ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান
ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব
রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?
বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ভয়ানক ও অনৈতিক নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জনসমর্থনের তোয়াক্কা না করে টাকার বস্তা, পেশিশক্তি এবং প্রশাসনিক কারসাজি ব্যবহার করে ৭৬টি আসন কুক্ষিগত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে দলটি। তাদের অভ্যন্তরীণ নথিপত্র ও গোয়েন্দা তথ্য থেকে বেরিয়ে এসেছে ভোট ডাকাতির এক অভিনব চিত্র।
গণতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে জামায়াত এবার বেছে নিয়েছে ‘ডিজিটাল ভোট চুরির’ পথ। দরিদ্র ও সাধারণ ভোটারদের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহের আড়ালে চলছে ভোট কেনার মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, বিকাশে, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে নির্বাচনের ঠিক আগে ভোটারদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢেলে ভোট কেনার ফাঁদ পাতা হয়েছে। ১৬২টি টার্গেট করা আসনের
জন্য দলটি ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার বিশাল অবৈধ তহবিল মাঠে নামিয়েছে, যা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে। নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্র দখলের এক ভয়াবহ পরিকল্পনা এঁকেছে জামায়াত। নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—ফজরের নামাজের পরপরই বিপুল সংখ্যক জামায়াত-শিবির ক্যাডার লাইনে দাঁড়িয়ে কৃত্রিম ভিড় তৈরি করবে এবং কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার হরণ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে নিজেদের অন্তত ১৫ জন দলীয় কর্মীকে আনসার ও ভিডিপি সদস্য হিসেবে ঢুকিয়ে দেওয়ার চক্রান্তও চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দখলদারিত্ব চালানোর পাঁয়তারা চলছে। নির্বাচনী ফলাফলে কারচুপি করতে ‘ভোটার ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোটার স্থানান্তরের মতো জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে দলটি।
গত কয়েক বছরে সুপরিকল্পিতভাবে ঢাকার ২০টি আসনে নিজেদের ক্যাডার ও সমর্থকদের ভোটার হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া, ১৫ লাখ প্রবাসী সমর্থকের পোস্টাল ব্যালট এবং দেশে অবস্থানরত দলীয় অন্ধ সমর্থকদের পোস্টাল ভোট ব্যবহার করে রায় নিজেদের পক্ষে নেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গণভোটের নামে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার খায়েশ এবং জামায়াতের এই আগ্রাসী উত্থান একই সূত্রে গাঁথা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রশাসনের পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক ‘হ্যাঁ’ ভোট আদায় এবং একই সাথে জামায়াতকে সুবিধা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে প্রচারণায় নামলেও, জামায়াতের এই বিপুল অর্থের
ঝনঝনানি ও পেশিশক্তির দাপটের কাছে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াত যে অরাজক ও অনৈতিক পরিস্থিতির ছক কষেছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক অশনিসংকেত।
জন্য দলটি ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার বিশাল অবৈধ তহবিল মাঠে নামিয়েছে, যা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে। নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্র দখলের এক ভয়াবহ পরিকল্পনা এঁকেছে জামায়াত। নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—ফজরের নামাজের পরপরই বিপুল সংখ্যক জামায়াত-শিবির ক্যাডার লাইনে দাঁড়িয়ে কৃত্রিম ভিড় তৈরি করবে এবং কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার হরণ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে নিজেদের অন্তত ১৫ জন দলীয় কর্মীকে আনসার ও ভিডিপি সদস্য হিসেবে ঢুকিয়ে দেওয়ার চক্রান্তও চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দখলদারিত্ব চালানোর পাঁয়তারা চলছে। নির্বাচনী ফলাফলে কারচুপি করতে ‘ভোটার ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোটার স্থানান্তরের মতো জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে দলটি।
গত কয়েক বছরে সুপরিকল্পিতভাবে ঢাকার ২০টি আসনে নিজেদের ক্যাডার ও সমর্থকদের ভোটার হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া, ১৫ লাখ প্রবাসী সমর্থকের পোস্টাল ব্যালট এবং দেশে অবস্থানরত দলীয় অন্ধ সমর্থকদের পোস্টাল ভোট ব্যবহার করে রায় নিজেদের পক্ষে নেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গণভোটের নামে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার খায়েশ এবং জামায়াতের এই আগ্রাসী উত্থান একই সূত্রে গাঁথা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রশাসনের পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে ব্যবহার করে জোরপূর্বক ‘হ্যাঁ’ ভোট আদায় এবং একই সাথে জামায়াতকে সুবিধা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে প্রচারণায় নামলেও, জামায়াতের এই বিপুল অর্থের
ঝনঝনানি ও পেশিশক্তির দাপটের কাছে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াত যে অরাজক ও অনৈতিক পরিস্থিতির ছক কষেছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক অশনিসংকেত।



