ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতিতে গোপন ষড়যন্ত্র ও আমেরিকার প্রস্তাবে গাঁজায় সেনা মোতায়েনের আগ্রহ ইউনুস সরকারের
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে চলমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ফিলিস্তিনের গাজায় মোতায়েন করা। এই সিদ্ধান্ত শুধু কূটনৈতিক নয়, বরং জাতীয় ইতিহাস, নৈতিক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে।
সেনাবাহিনী ও দেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, “দেশের সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে। সেই অবস্থায় হাজার কিলোমিটার দূরে সেনা মোতায়েন করা পেশাগত ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।”
অন্য একজন সামরিক বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেছেন, “যে রাষ্ট্র নিজের পাহাড়, নদী এবং সীমান্তে সেনা মোতায়েন করতে ‘অস্বস্তি’ বোধ করে, সেই রাষ্ট্রের জন্য গাজায় সেনা পাঠানো আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের সমতুল্য। এটি সেনাবাহিনীর
মান, অভিজ্ঞতা ও জনবিশ্বাসের জন্যও হুমকি।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ যদি কার্যকর হয়, তা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক সাফল্যকে ক্ষুণ্ণ করবে। বিশ্লেষক শেখ রাফি বলেন, “বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজকের পদক্ষেপ কেবল দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নয়, জনগণের নৈতিক অবস্থানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।” দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব সেনাবাহিনীর পেশাগত নীতি ও জনসাধারণের আস্থার ক্ষয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নৈতিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামাজিক বিভাজন নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কি একজন অভিজ্ঞ, দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা বসানো যেতে পারতো? মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কি পরিকল্পনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে অনুমোদিত? দেশের স্বার্থে বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না? নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক
করে বলছেন, “বাংলাদেশিরা কখনো ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানো থেকে পিছিয়ে যায়নি। আজ যদি সেনাবাহিনী গাজায় মোতায়েন হয়, তা শুধুমাত্র নিপীড়িত মানুষের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়—এটি দেশের সব বিবেকবান মানুষের সঙ্গে বেইমানি।” বিশেষজ্ঞরা যেসব পরামর্শ দিয়েছেন সরকারকে অবিলম্বে সেনাবাহিনীকে বিদেশে মোতায়েনের যে কোনো সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে হবে। নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের পদ reassess করা। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বিদেশি প্রভাব প্রতিহত করা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, “এখন সময় এসেছে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার। অন্যথায়, ছোট অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তগুলো জাতীয় স্বাতন্ত্র্য ও নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদে হুমকি তৈরি করতে পারে।”
মান, অভিজ্ঞতা ও জনবিশ্বাসের জন্যও হুমকি।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ যদি কার্যকর হয়, তা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক সাফল্যকে ক্ষুণ্ণ করবে। বিশ্লেষক শেখ রাফি বলেন, “বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজকের পদক্ষেপ কেবল দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নয়, জনগণের নৈতিক অবস্থানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।” দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব সেনাবাহিনীর পেশাগত নীতি ও জনসাধারণের আস্থার ক্ষয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নৈতিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামাজিক বিভাজন নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কি একজন অভিজ্ঞ, দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা বসানো যেতে পারতো? মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কি পরিকল্পনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে অনুমোদিত? দেশের স্বার্থে বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না? নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক
করে বলছেন, “বাংলাদেশিরা কখনো ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানো থেকে পিছিয়ে যায়নি। আজ যদি সেনাবাহিনী গাজায় মোতায়েন হয়, তা শুধুমাত্র নিপীড়িত মানুষের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়—এটি দেশের সব বিবেকবান মানুষের সঙ্গে বেইমানি।” বিশেষজ্ঞরা যেসব পরামর্শ দিয়েছেন সরকারকে অবিলম্বে সেনাবাহিনীকে বিদেশে মোতায়েনের যে কোনো সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে হবে। নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের পদ reassess করা। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বিদেশি প্রভাব প্রতিহত করা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, “এখন সময় এসেছে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার। অন্যথায়, ছোট অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তগুলো জাতীয় স্বাতন্ত্র্য ও নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদে হুমকি তৈরি করতে পারে।”



