ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনে কালো টাকার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে মাঠে নামছে দুদক
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা
ভোট দেন না যে গ্রামের নারীরা
অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি
দরপত্র ছাড়াই ৬১০ কোটি টাকার টিকা কেনা : স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিহীনতার নতুন নজির
ছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হারিয়ে যাচ্ছে, ইউনুসের অবৈধ সরকারের কিছু যায় আসে না
রক্তাক্ত বাংলাদেশ : যে সন্ত্রাসীদের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদেরই দমন করবেন কীভাবে?
‘বিদেশি হাতের ছায়ায়’ নির্বাচনের ছক, দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউনূস: সজীব ওয়াজেদ
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে ‘পুরোপুরি কারচুপিপূর্ণ’ ও ‘সাজানো’ বলে অভিহিত করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফ্রান্সে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে সজীব ওয়াজেদের দাবি, এই নির্বাচনে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের শরিক জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রের প্রহসন সৃষ্টি করা হয়েছে।
সজীব ওয়াজেদ দাবি করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে তার ব্যবসা ও সম্পত্তি
বিক্রি করে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, ইউনূস আজারবাইজানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করছেন এবং ফ্রান্সে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে তার নিজস্ব বাড়ি রয়েছে।” এই দাবির স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতির কন্যা ব্যক্তিগত সফরে ঢাকায় এসে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যা তিনি ‘অত্যন্ত গুরুতর’ ও অর্থপাচারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইউনূস রাষ্ট্রপতি হতে চান না, বরং তিনি দেশ ছাড়ার পথ খুঁজছেন। নির্বাচনে বিদেশি শক্তির প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সজীব ওয়াজেদ সরাসরি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান নিশ্চিতভাবেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।” তার মতে, বিদেশি হাতের ছায়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন
বাংলাদেশকে একটি ভয়াবহ ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সজীব ওয়াজেদ সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগবিহীন এই কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রভাববলয়ে চলে যাবে। তিনি বলেন, “এর ফলে বাংলাদেশ একটি ইসলামপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।” বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে পার্থক্য টেনে তিনি বলেন, “বিএনপি আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত্রু নয়। তবে জামায়াত নিঃসন্দেহে শত্রু। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধী এবং দেশটিকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।” নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হলেও আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান সজীব। তিনি বলেন, “আমাদের সমর্থকেরা ইতোমধ্যে ছোট ছোট প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেছে। আমরা আরও বড় কর্মসূচি সংগঠিত করব এবং রাজনৈতিকভাবেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করব।” দেশের
বর্তমান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে রাষ্ট্রপতিকেও শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হবে।
বিক্রি করে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, ইউনূস আজারবাইজানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করছেন এবং ফ্রান্সে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে তার নিজস্ব বাড়ি রয়েছে।” এই দাবির স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতির কন্যা ব্যক্তিগত সফরে ঢাকায় এসে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যা তিনি ‘অত্যন্ত গুরুতর’ ও অর্থপাচারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইউনূস রাষ্ট্রপতি হতে চান না, বরং তিনি দেশ ছাড়ার পথ খুঁজছেন। নির্বাচনে বিদেশি শক্তির প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সজীব ওয়াজেদ সরাসরি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান নিশ্চিতভাবেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।” তার মতে, বিদেশি হাতের ছায়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন
বাংলাদেশকে একটি ভয়াবহ ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সজীব ওয়াজেদ সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগবিহীন এই কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রভাববলয়ে চলে যাবে। তিনি বলেন, “এর ফলে বাংলাদেশ একটি ইসলামপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।” বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে পার্থক্য টেনে তিনি বলেন, “বিএনপি আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত্রু নয়। তবে জামায়াত নিঃসন্দেহে শত্রু। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধী এবং দেশটিকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।” নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হলেও আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান সজীব। তিনি বলেন, “আমাদের সমর্থকেরা ইতোমধ্যে ছোট ছোট প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেছে। আমরা আরও বড় কর্মসূচি সংগঠিত করব এবং রাজনৈতিকভাবেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করব।” দেশের
বর্তমান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে রাষ্ট্রপতিকেও শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হবে।



