ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
স্টাফ রিপোর্টার : নিজস্ব বাস্তবতা, ইতিহাস ও সক্ষমতাকে পদদলিত করে পাকিস্তানের কথায় ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়েই ইউনুস সরকার পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে—এ কথা আজ আর অস্বীকার করার উপায় নেই। অন্ধ অনুকরণ, রাজনৈতিক হঠকারিতা আর আত্মম্ভরিতার সিদ্ধান্তে দেশের ক্রিকেট আজ দিশাহীন, নেতৃত্বহীন ও বিশ্বাসহীন।
ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা স্লোগানে ভালো শোনায়, কিন্তু বাস্তবে তার জন্য দরকার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, শক্তিশালী অবকাঠামো এবং দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব। ইউনুস সরকার সেই ন্যূনতম বোধটুকুও দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফল ভোগ করছে ক্রিকেট—অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং মাঠে লজ্জাজনক ব্যর্থতা।
পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইশারায় ক্রিকেটকে ব্যবহার করার এই প্রবণতা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন নয়, এটি
বাংলাদেশের ক্রিকেট স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা। ক্রিকেট কোনো ক্ষমতা প্রদর্শনের খেলনা নয়, এটি একটি জাতির আবেগ, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার প্রতীক। সেই প্রতীককে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। আজ ক্রিকেট ভাঙাচোরা, খেলোয়াড়রা অনিশ্চিত, দর্শক হতাশ—কিন্তু ক্ষমতার মসনদে বসে থাকা লোকজন নির্লজ্জ নীরবতায় বসে আছে। এই ধ্বংসের দায় ইউনুস সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। জবাবদিহি এড়ানোর দিন শেষ—এখন সময় হিসাব চাওয়ার। এই সংকটকালে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নৈতিকতার কথা বলেন, সংস্কারের বুলি আওড়ান, কিন্তু ক্রিকেট প্রশাসনের এই ভয়াবহ বিপর্যয়ে তাঁর ভূমিকা সম্পূর্ণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। ক্রিকেট যখন দালালচক্র, স্বজনপ্রীতি ও চরম অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কবলে, তখন একজন দায়িত্বশীল উপদেষ্টার নীরবতা আর নিরপেক্ষতা নয়—এটি সরাসরি অপরাধের শামিল। শুধু বক্তৃতা দিয়ে দায়িত্ব
শেষ হয় না। কাজ করতে না পারলে সরে দাঁড়ানোই নৈতিকতার ন্যূনতম শর্ত। তাই স্পষ্ট করে বলতে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বাঁচাতে হলে আসিফ নজরুলের পদত্যাগ এখন আর দাবি নয়, এটি সময়ের অনিবার্য দাবি।
বাংলাদেশের ক্রিকেট স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা। ক্রিকেট কোনো ক্ষমতা প্রদর্শনের খেলনা নয়, এটি একটি জাতির আবেগ, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার প্রতীক। সেই প্রতীককে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। আজ ক্রিকেট ভাঙাচোরা, খেলোয়াড়রা অনিশ্চিত, দর্শক হতাশ—কিন্তু ক্ষমতার মসনদে বসে থাকা লোকজন নির্লজ্জ নীরবতায় বসে আছে। এই ধ্বংসের দায় ইউনুস সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। জবাবদিহি এড়ানোর দিন শেষ—এখন সময় হিসাব চাওয়ার। এই সংকটকালে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নৈতিকতার কথা বলেন, সংস্কারের বুলি আওড়ান, কিন্তু ক্রিকেট প্রশাসনের এই ভয়াবহ বিপর্যয়ে তাঁর ভূমিকা সম্পূর্ণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। ক্রিকেট যখন দালালচক্র, স্বজনপ্রীতি ও চরম অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কবলে, তখন একজন দায়িত্বশীল উপদেষ্টার নীরবতা আর নিরপেক্ষতা নয়—এটি সরাসরি অপরাধের শামিল। শুধু বক্তৃতা দিয়ে দায়িত্ব
শেষ হয় না। কাজ করতে না পারলে সরে দাঁড়ানোই নৈতিকতার ন্যূনতম শর্ত। তাই স্পষ্ট করে বলতে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বাঁচাতে হলে আসিফ নজরুলের পদত্যাগ এখন আর দাবি নয়, এটি সময়ের অনিবার্য দাবি।



