তার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছিলো যে মাজারগুলোর নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। উলটো হামলা আরো বেড়েছে। সরকার জানে সব কিছু, দেখছে সব কিছু, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কেন? উত্তরটা হয়তো খুব সোজা। যেভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, সেই বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিয়ে যারা দেশ চালাচ্ছেন, তাদের কাছে সাধারণ মানুষের জীবনের দাম কত? শেখ হাসিনার সরকারকে সরাতে যে দাঙ্গা বাঁধানো হয়েছিলো, সেই একই শক্তিগুলো এখন দেশটাকে নিজেদের মতো করে সাজাতে চাইছে। আর
সেই সাজসজ্জায় সাধারণ মানুষের কোনো জায়গা নেই। ইউনুস সাহেব সুদী মহাজন হিসেবে যে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, সেটা এখন রাজনীতিতেও প্রমাণিত হচ্ছে। গরীব মানুষের কাছ থেকে সুদ আদায় করার যে নির্মমতা, সেই একই নির্মমতা এখন পুরো দেশের মানুষের ওপর চালানো হচ্ছে। দেশের মানুষকে তিনি দেখতে পারেন না কেন? কী এমন বিদ্বেষ তার মনে? কেন একটা দেশকে এভাবে নরকে পরিণত করা হচ্ছে? মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেছেন, পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে কিন্তু সরকারের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। সাইদুর রহমান বলেছেন, মানবাধিকার নিয়ে মানসিকতা, আচরণ আর চর্চায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। এরা যারা বছরের পর বছর মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেছেন, তারাই হতাশ। তাহলে সাধারণ মানুষের
অবস্থা কী হবে? সত্যি কথা হলো, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যে সরকার বসেছে, তাদের কাছ থেকে আর কিছু আশা করাটাই বোকামি। জুলাই দাঙ্গায় যে রক্ত ঝরেছিলো, সেই রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। আর নতুন রক্ত যোগ হচ্ছে প্রতিদিন। কারাগারে, রাস্তায়, নদীতে। এই যে মানুষ মরছে, এদের প্রত্যেকটা মৃত্যু জমা হচ্ছে ইউনুস সরকারের খাতায়। কিন্তু তাতে কার কী যায় আসে? দেশটা এখন যেদিকে যাচ্ছে, সেটা আর কোনো গণতান্ত্রিক দেশের পথ নয়। এটা একটা পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা, যেখানে আইনের শাসন নেই, নিরাপত্তা নেই, মানবাধিকার নেই। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এই অবস্থা তৈরি করেছে যারা, তারা ক্ষমতায় বসে আছে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর মুখোশ পরে। কিন্তু মুখোশের আড়ালে যে মুখটা, সেটা এই দেশের মানুষের জন্য যে মঙ্গলজনক নয় মোটেও, সেটা বলাই বাহুল্য।
বেড়ে গেছে যে মানুষ গুনতে গুনতে ক্লান্ত। শুধু অক্টোবরেই ৬৬টা লাশ পাওয়া গেছে যাদের পরিচয় জানা যায়নি। সেপ্টেম্বরে ছিলো ৫২টা। নদীতে, ডোবায়, রাস্তার পাশে, সেতুর নিচে, পরিত্যক্ত জায়গায় পড়ে থাকা এসব মৃতদেহের কাহিনী কী? কারা এরা? কেন মরলো তারা? এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। খুলনা অঞ্চলের নদী থেকে এক বছরে ৫০টা লাশ তুলেছে নৌ-পুলিশ। ঢাকার বুড়িগঙ্গায় একদিনে চারজনের লাশ ভেসে উঠেছে, যাদের দুজনের হাত বাঁধা ছিলো। এটা কোন সভ্য দেশের চিত্র? কারাগারগুলো এখন কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। দেড় মাসে ১১২ জন মানুষ মারা গেছে হেফাজতে। বগুড়া কারাগারে একসাথে চারজন আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছিলো, কিন্তু তদন্ত হয়েছে কি? জবাবদিহিতা হয়েছে কি? কিছুই
না। পুলিশ হেফাজতেও মরছে মানুষ, কিন্তু কারো কোনো পরোয়া নেই। যেন মানুষের প্রাণের কোনো দাম নেই এই দেশে। মব সন্ত্রাসের কথা তো আলাদা অধ্যায়। দশ মাসে ২৫৬টা ঘটনায় ১৪০ জন মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। মাজার, দরগা, বাউলদের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ঘটনা। কুমিল্লার একটা গ্রামেই চারটা মাজারে হামলা হয়েছে। রাজবাড়ীতে একজন মানুষের মরদেহ কবর থেকে তুলে মহাসড়কে নিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, মানিকগঞ্জের আদালত চত্বরে আইনজীবীরা শ্লোগান দিয়েছেন "একটা একটা বাউল ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর"। এটা কোন যুগে আমরা বাস করছি? কোথায় আইনের শাসন? কোথায় সভ্যতা? রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা গেছে ২৮১ জন। বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার
হয়েছে অন্তত ২৬ জন। পুলিশ আর সেনাবাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে অনেক হত্যাকাণ্ডে। কিন্তু কোনো তদন্ত নেই, কোনো বিচার নেই। উলটো হাজার হাজার মামলা হচ্ছে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে, যাদের সাথে সেসব ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। মামলা নিয়ে ব্যবসা চলছে। মানুষকে খসড়া মামলার কপি পাঠিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের নামে বাড়িঘর আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল হয়ে যাচ্ছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যখন বলেছে যে অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে, তখন সেটা কোনো বাড়াবাড়ি ছিলো না। সংস্থাটা স্পষ্ট করে বলেছে যে রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্বিচারে আটক করা হচ্ছে, কাঠামোগত সংস্কার আনা যায়নি, আর ধর্মীয় কট্টরপন্থীদের হাতে নারী অধিকার কর্মী, সাংবাদিক, এলজিবিটি সম্প্রদায়ের
মানুষজন হয়রানির শিকার হচ্ছে নিয়মিত। প্রশ্ন হলো, কেন এই অবস্থা? একটা দেশের প্রধান উপদেষ্টা হয়ে মুহম্মদ ইউনুস কী করছেন? জানুয়ারিতে তার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছিলো যে মাজারগুলোর নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। উলটো হামলা আরো বেড়েছে। সরকার জানে সব কিছু, দেখছে সব কিছু, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কেন? উত্তরটা হয়তো খুব সোজা। যেভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, সেই বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিয়ে যারা দেশ চালাচ্ছেন, তাদের কাছে সাধারণ মানুষের জীবনের দাম কত? শেখ হাসিনার সরকারকে সরাতে যে দাঙ্গা বাঁধানো হয়েছিলো, সেই একই শক্তিগুলো এখন দেশটাকে নিজেদের মতো করে সাজাতে চাইছে। আর
সেই সাজসজ্জায় সাধারণ মানুষের কোনো জায়গা নেই। ইউনুস সাহেব সুদী মহাজন হিসেবে যে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, সেটা এখন রাজনীতিতেও প্রমাণিত হচ্ছে। গরীব মানুষের কাছ থেকে সুদ আদায় করার যে নির্মমতা, সেই একই নির্মমতা এখন পুরো দেশের মানুষের ওপর চালানো হচ্ছে। দেশের মানুষকে তিনি দেখতে পারেন না কেন? কী এমন বিদ্বেষ তার মনে? কেন একটা দেশকে এভাবে নরকে পরিণত করা হচ্ছে? মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেছেন, পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে কিন্তু সরকারের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। সাইদুর রহমান বলেছেন, মানবাধিকার নিয়ে মানসিকতা, আচরণ আর চর্চায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। এরা যারা বছরের পর বছর মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেছেন, তারাই হতাশ। তাহলে সাধারণ মানুষের
অবস্থা কী হবে? সত্যি কথা হলো, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যে সরকার বসেছে, তাদের কাছ থেকে আর কিছু আশা করাটাই বোকামি। জুলাই দাঙ্গায় যে রক্ত ঝরেছিলো, সেই রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। আর নতুন রক্ত যোগ হচ্ছে প্রতিদিন। কারাগারে, রাস্তায়, নদীতে। এই যে মানুষ মরছে, এদের প্রত্যেকটা মৃত্যু জমা হচ্ছে ইউনুস সরকারের খাতায়। কিন্তু তাতে কার কী যায় আসে? দেশটা এখন যেদিকে যাচ্ছে, সেটা আর কোনো গণতান্ত্রিক দেশের পথ নয়। এটা একটা পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা, যেখানে আইনের শাসন নেই, নিরাপত্তা নেই, মানবাধিকার নেই। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এই অবস্থা তৈরি করেছে যারা, তারা ক্ষমতায় বসে আছে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর মুখোশ পরে। কিন্তু মুখোশের আড়ালে যে মুখটা, সেটা এই দেশের মানুষের জন্য যে মঙ্গলজনক নয় মোটেও, সেটা বলাই বাহুল্য।



