ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ
যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম
প্রক্সি যুদ্ধ: বিএনপি–জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত
অহিংস রাজনীতির প্রতীক মানবিক রাজনীতির ধ্রুবতারা সজীব ওয়াজেদ জয়
অপ্রতিরোধ্য এক দেয়ালের অবসান ঘটল
মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন, ফিরবেন দেশরত্নও
১০ই জানুয়ারি তাই শুধু স্মরণীয় দিন নয়—এটি প্রতিজ্ঞার দিন। ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সত্যকে সমুন্নত রাখা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ—শোষণমুক্ত, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ—গড়ে তোলার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু দিন আছে, যা কেবল একটি তারিখ নয়—সেই দিনটি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। ১০ জানুয়ারি তেমনই এক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (Sheikh Mujibur Rahman) পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন, দিল্লি ও কলকাতা হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। এটি ছিল শুধুমাত্র একজন নেতার দেশে ফেরা নয়; এটি ছিল একটি বিধ্বস্ত জাতির প্রাণের স্পন্দন ফিরে পাওয়ার মুহূর্ত, একটি সদ্য জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রের আত্মার সঙ্গে পুনর্মিলন।
২৫ মার্চের কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নেওয়া হয়েছিল জীবনের অনিশ্চয়তার মধ্যে। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাঙালি জাতি যুদ্ধ করেছে তাঁর নামকে হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁর
আদর্শকে শক্তি বানিয়ে। বিজয় অর্জিত হলেও বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনুপস্থিত—আর সেই শূন্যতা ছিল গভীর ও বেদনাবিধুর। ১০ জানুয়ারি সেই শূন্যতা পূরণ করে ইতিহাসের গতিপথকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করেছিল। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। রেসকোর্স ময়দানে তাঁর বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত ভাষণ কেবল আবেগঘন ছিল না; ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, ধ্বংসস্তূপ ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্যেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন একটি মানবিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন। আজকের বাংলাদেশে কিছু গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করতে এবং ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। বাঙালি পরিচয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করাই তাদের রাজনীতি। তারা বঙ্গবন্ধুকে অবজ্ঞা করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস
সাক্ষ্য দেয়, বঙ্গবন্ধুকে যত অবজ্ঞা করা হয়েছে, তিনি ততই শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছেন মানুষের চেতনায়। কারণ বঙ্গবন্ধু কোনও একক ব্যক্তি নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি সংগ্রামের নাম, একটি জাতির আত্মপরিচয়। তাঁকে মুছে ফেলা মানে বাংলাদেশের জন্মকথা অস্বীকার করা। ইতিহাসকে অস্বীকার করে কোনও জাতি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। অগণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির যত গভীর ষড়যন্ত্রই থাকুক না কেন, গণমানুষের রক্তে, মাটিতে ও চেতনায় প্রোথিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিচ্ছিন্ন করা অসম্ভব। এটি কোনও আরোপিত মতবাদ নয়; এটি জন্ম নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে, লালিত হয়েছে তিতাস–পদ্মা–মেঘনা–যমুনার স্রোতে এবং বেঁচে আছে মানুষের অধিকার ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষায়। আওয়ামী লিগ কোনও কাগুজে কাঠামো নয়। এটি স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী শক্তি, স্বৈরাচারবিরোধী
সংগ্রামের অগ্রভাগ এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক প্রতীক। একে নিষিদ্ধ করার দুঃসাহস মানে জনগণের ইতিহাস, রক্তের অর্জন ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে অস্বীকার করার ঔদ্ধত্য। এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অটল বাতিঘর হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনিবার্য ও অনন্য। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বারবার প্রমাণ করেছে—শান্তি, মানবতা, সাম্য ও সম্প্রীতিই টেকসই উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় অগ্রগতির একমাত্র পথ। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান কোনো সাময়িক রাজনৈতিক কৌশল নয়; এটি বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জনগণের ভালোবাসার ঠিকানা আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনো সুযোগ নেই। সময় এসেছে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার—গণতন্ত্রের সুরক্ষা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ এবং সংবিধান রক্ষার
দৃঢ় সংগ্রাম গড়ে তোলার। কারণ বঙ্গবন্ধু কোনও একক ব্যক্তি নন—তিনি একটি চেতনা, একটি ইতিহাস, একটি চলমান ভবিষ্যৎ। তাঁকে অস্বীকার করার অর্থ কেবল ইতিহাস অস্বীকার নয়, বাংলাদেশকেই অস্বীকার করা। জাতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তি, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে। কিন্তু বর্তমান অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে পরিকল্পিতভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের নির্বাচন জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটায় না; বরং ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার ষড়যন্ত্রকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যম হয়ে ওঠে। তাই দেশপ্রেমিক ও সচেতন জনগণ অতীতের মতো এবারও এই প্রহসনমূলক নির্বাচন বর্জনের মাধ্যমে
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থান ঘোষণা করবে। ১০ই জানুয়ারি তাই শুধু স্মরণীয় দিন নয়—এটি প্রতিজ্ঞার দিন। ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সত্যকে সমুন্নত রাখা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ—শোষণমুক্ত, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ—গড়ে তোলার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। কালজয়ী মহাকাব্যের নায়কেরা কখনো হারিয়ে যান না। সময় যতই বদলাক, ষড়যন্ত্র যতই আসুক—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ততই অমর হয়ে থাকবেন বাঙালির ইতিহাসে, চেতনায় এবং ভবিষ্যৎ অভিযাত্রায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবেই—এটাই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের অঙ্গীকার। সুজিত রায় নন্দী লেখক: সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লিগ
আদর্শকে শক্তি বানিয়ে। বিজয় অর্জিত হলেও বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনুপস্থিত—আর সেই শূন্যতা ছিল গভীর ও বেদনাবিধুর। ১০ জানুয়ারি সেই শূন্যতা পূরণ করে ইতিহাসের গতিপথকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করেছিল। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। রেসকোর্স ময়দানে তাঁর বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত ভাষণ কেবল আবেগঘন ছিল না; ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, ধ্বংসস্তূপ ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্যেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন একটি মানবিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন। আজকের বাংলাদেশে কিছু গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করতে এবং ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। বাঙালি পরিচয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করাই তাদের রাজনীতি। তারা বঙ্গবন্ধুকে অবজ্ঞা করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস
সাক্ষ্য দেয়, বঙ্গবন্ধুকে যত অবজ্ঞা করা হয়েছে, তিনি ততই শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছেন মানুষের চেতনায়। কারণ বঙ্গবন্ধু কোনও একক ব্যক্তি নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি সংগ্রামের নাম, একটি জাতির আত্মপরিচয়। তাঁকে মুছে ফেলা মানে বাংলাদেশের জন্মকথা অস্বীকার করা। ইতিহাসকে অস্বীকার করে কোনও জাতি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। অগণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির যত গভীর ষড়যন্ত্রই থাকুক না কেন, গণমানুষের রক্তে, মাটিতে ও চেতনায় প্রোথিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিচ্ছিন্ন করা অসম্ভব। এটি কোনও আরোপিত মতবাদ নয়; এটি জন্ম নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে, লালিত হয়েছে তিতাস–পদ্মা–মেঘনা–যমুনার স্রোতে এবং বেঁচে আছে মানুষের অধিকার ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষায়। আওয়ামী লিগ কোনও কাগুজে কাঠামো নয়। এটি স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী শক্তি, স্বৈরাচারবিরোধী
সংগ্রামের অগ্রভাগ এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক প্রতীক। একে নিষিদ্ধ করার দুঃসাহস মানে জনগণের ইতিহাস, রক্তের অর্জন ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে অস্বীকার করার ঔদ্ধত্য। এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অটল বাতিঘর হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনিবার্য ও অনন্য। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বারবার প্রমাণ করেছে—শান্তি, মানবতা, সাম্য ও সম্প্রীতিই টেকসই উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় অগ্রগতির একমাত্র পথ। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান কোনো সাময়িক রাজনৈতিক কৌশল নয়; এটি বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জনগণের ভালোবাসার ঠিকানা আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনো সুযোগ নেই। সময় এসেছে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার—গণতন্ত্রের সুরক্ষা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ এবং সংবিধান রক্ষার
দৃঢ় সংগ্রাম গড়ে তোলার। কারণ বঙ্গবন্ধু কোনও একক ব্যক্তি নন—তিনি একটি চেতনা, একটি ইতিহাস, একটি চলমান ভবিষ্যৎ। তাঁকে অস্বীকার করার অর্থ কেবল ইতিহাস অস্বীকার নয়, বাংলাদেশকেই অস্বীকার করা। জাতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তি, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে। কিন্তু বর্তমান অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে পরিকল্পিতভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন আয়োজনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের নির্বাচন জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটায় না; বরং ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার ষড়যন্ত্রকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যম হয়ে ওঠে। তাই দেশপ্রেমিক ও সচেতন জনগণ অতীতের মতো এবারও এই প্রহসনমূলক নির্বাচন বর্জনের মাধ্যমে
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থান ঘোষণা করবে। ১০ই জানুয়ারি তাই শুধু স্মরণীয় দিন নয়—এটি প্রতিজ্ঞার দিন। ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সত্যকে সমুন্নত রাখা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ—শোষণমুক্ত, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ—গড়ে তোলার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। কালজয়ী মহাকাব্যের নায়কেরা কখনো হারিয়ে যান না। সময় যতই বদলাক, ষড়যন্ত্র যতই আসুক—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ততই অমর হয়ে থাকবেন বাঙালির ইতিহাসে, চেতনায় এবং ভবিষ্যৎ অভিযাত্রায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবেই—এটাই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের অঙ্গীকার। সুজিত রায় নন্দী লেখক: সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লিগ



