ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন!
পাকিস্তান থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’র (LeT) সদস্যদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ খোকন নামের এক অ্যাক্টিভিস্টের করা এই দাবিকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩০ জানুয়ারি করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বিজি-৩৪২’ (BG-342) ফ্লাইটটি ১১৩ জন যাত্রী নিয়ে ভোর ৪:২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই ফ্লাইটে সাধারণ যাত্রীদের আড়ালে লস্কর-ই-তৈয়বার চিহ্নিত জঙ্গিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রমাণের সপক্ষে তিনি বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি পাসপোর্টের ছবি প্রকাশ করেছেন, যেখানে ইব্রাহিম, মাঈজ উল্লাহ, মুকামিল এবং মোহাম্মদ রাসুল
নামের ব্যক্তিদের তথ্য দেখা যায়। উক্ত পোস্টে বর্তমান ইউনুস প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তোষণনীতির কারণেই এমন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর পর সম্প্রতি ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা, পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া শিথিল করা এবং বন্দরগুলোতে পাকিস্তানি জাহাজের তল্লাশি বা ইনস্পেকশন শিথিল করার মতো সিদ্ধান্তগুলোকে এই অনুপ্রবেশের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারের শিথিল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে আইএসআই (ISI) এবং লস্কর-ই-তৈয়বার মতো সংগঠনগুলো বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানেও এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যদের অংশগ্রহণের অভিযোগ ছিল। এছাড়া, গত অক্টোবর মাসে
পাকিস্তানের মারকাযি জমিয়ত আহলে হাদিসের নেতা এবং হাফিজ সাঈদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইবতিসাম এলাহি জহিরের বাংলাদেশ সফর এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে তার বিচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হতে পারে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে জঙ্গি অনুপ্রবেশের এমন সংবাদে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, সংস্কারের নামে বর্তমান প্রশাসন দেশের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সীমান্তে কঠোর নজরদারি এবং বিতর্কিত পাকিস্তান-ঘনিষ্ঠ নীতি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য
পাওয়া যায়নি।
নামের ব্যক্তিদের তথ্য দেখা যায়। উক্ত পোস্টে বর্তমান ইউনুস প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তোষণনীতির কারণেই এমন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর পর সম্প্রতি ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা, পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া শিথিল করা এবং বন্দরগুলোতে পাকিস্তানি জাহাজের তল্লাশি বা ইনস্পেকশন শিথিল করার মতো সিদ্ধান্তগুলোকে এই অনুপ্রবেশের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারের শিথিল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে আইএসআই (ISI) এবং লস্কর-ই-তৈয়বার মতো সংগঠনগুলো বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানেও এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যদের অংশগ্রহণের অভিযোগ ছিল। এছাড়া, গত অক্টোবর মাসে
পাকিস্তানের মারকাযি জমিয়ত আহলে হাদিসের নেতা এবং হাফিজ সাঈদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইবতিসাম এলাহি জহিরের বাংলাদেশ সফর এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে তার বিচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হতে পারে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে জঙ্গি অনুপ্রবেশের এমন সংবাদে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, সংস্কারের নামে বর্তমান প্রশাসন দেশের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সীমান্তে কঠোর নজরদারি এবং বিতর্কিত পাকিস্তান-ঘনিষ্ঠ নীতি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য
পাওয়া যায়নি।



