ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী
ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
প্রথমবার অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একাডেমিক ও হল পর্যায়ে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। শুক্রবার (০৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন।
পরে রাজু ভাস্কর্যের বিক্ষোভ মিছিল করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে শেখ মুজিবুর রহমান হল, মুহসীন হল, বিজয় ৭১ হল, এ এফ রহমান হলসহ বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। রোকেয়া হলের ছাত্রীরা গেটের তালা ভেঙে বাইরে বের হয়ে এসে বিক্ষোভ করেন।
জানা যায়, শুক্রবার সকালে ছাত্রদলের হল কমিটি প্রকাশের পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে গত বছরের ১৭ জুলাই থেকে অফিসিয়ালি ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও ছাত্রদল হলগুলোতে আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ
করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের পাঁচ হলের নারী শিক্ষার্থীরা বিকেল থেকেই হল প্রশাসনকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, যারা ছাত্রদলে পদ পেয়েছেন তাদেরকে হল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। রাত ১২টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও হল প্রশাসন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় রাত ১টার দিকে হল গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন রোকেয়া হলের নারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীম উদ্দিন হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল, বিজয় একাত্তর হল, হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও মাস্টারদা সূর্য সেন হলের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হন। সেখানে দশ মিনিট অবস্থান ও
বিক্ষোভ শেষে মিছিল নিয়ে ১টা ২০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের বাসভবনের সামনে বসে পড়েন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা, ‘এক দুই তিন চার, কমিটি দিছিস হল ছাড়’, ‘একশন টু একশন ডাইকরেক্ট একশন’, ‘হল পলিটিক্সের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন’, ‘জেগেছে রে জেগেছে ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’সহ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের পাঁচ হলের নারী শিক্ষার্থীরা বিকেল থেকেই হল প্রশাসনকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, যারা ছাত্রদলে পদ পেয়েছেন তাদেরকে হল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। রাত ১২টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও হল প্রশাসন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় রাত ১টার দিকে হল গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন রোকেয়া হলের নারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীম উদ্দিন হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল, বিজয় একাত্তর হল, হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও মাস্টারদা সূর্য সেন হলের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হন। সেখানে দশ মিনিট অবস্থান ও
বিক্ষোভ শেষে মিছিল নিয়ে ১টা ২০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের বাসভবনের সামনে বসে পড়েন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা, ‘এক দুই তিন চার, কমিটি দিছিস হল ছাড়’, ‘একশন টু একশন ডাইকরেক্ট একশন’, ‘হল পলিটিক্সের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন’, ‘জেগেছে রে জেগেছে ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’সহ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।



