ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজটে চরম ভোগান্তি ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের
রোহিঙ্গাদের জন্য তুর্কি সংস্থার দেয়া যাকাতের অর্থে জামায়াত-শিবিরের জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার পার্টি, তুমুল সমালোচনা
ঈদযাত্রায় বাড়তি নয়, কম ভাড়া নিচ্ছে বাস: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে দিল্লিও নিরাপদ নয়: দক্ষিণ এশিয়ার সামনে এক ভয়ংকর সতর্কঘণ্টা
বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা আর কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট নয়—এটি এখন সরাসরি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর আঘাত। ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচনের নামে প্রহসন, উগ্র ইসলামপন্থার পুনরুত্থান এবং বিদেশি শক্তির নগ্ন হস্তক্ষেপ—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ একটি বিপজ্জনক পরীক্ষাগারে পরিণত হয়েছে। এই বাস্তবতা যদি উপেক্ষা করা হয়, তার আগুন শুধু পদ্মা-মেঘনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র পেরিয়ে গোটা অঞ্চলকে গ্রাস করবে।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্যে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা স্পষ্ট করে দেয়—বাংলাদেশ আজ কার্যত একটি অনির্বাচিত, দুর্বল ও চরমপন্থা-নির্ভর শাসনব্যবস্থার অধীনে। ছাত্রদের ন্যায্য কোটা আন্দোলনকে যেভাবে পরিকল্পিতভাবে সহিংসতায় রূপ দেওয়া হয়েছে, তাতে একটি পুরনো দক্ষিণ এশীয় চিত্রই ফিরে আসে:
গণআন্দোলনের আড়ালে জঙ্গি অনুপ্রবেশ, রাষ্ট্রীয় দুর্বলতা এবং শেষে ক্ষমতার শূন্যতা। সবচেয়ে ভয়ংকর দিকটি হলো—এই শূন্যতার সুযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের মুক্তি। হলি আর্টিজান হামলা, ব্লগার হত্যা, কূটনৈতিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত জঙ্গিদের কারাগার থেকে বের করে দেওয়া মানে কেবল ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়; এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি ওপেন ইনভাইটেশন—বাংলাদেশ আবারও নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের জন্য। ভারতের কাছে এর অর্থ কী? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত, সেভেন সিস্টার্স, সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আবারও অস্থিতিশীলতা, অস্ত্র ও চরমপন্থার অনুপ্রবেশ। নির্বাচনের নামে যা আয়োজন করা হচ্ছে, তা আসলে একটি রাষ্ট্রীয় ছদ্মবেশ। আওয়ামী লীগসহ সকল প্রগতিশীল শক্তিকে কার্যত নিষিদ্ধ করে মাঠ ফাঁকা করা হয়েছে। ফলাফল—একটি কৃত্রিম দুই ঘোড়ার দৌড়: বিএনপি বনাম জামায়াত।
কিন্তু বাস্তবে এটি ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি কারা বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করবে—সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। বিএনপিকে ঘিরে জয়ের অভিযোগ বিশেষভাবে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার নীতিনির্ধারকদের জন্য অস্বস্তিকর। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিযোগগুলোকে চাপের হাতিয়ার বানিয়ে যদি কোনো বিদেশি শক্তি একটি সম্ভাব্য সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তবে সেটি আর সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকে না—তা হয়ে যায় কূটনৈতিক প্রটেক্টরেট। একটি দুর্বল, নিয়ন্ত্রিত সরকার মানেই সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় চরম অনিশ্চয়তা। আর জামায়াতে ইসলামী? ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়—জামায়াত কখনোই শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি একটি আদর্শিক প্রকল্প। শরিয়া-ভিত্তিক রাষ্ট্র, নারীবিরোধী রাজনীতি, সংখ্যালঘু নিপীড়ন—এই এজেন্ডা নতুন নয়। পার্থক্য শুধু একটাই: এবার তাদের সামনে
বাধা দেওয়ার মতো প্রগতিশীল শক্তি মাঠে নেই। এর অর্থ, বাংলাদেশে উগ্রবাদের যে সীমাবদ্ধতা একসময় ছিল, তা ভেঙে পড়ছে। ভারতের জন্য এটি কেন লাল সংকেত? কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—বাংলাদেশে যখনই রাষ্ট্র দুর্বল হয়েছে, তখনই পাকিস্তানি প্রভাব, জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও সীমান্ত অস্থিতিশীলতা মাথাচাড়া দিয়েছে। একটি দুর্বল সরকার + একটি শক্তিশালী জামায়াত = দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য দুঃস্বপ্ন। আজ যদি এই বাস্তবতা উপেক্ষা করা হয়, আগামীকাল দিল্লি, কলকাতা বা গুয়াহাটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। পোস্টাল ভোট চালুর সিদ্ধান্ত এই নাটকের শেষ দৃশ্য। যেখানেয় ক্যামেরা নেই, পর্যবেক্ষক নেই, সাংবাদিক নেই—সেখানে গণতন্ত্র নেই। এটি ভোট নয়, এটি সংখ্যা উৎপাদনের কারখানা। এমন একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে যে সরকার আসবে,
তার বৈধতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, তেমনি তার স্থায়িত্বও হবে নড়বড়ে—আর নড়বড়ে সরকার মানেই চরমপন্থীদের স্বর্গ। সব মিলিয়ে বাস্তবতা নির্মম: বাংলাদেশ আজ শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে না—সে খেলছে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়ে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে ভারত, যদি এই প্রক্রিয়াকে ‘স্বাভাবিক নির্বাচন’ বলে মেনে নেয়, তবে সেটি হবে কৌশলগত অন্ধত্ব। আজ নীরবতা মানেই আগামী দশকের অস্থিরতার বীজ বপন। প্রশ্ন একটাই— বাংলাদেশ যদি উগ্রবাদ ও বিদেশি নিয়ন্ত্রণের দিকে ধাবিত হয়, দক্ষিণ এশিয়া কি নিরাপদ থাকতে পারবে? উত্তরটা সবাই জানে।
গণআন্দোলনের আড়ালে জঙ্গি অনুপ্রবেশ, রাষ্ট্রীয় দুর্বলতা এবং শেষে ক্ষমতার শূন্যতা। সবচেয়ে ভয়ংকর দিকটি হলো—এই শূন্যতার সুযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের মুক্তি। হলি আর্টিজান হামলা, ব্লগার হত্যা, কূটনৈতিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত জঙ্গিদের কারাগার থেকে বের করে দেওয়া মানে কেবল ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়; এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি ওপেন ইনভাইটেশন—বাংলাদেশ আবারও নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের জন্য। ভারতের কাছে এর অর্থ কী? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত, সেভেন সিস্টার্স, সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আবারও অস্থিতিশীলতা, অস্ত্র ও চরমপন্থার অনুপ্রবেশ। নির্বাচনের নামে যা আয়োজন করা হচ্ছে, তা আসলে একটি রাষ্ট্রীয় ছদ্মবেশ। আওয়ামী লীগসহ সকল প্রগতিশীল শক্তিকে কার্যত নিষিদ্ধ করে মাঠ ফাঁকা করা হয়েছে। ফলাফল—একটি কৃত্রিম দুই ঘোড়ার দৌড়: বিএনপি বনাম জামায়াত।
কিন্তু বাস্তবে এটি ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি কারা বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করবে—সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। বিএনপিকে ঘিরে জয়ের অভিযোগ বিশেষভাবে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার নীতিনির্ধারকদের জন্য অস্বস্তিকর। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিযোগগুলোকে চাপের হাতিয়ার বানিয়ে যদি কোনো বিদেশি শক্তি একটি সম্ভাব্য সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তবে সেটি আর সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকে না—তা হয়ে যায় কূটনৈতিক প্রটেক্টরেট। একটি দুর্বল, নিয়ন্ত্রিত সরকার মানেই সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় চরম অনিশ্চয়তা। আর জামায়াতে ইসলামী? ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়—জামায়াত কখনোই শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি একটি আদর্শিক প্রকল্প। শরিয়া-ভিত্তিক রাষ্ট্র, নারীবিরোধী রাজনীতি, সংখ্যালঘু নিপীড়ন—এই এজেন্ডা নতুন নয়। পার্থক্য শুধু একটাই: এবার তাদের সামনে
বাধা দেওয়ার মতো প্রগতিশীল শক্তি মাঠে নেই। এর অর্থ, বাংলাদেশে উগ্রবাদের যে সীমাবদ্ধতা একসময় ছিল, তা ভেঙে পড়ছে। ভারতের জন্য এটি কেন লাল সংকেত? কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—বাংলাদেশে যখনই রাষ্ট্র দুর্বল হয়েছে, তখনই পাকিস্তানি প্রভাব, জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও সীমান্ত অস্থিতিশীলতা মাথাচাড়া দিয়েছে। একটি দুর্বল সরকার + একটি শক্তিশালী জামায়াত = দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য দুঃস্বপ্ন। আজ যদি এই বাস্তবতা উপেক্ষা করা হয়, আগামীকাল দিল্লি, কলকাতা বা গুয়াহাটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। পোস্টাল ভোট চালুর সিদ্ধান্ত এই নাটকের শেষ দৃশ্য। যেখানেয় ক্যামেরা নেই, পর্যবেক্ষক নেই, সাংবাদিক নেই—সেখানে গণতন্ত্র নেই। এটি ভোট নয়, এটি সংখ্যা উৎপাদনের কারখানা। এমন একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে যে সরকার আসবে,
তার বৈধতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, তেমনি তার স্থায়িত্বও হবে নড়বড়ে—আর নড়বড়ে সরকার মানেই চরমপন্থীদের স্বর্গ। সব মিলিয়ে বাস্তবতা নির্মম: বাংলাদেশ আজ শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে না—সে খেলছে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়ে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে ভারত, যদি এই প্রক্রিয়াকে ‘স্বাভাবিক নির্বাচন’ বলে মেনে নেয়, তবে সেটি হবে কৌশলগত অন্ধত্ব। আজ নীরবতা মানেই আগামী দশকের অস্থিরতার বীজ বপন। প্রশ্ন একটাই— বাংলাদেশ যদি উগ্রবাদ ও বিদেশি নিয়ন্ত্রণের দিকে ধাবিত হয়, দক্ষিণ এশিয়া কি নিরাপদ থাকতে পারবে? উত্তরটা সবাই জানে।



