ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ?
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
সামনে জাতীয় নির্বাচন, অথচ মাঠ প্রশাসনের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে জনমনে যখন নানা প্রশ্ন, ঠিক তখনই ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একটি গোপন তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। ফাঁস হওয়া ওই নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মেধা বা দক্ষতাকে পাশ কাটিয়ে তাঁদের বিচার করা হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয়ে। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই কর্মকর্তাদের নামের পাশে ‘বিএনপি’, ‘জামায়াত’ এবং ‘এনসিপি’ (NCP)—এই তিন ক্যাটাগরিতে রাজনৈতিক ট্যাগ বা পরিচয় জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এই নথিতে ৬৪ জেলার ডিসিদের নাম, বিসিএস ব্যাচ এবং তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। নথির তথ্যানুযায়ী, প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ করা হয়েছে, যেখানে ৫২টি জেলাতেই জামায়াত ও এনসিপি মতাদর্শের কর্মকর্তাদের
ডিসি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে বিএনপিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মাত্র ১২ জনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিসিরা নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ফলে প্রশাসনের এমন একপাক্ষিক রাজনৈতিক বিন্যাস এবং গোপন নথিতে কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সংরক্ষণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়। দলীয়করণের পরিসংখ্যান প্রাপ্ত নথির সারসংক্ষেপে দেখা গেছে, মোট ৬৪ জন জেলা প্রশাসকের মধ্যে: জামায়াত: ৩২ জন এনসিপি: ২০ জন বিএনপি: ১২ জন তালিকায় বিশেষ মন্তব্যের ঘরে অনেক কর্মকর্তার বর্তমান পরিচয়ের পাশাপাশি অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (যেমন: ‘পূর্বে জামায়াত’ বা ‘পূর্বে বিএনপি’)। নিচে বিভাগওয়ারি ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের তালিকা ও নথিতে উল্লিখিত তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্য তুলে ধরা হলো: ঢাকা বিভাগ: প্রশাসনের কেন্দ্রে জামায়াতের আধিপত্য দেশের
ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার অধিকাংশেই জামায়াতপন্থী কর্মকর্তাদের নাম উঠে এসেছে। ১. ঢাকা: মো: রেজাউল করিম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ২. গাজীপুর: মোহাম্মদ আলম হোসেন (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩. নারায়ণগঞ্জ: মো: রায়হান কবির (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪. মুন্সীগঞ্জ: সৈয়দা নুরমহল আশরাফী (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৫. নরসিংদী: মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬. মানিকগঞ্জ: নাজমুন আরা সুলতানা (২৮ ব্যাচ) — বিএনপি। ৭. টাঙ্গাইল: শরীফা হক (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ৮. কিশোরগঞ্জ: মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৯. ফরিদপুর: কামরুল হাসান মোল্যা (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ১০. রাজবাড়ী: সুলতানা আক্তার (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ১১. গোপালগঞ্জ: আরিফ-উজ-জামান
(২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ১২. মাদারীপুর: জাহাঙ্গীর আলম (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ১৩. শরীয়তপুর: তাহসিনা বেগম (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত। চট্টগ্রাম বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় বিএনপি ও জামায়াতের মিশ্র অবস্থান দেখা গেলেও জামায়াত ও এনসিপির প্রভাব স্পষ্ট। ১৪. চট্টগ্রাম: জাহিদুল ইসলাম মিঞা (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৫. কক্সবাজার: মো: আ: মান্নান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ১৬. কুমিল্লা: রেজা হাসান (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ১৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া: শারমিন আক্তার জাহান (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৮. চাঁদপুর: নাজমুল ইসলাম সরকার (২৯ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৯. নোয়াখালী: মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ২০. লক্ষ্মীপুর: এস এম মেহেদী হাসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ২১. ফেনী: মনিরা হক (২৭ ব্যাচ) —
জামায়াত। ২২. খাগড়াছড়ি: আনোয়ার সাদাত (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত। ২৩. রাঙ্গামাটি: নাজমা আশরাফী (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ২৪. বান্দরবান: শামীম আরা রিনি (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। রাজশাহী বিভাগ উত্তরাঞ্চালের এই বিভাগে এনসিপি ও জামায়াতের শক্ত অবস্থান নথিতে উঠে এসেছে। ২৫. রাজশাহী: আফিয়া আখতার (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ২৬. বগুড়া: তৌফিকুর রহমান (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ২৭. পাবনা: ড. শাহেদ মোস্তফা (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ২৮. সিরাজগঞ্জ: আমিনুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ২৯. নওগাঁ: সাইফুল ইসলাম (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৩০. নাটোর: আসমা শাহীন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৩১. চাঁপাইনবাবগঞ্জ: শাহাদাত হোসেন মাসুদ (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩২. জয়পুরহাট: আল-মামুন মিয়া (২৮ ব্যাচ)
— এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। খুলনা বিভাগ দক্ষিণাঞ্চালের এই বিভাগে জামায়াতপন্থীদের আধিক্য লক্ষ্য করা গেছে। ৩৩. খুলনা: আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৩৪. যশোর: মোহাম্মদ আশেক হাসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৫. সাতক্ষীরা: আফরোজা আখতার (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৬. বাগেরহাট: গোলাম মো: বাতেন (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৩৭. কুষ্টিয়া: মো. ইকবাল হোসেন (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৮. ঝিনাইদহ: আব্দুল্লাহ আল মাসউদ (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ৩৯. চুয়াডাঙ্গা: মোহাম্মদ কামাল হোসেন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৪০. মেহেরপুর: ড. সৈয়দ এনামুল কবির (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪১. নড়াইল: ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৪২. মাগুরা: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮
ব্যাচ) — জামায়াত। রংপুর বিভাগ রংপুরে বিএনপি কোণঠাসা, প্রায় পুরোটাই এনসিপি ও জামায়াতের দখলে। ৪৩. রংপুর: মোহাম্মদ এনামুল আহসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪৪. দিনাজপুর: রফিকুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪৫. কুড়িগ্রাম: অন্নপূর্ণা দেবনাথ (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৬. গাইবান্ধা: মাসুদুর রহমান মোল্লা (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৭. নীলফামারী: মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৮. লালমনিরহাট: এইচ এম রকিব হায়দার (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৯. ঠাকুরগাঁও: ইশরাত ফারজানা (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ৫০. পঞ্চগড়: কাজী মো. সায়েমুজ্জামান (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। বরিশাল বিভাগ ৫১. বরিশাল: খায়রুল আলম সুমন (২৯ ব্যাচ) — বিএনপি। ৫২. পটুয়াখালী: ড. মো: শহীদ হোসেন চৌধুরী (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৫৩. ভোলা: ডা. শামীম রহমান (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৫৪. পিরোজপুর: আবু সাঈদ (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৫৫. ঝালকাঠি: মো. মমিন উদ্দিন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৫৬. বরগুনা: তাছলিমা আক্তার (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ময়মনসিংহ বিভাগ ৫৭. ময়মনসিংহ: মো: সাইফুর রহমান (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৫৮. জামালপুর: মোহাম্মদ ইউসুপ আলী (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৫৯. নেত্রকোনা: মো: সাইফুর রহমান (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬০. শেরপুর: তরফদার মাহমুদুর রহমান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। সিলেট বিভাগ ৬১. সিলেট: মো: সারওয়ার আলম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬২. সুনামগঞ্জ: ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৬৩. হবিগঞ্জ: আবু হাসনাত মো: আরেফীন (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬৪. মৌলভীবাজার: তৌহিদুজ্জামান পাভেল (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। প্রশাসনের এমন নগ্ন দলীয়করণের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক এক মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের কন্ঠকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কোনো দলের কর্মী নন। যখন ডিসিদের নামের পাশে ব্র্যাকেটে দলের নাম লেখা হয়, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের আগে এমন তালিকা তৈরি বা ফাঁস হওয়া প্রমাণ করে যে, মাঠ প্রশাসনকে কব্জা করে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার একটি নীলনকশা প্রস্তুত করা হয়েছে।’ জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হন, যা শেষ পর্যন্ত সুশাসনের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়। ফাঁস হওয়া এই তালিকা যদি সত্য হয়, তবে তা দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য এক অশনিসংকেত।
ডিসি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে বিএনপিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মাত্র ১২ জনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিসিরা নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ফলে প্রশাসনের এমন একপাক্ষিক রাজনৈতিক বিন্যাস এবং গোপন নথিতে কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সংরক্ষণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়। দলীয়করণের পরিসংখ্যান প্রাপ্ত নথির সারসংক্ষেপে দেখা গেছে, মোট ৬৪ জন জেলা প্রশাসকের মধ্যে: জামায়াত: ৩২ জন এনসিপি: ২০ জন বিএনপি: ১২ জন তালিকায় বিশেষ মন্তব্যের ঘরে অনেক কর্মকর্তার বর্তমান পরিচয়ের পাশাপাশি অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (যেমন: ‘পূর্বে জামায়াত’ বা ‘পূর্বে বিএনপি’)। নিচে বিভাগওয়ারি ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের তালিকা ও নথিতে উল্লিখিত তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্য তুলে ধরা হলো: ঢাকা বিভাগ: প্রশাসনের কেন্দ্রে জামায়াতের আধিপত্য দেশের
ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার অধিকাংশেই জামায়াতপন্থী কর্মকর্তাদের নাম উঠে এসেছে। ১. ঢাকা: মো: রেজাউল করিম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ২. গাজীপুর: মোহাম্মদ আলম হোসেন (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩. নারায়ণগঞ্জ: মো: রায়হান কবির (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪. মুন্সীগঞ্জ: সৈয়দা নুরমহল আশরাফী (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৫. নরসিংদী: মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬. মানিকগঞ্জ: নাজমুন আরা সুলতানা (২৮ ব্যাচ) — বিএনপি। ৭. টাঙ্গাইল: শরীফা হক (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ৮. কিশোরগঞ্জ: মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৯. ফরিদপুর: কামরুল হাসান মোল্যা (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ১০. রাজবাড়ী: সুলতানা আক্তার (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ১১. গোপালগঞ্জ: আরিফ-উজ-জামান
(২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ১২. মাদারীপুর: জাহাঙ্গীর আলম (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ১৩. শরীয়তপুর: তাহসিনা বেগম (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত। চট্টগ্রাম বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় বিএনপি ও জামায়াতের মিশ্র অবস্থান দেখা গেলেও জামায়াত ও এনসিপির প্রভাব স্পষ্ট। ১৪. চট্টগ্রাম: জাহিদুল ইসলাম মিঞা (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৫. কক্সবাজার: মো: আ: মান্নান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ১৬. কুমিল্লা: রেজা হাসান (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ১৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া: শারমিন আক্তার জাহান (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৮. চাঁদপুর: নাজমুল ইসলাম সরকার (২৯ ব্যাচ) — বিএনপি। ১৯. নোয়াখালী: মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ২০. লক্ষ্মীপুর: এস এম মেহেদী হাসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ২১. ফেনী: মনিরা হক (২৭ ব্যাচ) —
জামায়াত। ২২. খাগড়াছড়ি: আনোয়ার সাদাত (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত। ২৩. রাঙ্গামাটি: নাজমা আশরাফী (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ২৪. বান্দরবান: শামীম আরা রিনি (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। রাজশাহী বিভাগ উত্তরাঞ্চালের এই বিভাগে এনসিপি ও জামায়াতের শক্ত অবস্থান নথিতে উঠে এসেছে। ২৫. রাজশাহী: আফিয়া আখতার (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ২৬. বগুড়া: তৌফিকুর রহমান (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ২৭. পাবনা: ড. শাহেদ মোস্তফা (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ২৮. সিরাজগঞ্জ: আমিনুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ২৯. নওগাঁ: সাইফুল ইসলাম (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৩০. নাটোর: আসমা শাহীন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৩১. চাঁপাইনবাবগঞ্জ: শাহাদাত হোসেন মাসুদ (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩২. জয়পুরহাট: আল-মামুন মিয়া (২৮ ব্যাচ)
— এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। খুলনা বিভাগ দক্ষিণাঞ্চালের এই বিভাগে জামায়াতপন্থীদের আধিক্য লক্ষ্য করা গেছে। ৩৩. খুলনা: আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৩৪. যশোর: মোহাম্মদ আশেক হাসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৫. সাতক্ষীরা: আফরোজা আখতার (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৬. বাগেরহাট: গোলাম মো: বাতেন (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৩৭. কুষ্টিয়া: মো. ইকবাল হোসেন (২৯ ব্যাচ) — জামায়াত। ৩৮. ঝিনাইদহ: আব্দুল্লাহ আল মাসউদ (২৭ ব্যাচ) — বিএনপি। ৩৯. চুয়াডাঙ্গা: মোহাম্মদ কামাল হোসেন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৪০. মেহেরপুর: ড. সৈয়দ এনামুল কবির (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪১. নড়াইল: ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৪২. মাগুরা: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮
ব্যাচ) — জামায়াত। রংপুর বিভাগ রংপুরে বিএনপি কোণঠাসা, প্রায় পুরোটাই এনসিপি ও জামায়াতের দখলে। ৪৩. রংপুর: মোহাম্মদ এনামুল আহসান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪৪. দিনাজপুর: রফিকুল ইসলাম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৪৫. কুড়িগ্রাম: অন্নপূর্ণা দেবনাথ (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৬. গাইবান্ধা: মাসুদুর রহমান মোল্লা (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৭. নীলফামারী: মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৮. লালমনিরহাট: এইচ এম রকিব হায়দার (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৪৯. ঠাকুরগাঁও: ইশরাত ফারজানা (২৫ ব্যাচ) — বিএনপি। ৫০. পঞ্চগড়: কাজী মো. সায়েমুজ্জামান (২৮ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। বরিশাল বিভাগ ৫১. বরিশাল: খায়রুল আলম সুমন (২৯ ব্যাচ) — বিএনপি। ৫২. পটুয়াখালী: ড. মো: শহীদ হোসেন চৌধুরী (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৫৩. ভোলা: ডা. শামীম রহমান (২৯ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)। ৫৪. পিরোজপুর: আবু সাঈদ (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)। ৫৫. ঝালকাঠি: মো. মমিন উদ্দিন (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)। ৫৬. বরগুনা: তাছলিমা আক্তার (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ময়মনসিংহ বিভাগ ৫৭. ময়মনসিংহ: মো: সাইফুর রহমান (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৫৮. জামালপুর: মোহাম্মদ ইউসুপ আলী (২৭ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৫৯. নেত্রকোনা: মো: সাইফুর রহমান (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬০. শেরপুর: তরফদার মাহমুদুর রহমান (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। সিলেট বিভাগ ৬১. সিলেট: মো: সারওয়ার আলম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬২. সুনামগঞ্জ: ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (২৫ ব্যাচ) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)। ৬৩. হবিগঞ্জ: আবু হাসনাত মো: আরেফীন (২৫ ব্যাচ) — জামায়াত। ৬৪. মৌলভীবাজার: তৌহিদুজ্জামান পাভেল (২৮ ব্যাচ) — জামায়াত। প্রশাসনের এমন নগ্ন দলীয়করণের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক এক মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের কন্ঠকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কোনো দলের কর্মী নন। যখন ডিসিদের নামের পাশে ব্র্যাকেটে দলের নাম লেখা হয়, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের আগে এমন তালিকা তৈরি বা ফাঁস হওয়া প্রমাণ করে যে, মাঠ প্রশাসনকে কব্জা করে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার একটি নীলনকশা প্রস্তুত করা হয়েছে।’ জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হন, যা শেষ পর্যন্ত সুশাসনের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়। ফাঁস হওয়া এই তালিকা যদি সত্য হয়, তবে তা দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য এক অশনিসংকেত।



