মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে ভুমিকা রেখেছিল নদী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে ভুমিকা রেখেছিল নদী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৪:৪৭ 101 ভিউ
'নিউইয়র্ক টাইমস'-এর দিল্লি সংবাদদাতা সিডনি শনবার্গ (আগরতলা, ভারত, ১৩ এপ্রিল ১৯৭১) তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, '...বাঙালিরা নির্ভর করছে বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির ওপর, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যা শুরু হবে। পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামাঞ্চলের জটিল পথ-গাঙ্গেয় ব্রহ্মপুত্র জলধারা ও সহস্রোত নদীর আঁকিবুঁকি-পশ্চিম প্রদেশের শুষ্ক ও পার্বত্য অঞ্চল থেকে আগত পাঞ্জাবি ও পাঠানদের কাছে অপরিচিত। বর্ষায় যখন নদী ফুলে-ফেঁপে উঠবে এবং মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বন্যায় পূর্ব পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়বে, তখন এ অপরিচিতি আরও বাড়বে।' বর্ষায় মুক্তিবাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়ে এক বাঙালি কর্মকর্তা তাকে বলেন, 'আমরা এখন বর্ষার অপেক্ষায় রয়েছি...। তারা পানিকে এতো ভয় পায়, আপনি ভাবতেই পারবে না এবং আমরা হচ্ছি জলের

রাজা। তারা তখন ভারী কামান ও ট্যাংক নিয়ে চলতে পারবে না, জঙ্গি বিমান উড়াতে পারবে না। প্রকৃতি হবে আমাদের দ্বিতীয় বাহিনী।' (ডেটলাইন বাংলাদেশ: ১৯৭১, সিডনি শনবার্গ, অনুবাদ: মফিদুল হক) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৩ এপ্রিল ভারতের আগরতলার পত্রিকা 'দৈনিক সংবাদ' তাদের সম্পাদকীয়তে পশ্চিম পাকিস্তানিদের পরাজয়ের সম্ভাব্য কারণ বিশ্লেষণ করে। পরাজয়ের অনেকগুলো কারণের মধ্যে বর্ষায় বৃষ্টির পানি ও নদ-নদী, খাল-বিল যে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে তাও আলোচনায় আসে। পত্রিকাটি লিখেছিল, '...আসন্ন বর্ষায় ওদের অবস্থা হবে আরও শোচনীয়। বাংলাদেশের নদী নালা খালে বিলে এখন পাঞ্জাবী সৈন্যের ডুবে মরা ছাড়া গত্যন্তর থাকবে না। শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে গেলেই তাদের মৃত্যু অনিবার্য।' হয়েছেও তাই। বর্ষায় বৃষ্টির

পানি ও বাংলার নদ-নদী পাকিস্তানিদের পরাজয় মানতে বাধ্য করে। শুধু পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদীর তীরের স্থাপিত নৌ-কমান্ডো ক্যাম্প থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা যোদ্ধারাই নয়, লাখো সাধারণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিবাহিনী তাদের নিজস্ব কৌশল ব্যবহার করে নদীতে সংগঠিত যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। নয় মাসব্যাপী যুদ্ধে বিশেষত বর্ষাকালে নদী ব্যবহারের সুবিধা ভোগ করে মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় নদীগুলোও তাদের সহযোদ্ধা হয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই চলেছে রেকর্ডভাঙা ধস শেয়ারবাজারে: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা, কারসাজি নিয়ে সন্দেহ ৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’ ঢাকায় ভোজ্যতেলের সরবরাহে টান, বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত তেলের দাম ৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সরকারের ইফতারের পর প্রাণবন্ত থাকতে পান করুন তরমুজের শরবত রাত ১২টার পর সেহরি খেলে কি রোজা হবে? ‘নির্ভয়া’ শুধু একটি ঘটনা ছিল না, এমন প্রতিদিনই ঘটছে: রানী মুখার্জি পরাজয়ে শেষ এশিয়ান কাপ মিশন ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির আভাস জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন তেহরানে তেল ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প কুইন্সে সড়কে জলাবদ্ধতা, গাড়ি চলাচলে বাধা