ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ফেনীতে মাদককাণ্ডে দলীয় কর্মীর হাতে যুবদল নেতা খুন, গ্রেপ্তার ১
ফেনীতে মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে সদলীয় কর্মীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন এক যুবদল নেতা।
২৮শে আগস্ট, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার ফাজিলপুর রাজনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত এরশাদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত যুবদল নেতার নাম আলমগীর হোসেন সোহাগ (৪০)। তিনি ফাজিলপুর ইউনিয়নের রাজনগরের রুহুল আমিনের ছেলে ও ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি।
অভিযুক্ত এরশাদ একই এলাকার বাসিন্দা এবং যুবদলের সক্রিয় কর্মী। দুজনই পশ্চিম ফাজিলপুরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রক।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে পশ্চিম ফাজিলপুর রাজনগরে মাদক ব্যবসার আধিপত্যের জেরে আলমগীর হোসেন সোহাগকে কুপিয়ে জখম করে একই গ্রামের যুবদল কর্মী এরশাদ মিয়া। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সোহাগের স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদি হয়ে আজ থানায় এরশাদকে আসামি করে মামলা দেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় এরশাদ নামে এক ব্যক্তি সঙ্গে সোহাগের বাক-বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এরশাদ চারদিন আগেই মাদকের মামলায় কারাগার থেকে বের হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. রুহুল মহসিন বলেন, ‘নিহত সোহাগের বুকে ধারালো অস্ত্রের পাঁচটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’ ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামছুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ছাগলনাইয়া থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত একমাত্র আসামি এরশাদকে গ্রেপ্তার করেছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সোহাগের স্ত্রী শারমিন আক্তার বাদি হয়ে আজ থানায় এরশাদকে আসামি করে মামলা দেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় এরশাদ নামে এক ব্যক্তি সঙ্গে সোহাগের বাক-বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এরশাদ চারদিন আগেই মাদকের মামলায় কারাগার থেকে বের হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. রুহুল মহসিন বলেন, ‘নিহত সোহাগের বুকে ধারালো অস্ত্রের পাঁচটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’ ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামছুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ছাগলনাইয়া থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত একমাত্র আসামি এরশাদকে গ্রেপ্তার করেছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



