বাংলাদেশসহ চার দেশ থেকে পোশাক উৎপাদন করতে চায় এক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ আগস্ট, ২০২৫
     ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশসহ চার দেশ থেকে পোশাক উৎপাদন করতে চায় এক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ আগস্ট, ২০২৫ | ৮:৫৪ 89 ভিউ
ভারতীয় পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর থেকে বড় সমস্যার মুখে পড়েছে ভারতের পোশাক তৈরির প্রতিষ্ঠান পার্ল গ্লোবাল। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে গ্যাপ ও কোলসের মতো প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের এসব প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফোনকল আসছে। এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পোশাক উৎপাদনকারী কোম্পানি পার্ল গ্লোবাল। গ্যাপ ও কোহল’স সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ভারতে উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে তারা। কিন্তু এখন যেহেতু ভারত থেকে গেলে ৫০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে তাই পার্ল গ্লোবাল ভারত থেকে তাদের উৎপাদন সরিয়ে বাংলাদেশসহ চারটি দেশে নিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) পার্ল গ্লোবালের মহাপরিচালক পল্লব ব্যানার্জি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন,

মার্কিন ক্রেতাদের চাপে পড়েই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পল্লব ব্যানার্জি বলেছেন, মার্কিন ক্রেতাদের তারা প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতে যেসব পোশাক উৎপাদন হতো সেগুলো এখন তাদের বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং গুয়েতেমালার ১৭টি কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। এতে করে উচ্চ শুল্ক এড়ানো যাবে। তিনি বলেছেন, সব ক্রেতারা সার্বক্ষণিক আমাকে ফোন দিচ্ছেন। তারা চান আমরা উৎপাদন ভারত থেকে অন্য কোনো দেশে নিয়ে যাই। গত এপ্রিলে ট্রাম্প সর্বপ্রথম পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন। ওই সময় বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও চীনের ওপর যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল তার তুলনায় ভারতের ওপর শুল্ক কম ছিল। এতে ভারতীয় পোশাক রপ্তানিকারকরা স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন তারা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের

মার্কিন বাজার ধরবেন। তবে ট্রাম্প মাত্র এক সপ্তাহে নয়াদিল্লির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় পালটে গেছে সব হিসাব নিকাশ। পার্ল গ্লোবালের এ কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, কিছু মার্কিন ক্রেতা ভারতে উৎপাদিত পণ্যই নিতে চায়। তবে তারা শর্ত দিয়েছে, এক্ষেত্রে ট্রাম্প যে শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন সেটির ভাগ তাদেরও নিতে হবে। কিন্তু বিষয়টি কোম্পানিটির জন্য ভালো কোনো অপশন নয়। অর্থাৎ পার্ল গ্লোবাল শুল্কের কোনো বোঝা নিতে চায় না। কোনো কোনো মার্কিন ক্রেতা এমন প্রস্তাব দিয়েছে তাদের নাম প্রকাশ করেননি পল্লব ব্যানার্জি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?