ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
বিসিবি নির্বাচনে জিতলে যে পরিবর্তন আনতে চান তামিম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে পরিচালক পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন দেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান। তবে এটিই তার শেষ লক্ষ্য নয়। তিনি জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত সমর্থন পেলে বিসিবি সভাপতির পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দেশের ক্রিকেটে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, ‘এখন যা হচ্ছে তা মোটেও ভালো না। সবাই একে অপরকে ছোট করছে, মিথ্যা ছড়াচ্ছে। কিছু সত্যি, কিছু মিথ্যা। এখন আলোচনা হওয়া উচিত – কে নতুন চিন্তা আনতে পারবে, কে এই সময়ে ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। সবাই বলছে বাংলাদেশকে আধুনিক ক্রিকেট খেলতে হবে। কিন্তু শুধু খেলোয়াড়দের নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের মানসিকতাও আধুনিক হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন,
‘পুরনো চিন্তায় চললে সমস্যা হবে। এখন দরকার আধুনিক মানসিকতার কেউ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। যদি নির্বাচিত হই, আমি আগামী প্রজন্মের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। তবে চার বছরের মেয়াদে যদি একসাথে অনেক কিছু করতে যাই, তাহলে কিছুই ঠিকভাবে হবে না।’ বিসিবির নির্বাচনী সংবিধান অনুযায়ী আগামী অক্টোবরের ৭ তারিখের মধ্যে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে ৩০ দিন আগে নির্বাচন কমিশন গঠনসহ প্রক্রিয়া শুরু করবে বোর্ড। ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তামিম মনে করেন, এটাই সময় এমন কাউকে বেছে নেওয়ার, যিনি সত্যিই দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারবেন। তামিম বলেছেন, সভাপতি হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি মূলত কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ
দিতে চান। তার ভাষায়, ‘আমার মূল লক্ষ্য হবে অবকাঠামো উন্নয়ন। খেলোয়াড় আছে, কোচ আছে, কিন্তু তাদের বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। এখনো একই অ্যাকাডেমি মাঠে খেলোয়াড়দের অনুশীলন করতে হয়। বিপিএল বা ডিপিএলের সময় সাতটা দল এক মাঠে প্র্যাকটিস করে। অথচ বিসিবি বিশ্বের ধনী বোর্ডগুলোর একটি, প্রায় ১৩০ কোটি টাকার এফডিআর আছে, কিন্তু কাউন্টি দলের মতো অবকাঠামো নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে কেউ কথা বলে না। যদি সুযোগ পাই, আমি আগামী চার বছরে সেই ভিত্তি গড়ে দিতে চাই, যাতে আগামী ৮-১০ বছরের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যেতে পারে। যেমন ধরুন, আপনি যদি ব্যবসা শুরু করেন আর কারখানা না থাকে, তাহলে
পণ্য তৈরি হবে কোথায়?’
‘পুরনো চিন্তায় চললে সমস্যা হবে। এখন দরকার আধুনিক মানসিকতার কেউ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। যদি নির্বাচিত হই, আমি আগামী প্রজন্মের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। তবে চার বছরের মেয়াদে যদি একসাথে অনেক কিছু করতে যাই, তাহলে কিছুই ঠিকভাবে হবে না।’ বিসিবির নির্বাচনী সংবিধান অনুযায়ী আগামী অক্টোবরের ৭ তারিখের মধ্যে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে ৩০ দিন আগে নির্বাচন কমিশন গঠনসহ প্রক্রিয়া শুরু করবে বোর্ড। ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তামিম মনে করেন, এটাই সময় এমন কাউকে বেছে নেওয়ার, যিনি সত্যিই দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারবেন। তামিম বলেছেন, সভাপতি হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি মূলত কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ
দিতে চান। তার ভাষায়, ‘আমার মূল লক্ষ্য হবে অবকাঠামো উন্নয়ন। খেলোয়াড় আছে, কোচ আছে, কিন্তু তাদের বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। এখনো একই অ্যাকাডেমি মাঠে খেলোয়াড়দের অনুশীলন করতে হয়। বিপিএল বা ডিপিএলের সময় সাতটা দল এক মাঠে প্র্যাকটিস করে। অথচ বিসিবি বিশ্বের ধনী বোর্ডগুলোর একটি, প্রায় ১৩০ কোটি টাকার এফডিআর আছে, কিন্তু কাউন্টি দলের মতো অবকাঠামো নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে কেউ কথা বলে না। যদি সুযোগ পাই, আমি আগামী চার বছরে সেই ভিত্তি গড়ে দিতে চাই, যাতে আগামী ৮-১০ বছরের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যেতে পারে। যেমন ধরুন, আপনি যদি ব্যবসা শুরু করেন আর কারখানা না থাকে, তাহলে
পণ্য তৈরি হবে কোথায়?’



