মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ |
“সবাই শুধু মৃত্যুর পর পোস্ট দিয়ে আক্ষেপ করে, কিন্তু বেঁচে থাকার তীব্র আশা নিয়েও আর বেঁচে থাকা যায় না।”— কথাগুলো এক অসহায় নারীর, যিনি গত চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর মুক্তির অপেক্ষায় এবং তীব্র অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। সমাজ, রাজনীতি আর আত্মীয়-স্বজন—সব জায়গা থেকে উপেক্ষিত হয়ে আজ তিনি বাঁচার পথ খুঁজছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বোনের পাঠানো বার্তায় উঠে এসেছে আমাদের সমাজের এক নির্মম চিত্র। চার মাস আগে একটি মিছিল থেকে ‘মব’ (গণপিটুনি) দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছিল তাঁর স্বামীকে। সেই থেকে তিনি কারাগারে। কিন্তু বাইরের পৃথিবীতে তাঁর স্ত্রী যে কতটা অসহায় অবস্থায় আছেন, তার খবর কেউ রাখেনি। ভুক্তভোগী ওই

নারী জানান, গত চার মাস ধরে তিনি একা লড়াই করে যাচ্ছেন। বাসা ভাড়া দেওয়া তো দূরের কথা, দুমুঠো ভাত জোগাড় করাই এখন তাঁর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে কেউ একবারের জন্যও খোঁজ নেয়নি তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন। কারাগারে স্বামীর অবস্থাও ভালো নেই। তিনি জানান, জেলের ভেতর অসুস্থ হয়ে দুই দিন হাসপাতেলে ভর্তি ছিলেন তাঁর স্বামী। গত সপ্তাহে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে অনেকগুলো টেস্ট ও ঔষধ দেওয়া হয়, কিন্তু সেই ঔষধ কেনার বা চিকিৎসার খরচ জোগানোর সামর্থ্য এই মুহূর্তে তাঁর নেই। পরিবারের সমর্থনের জায়গাও শূন্য। তিনি জানান, শ্বশুর-শাশুড়ি বেঁচে নেই। নিজের বাবাও মাত্র ৮-৯ মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে

মারা গেছেন। রক্তের সম্পর্কের বা আপন বলতে পাশে দাঁড়ানোর মতো আর কেউ নেই। একসময় রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “রাজনীতি করে আমি নিজেও অপমান আর বহিষ্কার ছাড়া কিছুই পাইনি।” যে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ দুঃসময়ে সেই দলের কাউকেই পাশে পাচ্ছেন না তিনি। চারপাশের এত মানুষের ভিড়েও আজ তিনি বড় একা। তাঁর এই আর্তনাদ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা ভার্চুয়াল জগতে যতটা সরব, মানবিকতায় ঠিক ততটাই নীরব। এই বোনের পাশে দাঁড়ানো এখন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন, মৃত্যুর পর আফসোস না করে, জীবিত থাকতেই মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাস্তায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা জার্মানিতে ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে চিকিৎসকের যাবজ্জীবন রামমন্দির হলেও তহবিল সংকটে বাবরি মসজিদের বিকল্প প্রকল্প ছোট করার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চার দিনে ৩৮ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৪ সন্ত্রাসী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৭৪৫ সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব রেলস্টেশনে হামলা-লুটের শিকার বাক্‌প্রতিবন্ধী বুবি বেগম আর নেই Y ক্রোমোজোম হ্রাসে পুরুষ জাতি বিলুপ্তির শঙ্কা কতটা যৌক্তিক, বিজ্ঞান কী বলছে ষড়যন্ত্র করে ভোটে হারানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারও জড়িত: জামায়াত আমির লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের এক অনন্য বৈশ্বিক সুযোগ এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’