ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
ফ্রিতে নৌকা না পেয়ে ঘাটের কর্মচারীকে পেটালেন অতিরিক্ত ডিআইজি
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে গিয়ে ফ্রিতে নৌকা না দেওয়ায় পর্যটন ঘাটে কর্মরত উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীকে বেধড়ক পিটিয়েছেন সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমদ। এ ঘটনায় সিলেটজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রের নৌকাঘাটের কর্মরত উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক জাবেদ আহমদের সাথে এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী জাবদে আহমদ জানান, সিভিল পোশাকে নৌকাঘাটে গিয়ে ঘাটে কর্মরতদের কাছে তিনি নৌকা চান। আমরা তাকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আটশো টাকা পরিশোধ করে নৌকা নেওয়ার বিষয়টি অবগত করা মাত্রই তিনি ক্ষেপে গিয়ে বলেন আমাকে চিনিস আমি অ্যাডিশনাল ডিআইজি। আমি টাকা দিয়ে কেন নৌকা নেব কেন। এ
কথা বলেই অনেক মানুষের সামনে তিনি আমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যান। এসময় কোম্পানীগঞ্জ থানার একজন এসআই আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। ঘটনার পর খবর পেয়ে নৌকাঘাটের মাঝিরা প্রতিবাদ করে কিছু সময় নৌকা চালানো বন্ধ করে দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ওসি স্যার এসে সবাইকে সান্ত্বনা দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এমরান আহমদ নামের এক যুবক বলেন, পুলিশ বাহিনীর একজন সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হয়ে অন্য একজন ছোট কর্মচারীর ওপর হাত তোলার ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত ও লজ্জিত হয়েছে। এ কর্মকর্তার শাস্তির দাবি জানাই। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। নৌকাঘাটে কর্মরত একজনের সঙ্গে স্যারের ভুল
বুঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার আবুল হাসনাত জানান, নৌকাঘাটে এডিশনাল ডিআইজি স্যারের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মরত একজন কর্মচারীর একটি ঝামেলার কথা আমি শুনেছি। বিষয়টি আমি পুরোপুরি জানি না। ইউএনও স্যার ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, তিনি ভালো বলতে পারবেন। সিলেট রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কথা বলেই অনেক মানুষের সামনে তিনি আমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মেরে চলে যান। এসময় কোম্পানীগঞ্জ থানার একজন এসআই আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। ঘটনার পর খবর পেয়ে নৌকাঘাটের মাঝিরা প্রতিবাদ করে কিছু সময় নৌকা চালানো বন্ধ করে দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ওসি স্যার এসে সবাইকে সান্ত্বনা দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এমরান আহমদ নামের এক যুবক বলেন, পুলিশ বাহিনীর একজন সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হয়ে অন্য একজন ছোট কর্মচারীর ওপর হাত তোলার ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত ও লজ্জিত হয়েছে। এ কর্মকর্তার শাস্তির দাবি জানাই। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। নৌকাঘাটে কর্মরত একজনের সঙ্গে স্যারের ভুল
বুঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার আবুল হাসনাত জানান, নৌকাঘাটে এডিশনাল ডিআইজি স্যারের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মরত একজন কর্মচারীর একটি ঝামেলার কথা আমি শুনেছি। বিষয়টি আমি পুরোপুরি জানি না। ইউএনও স্যার ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, তিনি ভালো বলতে পারবেন। সিলেট রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।



