ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বিদেশি পর্যবেক্ষকদের খরচ বহনে ইসির সিদ্ধান্ত অপরিণামদর্শী: টিআইবি
বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যয় বহনের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তকে অপরিণামদর্শী, বৈষম্যমূলক ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টিকারী আখ্যা দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের পরিপন্থি।
মঙ্গলবার টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন। এই সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতির মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর যুক্তিতে তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যয় বহনের সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টতই বৈষম্যমূলক। কারণ, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য এমন সুবিধা দেওয়া হলে দেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
তিনি আরও
বলেন, নির্বাচন কমিশনের আতিথেয়তায় বিদেশি পর্যবেক্ষকরা দায়িত্ব পালন করলে তাদের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কারণ, পর্যবেক্ষকদের কাজের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার মূল্যায়নও অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা কমিশনের অর্থায়নে কতটা স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্তভাবে করা সম্ভব– সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০০৮ সাল বা তার আগে নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। অথচ ২০১৮ ও ২০২৪ সালে কেন এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আত্মজিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইসি বা বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে দায়িত্ব পালন করা নৈতিকতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের মানদণ্ডে কতটা গ্রহণযোগ্য,
তা তাদের বিবেচনা করা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকরা এ ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আগের সরকারের প্রচেষ্টা কতটুকু সার্থক হয়েছিল, আশা করছি বর্তমান নির্বাচন কমিশন তা উপলব্ধি করবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে জনমনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ার যে বিশাল আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিতর্কিত করার পথ থেকে ইসি সরে আসবে।
বলেন, নির্বাচন কমিশনের আতিথেয়তায় বিদেশি পর্যবেক্ষকরা দায়িত্ব পালন করলে তাদের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কারণ, পর্যবেক্ষকদের কাজের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার মূল্যায়নও অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা কমিশনের অর্থায়নে কতটা স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্তভাবে করা সম্ভব– সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০০৮ সাল বা তার আগে নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। অথচ ২০১৮ ও ২০২৪ সালে কেন এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আত্মজিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইসি বা বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে দায়িত্ব পালন করা নৈতিকতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের মানদণ্ডে কতটা গ্রহণযোগ্য,
তা তাদের বিবেচনা করা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকরা এ ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আগের সরকারের প্রচেষ্টা কতটুকু সার্থক হয়েছিল, আশা করছি বর্তমান নির্বাচন কমিশন তা উপলব্ধি করবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে জনমনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ার যে বিশাল আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিতর্কিত করার পথ থেকে ইসি সরে আসবে।



