ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাঝ আকাশে বৃদ্ধার সঙ্গে কিয়ারার দুর্ব্যবহার
সব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে নেহা বললেন, আমাকে বাঁচতে দিন
শীতার্ত মানুষের জন্য আগামীকাল গাইবে চার ব্যান্ড
দুই সিনেমায় তমা মির্জা
৭২ বয়সে আত্মজীবনী লিখলেন অঞ্জন দত্ত
আমি অভিনেতা, প্রতিটি মাধ্যমে অভিনয় করে যেতে চাই: সোহেল মণ্ডল
বছরের প্রথম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল দেশীয় দুই সিনেমা
পুরুষ মানুষ ক্রিকেট খেলার মতো: গোবিন্দ প্রসঙ্গে সুনিতা
বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ও সুনিতা আহুজার দীর্ঘ ৩৭ বছরের দাম্পত্য জীবন। প্রথম জীবনে অবশ্য গোবিন্দ স্ত্রীকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ভেবেছিলেন বিবাহিত নায়কের কথা জানতে পারলে খ্যাতি কমে যেতে পারে। তবে বছর তিনেকের মাথায় সবাইকে জানান তিনি বিবাহিত। তার পর দীর্ঘ সময় একে অপরের পাশে ঢাল হয়ে থেকেছেন। এত বছরের দাম্পত্য জীবন, তবু একত্রবাস করেন না গোবিন্দ ও সুনিতা। তাদের ছাদ আলাদা। আলাদা বাড়িতে থাকেন তারা। দুই সন্তানের সঙ্গে সুনিতা থাকেন ফ্ল্যাটে। অন্যদিকে নিজের বাংলোতে একা থাকেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সুনিতা নিজেই সে কথা জানিয়েছেন। তা হলে বাইরে থেকে যেমনটা দেখে মনে হয় গোবিন্দ-সুনিতার সম্পর্ক ততটা মজবুত নয়? —এমন প্রশ্নে নীরবতা
ভাঙলেন গোবিন্দপত্নী। সুনিতা ও গোবিন্দা মুখোমুখি থাকেন, শুধু ছাদ আলাদা। কারণ গোবিন্দ অনেক লোকজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন, আর কথা বলতে ভালোবাসেন। সে কারণে যে বাংলোতে তিনি থাকেন, সেখানে অনেকের আসা-যাওয়া লেগেই থাকে। এ ছাড়া অভিনেতার বিভিন্ন মিটিং থাকে, যেগুলো গভীর রাত অবধি চলে। সুনিতার স্বভাব একেবারে উল্টো। তিনি ভোর ৪টার সময় ঘুম থেকে ওঠেন। পূজাপাঠ করেন। এ ছাড়া সুনিতা বিশ্বাস করেন বেশি কথা বললে শক্তি ক্ষয় হয়। কিন্তু তাদের আলাদা করা অসম্ভব। অনেকেই ঘরভাঙার চেষ্টা করেছেন, পারেননি। সুনিতা বলেন, আমি আমার সংসার রক্ষা করতে পেরেছি। কারণ ঈশ্বর রয়েছেন আমার সঙ্গে। আসলে পুরুষ মানুষ হলো ক্রিকেট খেলার মতো। কখনো ভালো, কখনো খারাপ।
আমি সবসময় মেয়েদের বলি— নিজের স্বামীর হাত শক্ত করে ধরে থাকতে। যেমনটি আমি করেছিলাম। যদি হাত ধরতে না পারো, ছেড়ে বেরিয়ে যাও।
ভাঙলেন গোবিন্দপত্নী। সুনিতা ও গোবিন্দা মুখোমুখি থাকেন, শুধু ছাদ আলাদা। কারণ গোবিন্দ অনেক লোকজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন, আর কথা বলতে ভালোবাসেন। সে কারণে যে বাংলোতে তিনি থাকেন, সেখানে অনেকের আসা-যাওয়া লেগেই থাকে। এ ছাড়া অভিনেতার বিভিন্ন মিটিং থাকে, যেগুলো গভীর রাত অবধি চলে। সুনিতার স্বভাব একেবারে উল্টো। তিনি ভোর ৪টার সময় ঘুম থেকে ওঠেন। পূজাপাঠ করেন। এ ছাড়া সুনিতা বিশ্বাস করেন বেশি কথা বললে শক্তি ক্ষয় হয়। কিন্তু তাদের আলাদা করা অসম্ভব। অনেকেই ঘরভাঙার চেষ্টা করেছেন, পারেননি। সুনিতা বলেন, আমি আমার সংসার রক্ষা করতে পেরেছি। কারণ ঈশ্বর রয়েছেন আমার সঙ্গে। আসলে পুরুষ মানুষ হলো ক্রিকেট খেলার মতো। কখনো ভালো, কখনো খারাপ।
আমি সবসময় মেয়েদের বলি— নিজের স্বামীর হাত শক্ত করে ধরে থাকতে। যেমনটি আমি করেছিলাম। যদি হাত ধরতে না পারো, ছেড়ে বেরিয়ে যাও।



