ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা
আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি
রুমিন ফারহানা: আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
যশোরে পৈশাচিকতা: ছাত্রলীগ নেতা জাহিদের ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মায়ের পায়ের রগ কাটল দুর্বৃত্তরা
রাজনীতি যখন পৈশাচিকতায় রূপ নেয়, তখন সমাজ তার ভারসাম্য হারায়। ঠিক এমনই এক চরম অমানবিক ও কাপুরুষোচিত ঘটনার সাক্ষী হলো যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ন। ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের জেরে দেয়াড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা জাহিদের ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মায়ের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এই বর্বরোচিত হামলায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অতর্কিতভাবে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা বয়সের ভারে ন্যুব্জ ওই বৃদ্ধার ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কেটে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ছেলের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার আক্রোশ থেকে একজন অসহায় মায়ের ওপর এহেন
হামলাকে চরম কাপুরুষতা বলে আখ্যা দিয়েছেন এলাকাবাসী। ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে মায়ের ওপর এমন নির্মম হামলা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না স্থানীয় সচেতন মহল। তারা এই ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং রাজনীতির নামে জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করছেন। এ ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরগুলো থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, “যারা এই বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আমাদের স্পষ্ট দাবি—কোনো টালবাহানা নয়, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি স্থানীয়দের আহ্বান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের যেন দ্রুত কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে পরিবারের নিরীহ সদস্যদের, বিশেষ করে নারীদের ওপর এমন হামলা সুস্থ সমাজের পরিপন্থী। এদিকে, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করে বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজই প্রতিবাদে গর্জে উঠুন সবাই। আজ জাহিদের মা আক্রান্ত, সমাজ এভাবে নিশ্চুপ থাকলে কাল হয়তো আপনার মা-ও নিরাপদ থাকবেন না।”
হামলাকে চরম কাপুরুষতা বলে আখ্যা দিয়েছেন এলাকাবাসী। ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে মায়ের ওপর এমন নির্মম হামলা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না স্থানীয় সচেতন মহল। তারা এই ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং রাজনীতির নামে জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করছেন। এ ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরগুলো থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, “যারা এই বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আমাদের স্পষ্ট দাবি—কোনো টালবাহানা নয়, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি স্থানীয়দের আহ্বান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের যেন দ্রুত কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে পরিবারের নিরীহ সদস্যদের, বিশেষ করে নারীদের ওপর এমন হামলা সুস্থ সমাজের পরিপন্থী। এদিকে, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করে বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজই প্রতিবাদে গর্জে উঠুন সবাই। আজ জাহিদের মা আক্রান্ত, সমাজ এভাবে নিশ্চুপ থাকলে কাল হয়তো আপনার মা-ও নিরাপদ থাকবেন না।”



