ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়
আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বালিয়াডাংগী উপজেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতির মৃত্যু বরন
বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চালু করা হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়।
জাইমা রহমানের বিরুদ্ধে ‘ডিজিটাল চরিত্র হনন’: ক্ষমতাসীনদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ডাক ছাত্রলীগ নেতার
খুলনা বিভাগে বিএনপির বিপর্যয়ের নেপথ্যে চাঁদাবাজি-গ্রুপিং আর সাবেক মুসলিম লীগের ভোট দাঁড়িপাল্লায়
অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
ফেনীতে মাদককাণ্ডে দলীয় কর্মীর হাতে যুবদল নেতা খুন, গ্রেপ্তার ১
ফেনীতে মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে সদলীয় কর্মীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন এক যুবদল নেতা।
২৮শে আগস্ট, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার ফাজিলপুর রাজনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত এরশাদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত যুবদল নেতার নাম আলমগীর হোসেন সোহাগ (৪০)। তিনি ফাজিলপুর ইউনিয়নের রাজনগরের রুহুল আমিনের ছেলে ও ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি।
অভিযুক্ত এরশাদ একই এলাকার বাসিন্দা এবং যুবদলের সক্রিয় কর্মী। দুজনই পশ্চিম ফাজিলপুরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রক।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে পশ্চিম ফাজিলপুর রাজনগরে মাদক ব্যবসার আধিপত্যের জেরে আলমগীর হোসেন সোহাগকে কুপিয়ে জখম করে একই গ্রামের যুবদল কর্মী এরশাদ মিয়া। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সোহাগের স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদি হয়ে আজ থানায় এরশাদকে আসামি করে মামলা দেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় এরশাদ নামে এক ব্যক্তি সঙ্গে সোহাগের বাক-বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এরশাদ চারদিন আগেই মাদকের মামলায় কারাগার থেকে বের হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. রুহুল মহসিন বলেন, ‘নিহত সোহাগের বুকে ধারালো অস্ত্রের পাঁচটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’ ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামছুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ছাগলনাইয়া থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত একমাত্র আসামি এরশাদকে গ্রেপ্তার করেছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সোহাগের স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদি হয়ে আজ থানায় এরশাদকে আসামি করে মামলা দেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় এরশাদ নামে এক ব্যক্তি সঙ্গে সোহাগের বাক-বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এরশাদ চারদিন আগেই মাদকের মামলায় কারাগার থেকে বের হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. রুহুল মহসিন বলেন, ‘নিহত সোহাগের বুকে ধারালো অস্ত্রের পাঁচটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’ ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামছুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ছাগলনাইয়া থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত একমাত্র আসামি এরশাদকে গ্রেপ্তার করেছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



