ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারা ফটকের পাঁচ মিনিট……
রঙ বদলের মানুষেরা!
হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।
ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ
মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন, ফিরবেন দেশরত্নও
প্রক্সি যুদ্ধ: বিএনপি–জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত
প্রফেসর ড. এ কে আব্দুল মোমেন — সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী — এই আলোচনায় কথা বলবেন আসন্ন নির্বাচন, বিএনপি–জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণ, ক্ষমতায় জামায়াতের পরোক্ষ প্রভাব, এবং সাম্প্রতিক হিন্দু নির্যাতনের রাজনীতি নিয়ে।
সামনে নির্বাচন—এবং বাস্তবতা হলো, বিএনপি ও জামায়াত—দুই দলই অংশ নেবে। এতে প্রশ্ন উঠছে, ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও কি পরোক্ষভাবে জামায়াতই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখবে? নাম বদলাবে, কিন্তু নীতি ও কৌশল কি আদৌ বদলাবে—নাকি এ কেবল মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ?
এই রাজনৈতিক সমীকরণে আদর্শ নয়, মুখ্য হয়ে উঠেছে ক্ষমতার ভাগাভাগি। ফলাফল হিসেবে রাজনীতি ক্রমেই সহিংসতা ও ধর্মভিত্তিক মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক হিন্দু নির্যাতনের রাজনীতি—যেখানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নির্বাচনী কৌশলের বলিতে পড়ছে।
প্রক্সি রাজনীতির
এই খেলায় গণতন্ত্র দুর্বল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান চাপে, আর সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা—সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। সামনে নির্বাচন সত্যিকারের পরিবর্তন আনবে, নাকি পুরোনো শক্তিই নতুন মুখোশে ফিরে আসবে—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য। অতিথি - সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ড. এ কে আব্দুল মোমেন সন্চালনা- দীপান্বিতা মার্টিন
এই খেলায় গণতন্ত্র দুর্বল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান চাপে, আর সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা—সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। সামনে নির্বাচন সত্যিকারের পরিবর্তন আনবে, নাকি পুরোনো শক্তিই নতুন মুখোশে ফিরে আসবে—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য। অতিথি - সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ড. এ কে আব্দুল মোমেন সন্চালনা- দীপান্বিতা মার্টিন



