ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অহিংস রাজনীতির প্রতীক মানবিক রাজনীতির ধ্রুবতারা সজীব ওয়াজেদ জয়
অপ্রতিরোধ্য এক দেয়ালের অবসান ঘটল
GSOMIA এবং ACSA চুক্তি সরাসরি নাকচ, ফলে আমেরিকার সাথে পূর্ণ দ্বৈরথ শেখ হাসিনার!
এশিয়ার রাজনৈতিক দাবার বোর্ডে ভারতই যখন ‘কিংমেকার’
‘দেশমাতা’র মুখোশ বনাম দেশবিরোধিতার দালিলিক প্রমাণ: একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ
বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা, সেই পুরনো স্ক্রিপ্ট
চিফ প্রসিকিউটরের হুমকি: ন্যায়বিচারের সামনে ভয়ঙ্কর সতর্কবার্তা
প্রক্সি যুদ্ধ: বিএনপি–জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত
প্রফেসর ড. এ কে আব্দুল মোমেন — সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী — এই আলোচনায় কথা বলবেন আসন্ন নির্বাচন, বিএনপি–জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণ, ক্ষমতায় জামায়াতের পরোক্ষ প্রভাব, এবং সাম্প্রতিক হিন্দু নির্যাতনের রাজনীতি নিয়ে।
সামনে নির্বাচন—এবং বাস্তবতা হলো, বিএনপি ও জামায়াত—দুই দলই অংশ নেবে। এতে প্রশ্ন উঠছে, ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও কি পরোক্ষভাবে জামায়াতই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখবে? নাম বদলাবে, কিন্তু নীতি ও কৌশল কি আদৌ বদলাবে—নাকি এ কেবল মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ?
এই রাজনৈতিক সমীকরণে আদর্শ নয়, মুখ্য হয়ে উঠেছে ক্ষমতার ভাগাভাগি। ফলাফল হিসেবে রাজনীতি ক্রমেই সহিংসতা ও ধর্মভিত্তিক মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক হিন্দু নির্যাতনের রাজনীতি—যেখানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নির্বাচনী কৌশলের বলিতে পড়ছে।
প্রক্সি রাজনীতির
এই খেলায় গণতন্ত্র দুর্বল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান চাপে, আর সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা—সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। সামনে নির্বাচন সত্যিকারের পরিবর্তন আনবে, নাকি পুরোনো শক্তিই নতুন মুখোশে ফিরে আসবে—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য। অতিথি - সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ড. এ কে আব্দুল মোমেন সন্চালনা- দীপান্বিতা মার্টিন
এই খেলায় গণতন্ত্র দুর্বল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান চাপে, আর সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা—সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। সামনে নির্বাচন সত্যিকারের পরিবর্তন আনবে, নাকি পুরোনো শক্তিই নতুন মুখোশে ফিরে আসবে—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য। অতিথি - সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ড. এ কে আব্দুল মোমেন সন্চালনা- দীপান্বিতা মার্টিন



