ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা
সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ
উত্তর-পশ্চিমের আট জেলায় শৈত্যপ্রবাহ দুর্ভোগে মানুষ
ইতিহাসের ধ্রুবতারা ও ১০ জানুয়ারির তাৎপর্য: ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এক ফিরে দেখা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস
২০২৫ সাল বাংলাদেশে সাংবাদিকদের জন্য একটি বিপজ্জনক বছর
রক্তের দাগ মুছবে কে?
বাংলাদেশে এখন সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান আর আদিবাসী মানুষদের জীবন কাটছে অসহনীয় আতঙ্কের মধ্যে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও খুন হচ্ছে মানুষ, পুড়ছে ঘরবাড়ি, ভাঙা হচ্ছে উপাসনালয়। ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু দাস, যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগী, নরসিংদীতে শরৎ চক্রবর্তী মণি, চট্টগ্রামের রাউজানে পরিবারসহ আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে সংখ্যালঘু পরিবারকে। এই তালিকা দিনে দিনে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। আর যারা ক্ষমতায় বসে আছেন, তারা হয় নীরব দর্শক, নয়তো এই সহিংসতার পৃষ্ঠপোষক।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে দাঙ্গা বাঁধানো হয়েছিল, সেটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। বিদেশি অর্থায়নে, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় এবং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে সেই সহিংসতা পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছিল। দেশের
নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে একটি অবৈধ কাঠামো, যার নেতৃত্বে আছেন নোবেল বিজয়ী সুদখোর মুহাম্মদ ইউনূস। তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে দেশের সবচেয়ে কলঙ্কিত সংগঠন জামায়াতে ইসলামী, যারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ হত্যা করেছিল, ধর্ষণ করেছিল, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছিল। জামায়াত এখন রাজনৈতিক দলের মুখোশ পরে ঘুরছে, কিন্তু তাদের আসল চেহারা লুকানো নেই। তারা ছিল, আছে এবং থাকবে একটি ইসলামি জঙ্গি সংগঠন, যাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি ধর্মান্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা। ১৯৭১ সালে যারা এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা এখন দেশের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার ব্যবস্থায় তাদের লোক বসিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছে। ফলাফল? সংখ্যালঘুদের
ওপর নির্যাতন চলছে প্রকাশ্যে, আর কোনো বিচার হচ্ছে না। এই যে ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক বিবৃতি দিয়ে বলছেন সরকার বারবার ব্যর্থ হচ্ছে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে, এটা কি সত্যিই ব্যর্থতা? নাকি ইচ্ছাকৃত নিষ্ক্রিয়তা? যখন ক্ষমতায় যারা বসে আছেন তাদের অনেকেই এই সহিংসতার পৃষ্ঠপোষক বা মদদদাতা, তখন তারা নিজেদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কেন? ইউনূস সরকার, যেটা আসলে সরকার নয় বরং একটি অবৈধ দখলদার চক্র, তারা জানে এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করার কোনো ইচ্ছাই তাদের নেই। বরং সংখ্যালঘুদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করাই হয়তো তাদের অঘোষিত লক্ষ্য। জামায়াত এবং তাদের সহযোগী অন্যান্য ইসলামি উগ্রবাদী সংগঠনগুলো এখন মাঠে প্রায় একচেটিয়া কর্তৃত্ব ভোগ করছে। তারা জানে,
যতদিন সেনাবাহিনী এবং বিদেশি প্রভুরা তাদের পিঠ চাপড়ে দেবে, ততদিন তারা যা খুশি করতে পারবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, তাদের সম্পত্তি লুট করা, তাদের মেয়েদের অপহরণ করা, তাদের ছেলেদের খুন করা, এসবের জন্য কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না। কারণ যারা জবাবদিহি করাতে পারতেন, তারা হয় ক্ষমতাচ্যুত, নয়তো জেলে, নয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এই অবৈধ সরকারের আমলে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য এক জীবন্ত নরকে। প্রতিটি হিন্দু পরিবার ঘুমাতে যাওয়ার সময় জানে না তারা সকালে জীবিত উঠতে পারবে কিনা। প্রতিটি মন্দির, প্রতিটি গির্জা, প্রতিটি বৌদ্ধ বিহার এখন সম্ভাব্য আক্রমণের লক্ষ্য। এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, পুলিশ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
হয় নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকে, নয়তো অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি এই সহিংসতায় জড়িত থাকে। যারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষকে হত্যা করেছিল, তারা এখন আবার সেই একই কাজ করছে। শুধু এবার তাদের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং আদিবাসী মানুষজন। জামায়াতের স্বপ্ন একটা বিশুদ্ধ ইসলামি রাষ্ট্র, যেখানে সংখ্যালঘুদের কোনো স্থান নেই। এবং ইউনূস এবং তার সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বিদেশি শক্তিগুলো, বিশেষ করে যারা এই ক্যু সংগঠিত করতে সাহায্য করেছে এবং অর্থায়ন করেছে, তারা এখন চুপ করে বসে আছে। তারা যখন মানবাধিকার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতার কথা বলে, সেসব শুধুমাত্র তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা প্রতিদিন মরছে,
সেটা তাদের কাছে কোনো সমস্যা নয়। কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের একটা পুতুল সরকার বসানো, আর সেটা তারা করতে পেরেছে। সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। তারা যদি সত্যিই দেশের সংবিধান এবং জনগণের প্রতি অনুগত হতো, তাহলে এই অবৈধ ক্ষমতা দখলকে সমর্থন করত না। তারা জানে কী হচ্ছে, তারা দেখছে কী হচ্ছে, কিন্তু তারা নীরব। কারণ তারাও এই ব্যবস্থার অংশ, এই ক্ষমতা দখলের অংশীদার। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা এখন একেবারে অসহায়। তাদের কোনো আশ্রয় নেই, কোনো নিরাপত্তা নেই। যে দেশে তাদের পূর্বপুরুষেরা শত শত বছর ধরে বাস করছেন, যে মাটিতে তাদের জন্ম, সেই দেশেই তারা এখন পরবাসী। তাদের
অপরাধ শুধু এটাই যে তারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। এবং এই তথাকথিত সরকার এবং তাদের মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো চায় তারা হয় ধর্ম পরিবর্তন করুক, নয়তো দেশ ছেড়ে চলে যাক, নয়তো মরে যাক।
নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে একটি অবৈধ কাঠামো, যার নেতৃত্বে আছেন নোবেল বিজয়ী সুদখোর মুহাম্মদ ইউনূস। তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে দেশের সবচেয়ে কলঙ্কিত সংগঠন জামায়াতে ইসলামী, যারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ হত্যা করেছিল, ধর্ষণ করেছিল, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছিল। জামায়াত এখন রাজনৈতিক দলের মুখোশ পরে ঘুরছে, কিন্তু তাদের আসল চেহারা লুকানো নেই। তারা ছিল, আছে এবং থাকবে একটি ইসলামি জঙ্গি সংগঠন, যাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি ধর্মান্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা। ১৯৭১ সালে যারা এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা এখন দেশের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার ব্যবস্থায় তাদের লোক বসিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছে। ফলাফল? সংখ্যালঘুদের
ওপর নির্যাতন চলছে প্রকাশ্যে, আর কোনো বিচার হচ্ছে না। এই যে ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক বিবৃতি দিয়ে বলছেন সরকার বারবার ব্যর্থ হচ্ছে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে, এটা কি সত্যিই ব্যর্থতা? নাকি ইচ্ছাকৃত নিষ্ক্রিয়তা? যখন ক্ষমতায় যারা বসে আছেন তাদের অনেকেই এই সহিংসতার পৃষ্ঠপোষক বা মদদদাতা, তখন তারা নিজেদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কেন? ইউনূস সরকার, যেটা আসলে সরকার নয় বরং একটি অবৈধ দখলদার চক্র, তারা জানে এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করার কোনো ইচ্ছাই তাদের নেই। বরং সংখ্যালঘুদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করাই হয়তো তাদের অঘোষিত লক্ষ্য। জামায়াত এবং তাদের সহযোগী অন্যান্য ইসলামি উগ্রবাদী সংগঠনগুলো এখন মাঠে প্রায় একচেটিয়া কর্তৃত্ব ভোগ করছে। তারা জানে,
যতদিন সেনাবাহিনী এবং বিদেশি প্রভুরা তাদের পিঠ চাপড়ে দেবে, ততদিন তারা যা খুশি করতে পারবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, তাদের সম্পত্তি লুট করা, তাদের মেয়েদের অপহরণ করা, তাদের ছেলেদের খুন করা, এসবের জন্য কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না। কারণ যারা জবাবদিহি করাতে পারতেন, তারা হয় ক্ষমতাচ্যুত, নয়তো জেলে, নয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এই অবৈধ সরকারের আমলে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য এক জীবন্ত নরকে। প্রতিটি হিন্দু পরিবার ঘুমাতে যাওয়ার সময় জানে না তারা সকালে জীবিত উঠতে পারবে কিনা। প্রতিটি মন্দির, প্রতিটি গির্জা, প্রতিটি বৌদ্ধ বিহার এখন সম্ভাব্য আক্রমণের লক্ষ্য। এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, পুলিশ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
হয় নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকে, নয়তো অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি এই সহিংসতায় জড়িত থাকে। যারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষকে হত্যা করেছিল, তারা এখন আবার সেই একই কাজ করছে। শুধু এবার তাদের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং আদিবাসী মানুষজন। জামায়াতের স্বপ্ন একটা বিশুদ্ধ ইসলামি রাষ্ট্র, যেখানে সংখ্যালঘুদের কোনো স্থান নেই। এবং ইউনূস এবং তার সরকার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বিদেশি শক্তিগুলো, বিশেষ করে যারা এই ক্যু সংগঠিত করতে সাহায্য করেছে এবং অর্থায়ন করেছে, তারা এখন চুপ করে বসে আছে। তারা যখন মানবাধিকার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতার কথা বলে, সেসব শুধুমাত্র তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা প্রতিদিন মরছে,
সেটা তাদের কাছে কোনো সমস্যা নয়। কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের একটা পুতুল সরকার বসানো, আর সেটা তারা করতে পেরেছে। সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। তারা যদি সত্যিই দেশের সংবিধান এবং জনগণের প্রতি অনুগত হতো, তাহলে এই অবৈধ ক্ষমতা দখলকে সমর্থন করত না। তারা জানে কী হচ্ছে, তারা দেখছে কী হচ্ছে, কিন্তু তারা নীরব। কারণ তারাও এই ব্যবস্থার অংশ, এই ক্ষমতা দখলের অংশীদার। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা এখন একেবারে অসহায়। তাদের কোনো আশ্রয় নেই, কোনো নিরাপত্তা নেই। যে দেশে তাদের পূর্বপুরুষেরা শত শত বছর ধরে বাস করছেন, যে মাটিতে তাদের জন্ম, সেই দেশেই তারা এখন পরবাসী। তাদের
অপরাধ শুধু এটাই যে তারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। এবং এই তথাকথিত সরকার এবং তাদের মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো চায় তারা হয় ধর্ম পরিবর্তন করুক, নয়তো দেশ ছেড়ে চলে যাক, নয়তো মরে যাক।



