ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানকে খুশি করতেই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতির উপর আঘাত?
জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি স্থগিত, বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন,জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে বিতর্ক চলছে
কয়লা শেষ, গ্যাস নেই, এবার বিদ্যুৎও যাবে
গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ শেষ ২০২৬-এ: নবায়ন নিয়ে বিরোধিতার মধ্যেই ফারাক্কায় তথ্যানুসন্ধানে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল
মিয়ানমারের ড্রোন হামলার অভিযোগ: সীমান্তে যুদ্ধের শঙ্কা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় ‘লাল সংকেত’
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
‘রং হার মানাবে গিরগিটিকেও’: ইসরাত আমিনের রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো ও সুবিধাবাদের চাঞ্চল্যকর নজির
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। তবে গণমাধ্যমের পরিচিত মুখ, চ্যানেল ২৪-এর সংবাদ পাঠিকা ইসরাত আমিনের সাম্প্রতিক ভোল পাল্টানোর দৃশ্য দেখে হতবাক মিডিয়া পাড়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি এবং তার অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ করলে বেরিয়ে আসে এক চরম সুবিধাবাদী চরিত্রের চিত্র।
ছবি কথা বলে: ১৫ আগস্টের শোক বনাম ধানের শীষের মঞ্চ
প্রাপ্ত ছবিগুলো বিশ্লেষণ করলে ইসরাত আমিনের রাজনৈতিক অবস্থানের ১৮০ ডিগ্রি পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ মেলে।
১. অতীতের চিত্র (আওয়ামী লীগ প্রীতি):
একটি স্ক্রিনশটে দেখা যায় ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট ইসরাত আমিন তার ভেরিফাইড বা ব্যক্তিগত
প্রোফাইল থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি শোক প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের দলীয় আবহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এছাড়া সংবাদ পাঠিকা হিসেবে অন এয়ারে থাকার সময়ও তার পেছনে বঙ্গবন্ধুর বিশাল প্রতিকৃতি (ছবি-৩) দেখা গেছে, যা সেই সময়ের শাসকগোষ্ঠীর প্রতি তার আনুগত্য বা নমনীয়তার ইঙ্গিত দেয়। ২. বর্তমান চিত্র (বিএনপি প্রীতি): অথচ রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইসরাত আমিন বিএনপির দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এবং স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ খচিত ডায়াসে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপির নির্বাচনী সেলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। সচিবালয়ের ‘লবিস্ট’ থেকে
বিএনপির নেত্রী অনুসন্ধানে জানা যায়, ইসরাত আমিন কেবল সংবাদ পাঠিকা হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিজেকে বিভিন্ন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ‘ঘনিষ্ঠজন’ বা ‘বান্ধবী’ পরিচয় দিয়ে সচিবালয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। সচিবালয়ের একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ইসরাত আমিন তার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ কাজে লাগিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির তদবির বাণিজ্যের (Transfer Business) সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন ছিল, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে তিনি নৈতিকতার তোয়াক্কা করতেন না। তখন যারা তাকে আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক হিসেবে জানতেন, তারাই এখন তাকে বিএনপির মঞ্চে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন। জনমনে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাত
আমিনের এই দ্বিচারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ ও নেটিজেনরা মন্তব্য করছেন, "যিনি একসময় ১৫ আগস্টের শোক পালন করতেন, তিনি রাতারাতি কীভাবে বিএনপির নির্বাচনী সেলের নেত্রী হন?" বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাত আমিনের মতো মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা কোনো নির্দিষ্ট আদর্শ ধারণ করেন না। তাদের একমাত্র আদর্শ হলো ‘ক্ষমতা’। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে বা আসার সম্ভাবনা থাকে, তারা সেই দলের নৌকায় বা ধানের শীষে চড়ে বসেন। এদের কাছে নীতি বা দায়বদ্ধতার চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলই মুখ্য। ইসরাত আমিনের এই রাজনৈতিক ডিগবাজি সাংবাদিকতা পেশার ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি কি শুধুই একজন সংবাদকর্মী, নাকি সময়ের প্রয়োজনে রং বদলানো সুবিধাবাদী? ছবি এবং সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড অন্তত দ্বিতীয়টির পক্ষেই
রায় দিচ্ছে। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোগ করতে চাওয়া এই মানুষগুলোর আসল চেহারা উন্মোচিত হওয়া এখন সময়ের দাবি।
প্রোফাইল থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি শোক প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের দলীয় আবহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এছাড়া সংবাদ পাঠিকা হিসেবে অন এয়ারে থাকার সময়ও তার পেছনে বঙ্গবন্ধুর বিশাল প্রতিকৃতি (ছবি-৩) দেখা গেছে, যা সেই সময়ের শাসকগোষ্ঠীর প্রতি তার আনুগত্য বা নমনীয়তার ইঙ্গিত দেয়। ২. বর্তমান চিত্র (বিএনপি প্রীতি): অথচ রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইসরাত আমিন বিএনপির দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এবং স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ খচিত ডায়াসে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপির নির্বাচনী সেলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। সচিবালয়ের ‘লবিস্ট’ থেকে
বিএনপির নেত্রী অনুসন্ধানে জানা যায়, ইসরাত আমিন কেবল সংবাদ পাঠিকা হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি নিজেকে বিভিন্ন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ‘ঘনিষ্ঠজন’ বা ‘বান্ধবী’ পরিচয় দিয়ে সচিবালয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। সচিবালয়ের একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ইসরাত আমিন তার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ কাজে লাগিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির তদবির বাণিজ্যের (Transfer Business) সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন ছিল, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে তিনি নৈতিকতার তোয়াক্কা করতেন না। তখন যারা তাকে আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক হিসেবে জানতেন, তারাই এখন তাকে বিএনপির মঞ্চে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন। জনমনে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাত
আমিনের এই দ্বিচারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ ও নেটিজেনরা মন্তব্য করছেন, "যিনি একসময় ১৫ আগস্টের শোক পালন করতেন, তিনি রাতারাতি কীভাবে বিএনপির নির্বাচনী সেলের নেত্রী হন?" বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাত আমিনের মতো মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা কোনো নির্দিষ্ট আদর্শ ধারণ করেন না। তাদের একমাত্র আদর্শ হলো ‘ক্ষমতা’। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে বা আসার সম্ভাবনা থাকে, তারা সেই দলের নৌকায় বা ধানের শীষে চড়ে বসেন। এদের কাছে নীতি বা দায়বদ্ধতার চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলই মুখ্য। ইসরাত আমিনের এই রাজনৈতিক ডিগবাজি সাংবাদিকতা পেশার ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি কি শুধুই একজন সংবাদকর্মী, নাকি সময়ের প্রয়োজনে রং বদলানো সুবিধাবাদী? ছবি এবং সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড অন্তত দ্বিতীয়টির পক্ষেই
রায় দিচ্ছে। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোগ করতে চাওয়া এই মানুষগুলোর আসল চেহারা উন্মোচিত হওয়া এখন সময়ের দাবি।



