ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
‘যেই ব্যালটে নৌকা নেই, সেই ব্যালটে কিসের ভোট’
ভিডিওতে নারীর সোজাসাপ্টা উত্তর, দলের প্রতি ভালোবাসার অনন্য নজির
নির্বাচনের মাঠে নানা সমীকরণ থাকে। কিন্তু কিছু কিছু মুহূর্ত সেই সমীকরণ ছাপিয়ে সামনে আনে দলের প্রতি তৃণমূলের অকৃত্রিম ভালোবাসার চিত্র। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে এমনই এক দৃশ্য। সেখানে একজন নারী ভোটার গর্বের সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তো দিয়েছেনই, সেই সঙ্গে ব্যালটে দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ না থাকায় ভোট না দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন অকপটে।
ওই নারীর এমন দৃঢ় অবস্থান ও সোজাসাপ্টা উত্তর নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। ভিডিওটিতে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওই নারী কোনো রাখঢাক না রেখেই নিজের আদর্শিক অবস্থানের কথা জানান।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রিপোর্টারের প্রশ্নের জবাবে ওই নারী বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছেন, ‘হ্যাঁ, আমি প্রাউডলি (গর্বের সঙ্গে)
বলতে পারি আমি আওয়ামী লীগ সাপোর্টার।’ সাংবাদিক তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এই কারণে কি ভোট দেন নাই?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘হ্যাঁ, এই জন্যই ভোট দেই নাই। যেই ব্যালটে নৌকা নাই সেই ব্যালটে কিসের ভোট? জয় বাংলা!’ সাধারণত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক চাপে অনেকে নিজের দলীয় পরিচয় প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু ওই নারী যেভাবে জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, তা দলের প্রতি তাঁর গভীর আবেগেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূলের কর্মীরাই যেকোনো দলের প্রাণশক্তি। ভোটের মাঠে দলীয় প্রতীক না থাকলে একজন সমর্থকের মনে যে আক্ষেপ তৈরি হয়, ওই নারীর বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। তাঁর এই ‘ভোট না দেওয়া’
মূলত দলের প্রতীকের প্রতি তাঁর শর্তহীন আনুগত্য ও ভালোবাসারই প্রতিবাদী রূপ। আদর্শের প্রশ্নে তিনি যে আপসহীন, তাঁর প্রতিটি বাক্যে তা স্পষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ওই নারীর রাজনৈতিক সচেতনতা ও দলের প্রতি অবিচল আস্থার প্রশংসা করছেন।
বলতে পারি আমি আওয়ামী লীগ সাপোর্টার।’ সাংবাদিক তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এই কারণে কি ভোট দেন নাই?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘হ্যাঁ, এই জন্যই ভোট দেই নাই। যেই ব্যালটে নৌকা নাই সেই ব্যালটে কিসের ভোট? জয় বাংলা!’ সাধারণত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক চাপে অনেকে নিজের দলীয় পরিচয় প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু ওই নারী যেভাবে জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, তা দলের প্রতি তাঁর গভীর আবেগেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূলের কর্মীরাই যেকোনো দলের প্রাণশক্তি। ভোটের মাঠে দলীয় প্রতীক না থাকলে একজন সমর্থকের মনে যে আক্ষেপ তৈরি হয়, ওই নারীর বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। তাঁর এই ‘ভোট না দেওয়া’
মূলত দলের প্রতীকের প্রতি তাঁর শর্তহীন আনুগত্য ও ভালোবাসারই প্রতিবাদী রূপ। আদর্শের প্রশ্নে তিনি যে আপসহীন, তাঁর প্রতিটি বাক্যে তা স্পষ্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ওই নারীর রাজনৈতিক সচেতনতা ও দলের প্রতি অবিচল আস্থার প্রশংসা করছেন।



