মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশির জেল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
     ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশির জেল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ৮:৫৮ 134 ভিউ
মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশিকে ২৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। দেশটির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইয়ং পেং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই বাংলাদেশির নাম রফিক (২৫)। তিনি দেশটিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। রফিকের গ্রামের বাড়ি সম্পর্কে জানা যায়নি। তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে রফিককে সাজা দেওয়া হয়েছে।আদালতে অভিযোগগুলো স্বীকারও করেছেন তিনি। পাওনা বেতন নিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। এক বিবৃতিতে আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর মধ্যে মূলত বেতন পরিশোধ সংক্রান্ত একটি বিরোধ ছিল। বেতন না পেয়ে সেই বিরোধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। অভিযুক্ত রফিক ভুক্তভোগীকে পেছন থেকে আঘাত করেন। পরে তাকে ভয় দেখিয়ে হুমকি দেন ও ক্ষুব্ধ হয়ে কর্মস্থলের চারা গাছগুলোর ক্ষতি

করেন। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে ইয়ং পেং-লাবিস সড়কে ৩৩ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করেন রফিক। এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় অভিযুক্ত করা হয় তাকে। এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই একই সময়ে তিনি ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে হুমকি দেন, যা ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হয়। তৃতীয় অভিযোগ অনুসারে, ৮ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত তার কর্মস্থলে ২০টি চারা গাছ নষ্ট করেন, যা কোম্পানির মালিকানাধীন ছিল। এতে প্রতিষ্ঠানটির ছয় হাজার রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ার মুদ্রা) ক্ষতি হয়।

এ অপরাধটি ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪২৭ ধারার আওতায় পড়ে, যার শাস্তি এক বছরের কারাদণ্ড। বিচারক অভিযুক্তকে ৪২৭ ধারায় এক বছর, ৩২৩ ধারায় আট মাস এবং ৫০৬ ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। তবে, আদালত নির্দেশ দেন যে সমস্ত সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং ৮ ডিসেম্বর থেকে তার সাজা গণনা শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?