ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ
সমঝোতা না হলে ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা ইসরাইলের, নিহত ২৪৫
লেবাননে গত বছর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় ২৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫১৬ জন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্ততায় ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায়।
লেবাননের সংবাদপত্র আন-নাহার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরাইল বারবার লঙ্ঘন করেছে। এ সময়কালে বৈরুতের উপশহরসহ লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরাইলি বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে — যার লক্ষ্য ছিল যানবাহন, সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক অবকাঠামো।
সবশেষ হামলাটি হয়েছে গত শুক্রবার (৮ আগস্ট)। এদিন সকালবেলা ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননের একটি মহাসড়কে একটি মোটরযানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা করে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের
৮ অক্টোবর থেকে ইসরাইল লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়। হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যকার এই যুদ্ধে ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১৭ হাজার আহত হন। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় ওই বছরেরই ২৭ নভেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই আক্রমণ চালিয়েছে। তাদের দাবি, তারা হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কার্যকলাপকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতির অধীনে, ইসরাইলের ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে সম্পূর্ণরূপে সেনা প্রত্যাহার করার কথা ছিল, কিন্তু তেলআবিব তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর সময়সীমা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। যদিও ইসরাইল এখনও পাঁচটি সীমান্ত
চৌকিতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। তথ্যসূত্র: মেহের নিউজ।
৮ অক্টোবর থেকে ইসরাইল লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়। হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যকার এই যুদ্ধে ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১৭ হাজার আহত হন। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় ওই বছরেরই ২৭ নভেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই আক্রমণ চালিয়েছে। তাদের দাবি, তারা হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কার্যকলাপকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতির অধীনে, ইসরাইলের ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে সম্পূর্ণরূপে সেনা প্রত্যাহার করার কথা ছিল, কিন্তু তেলআবিব তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর সময়সীমা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। যদিও ইসরাইল এখনও পাঁচটি সীমান্ত
চৌকিতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। তথ্যসূত্র: মেহের নিউজ।



