ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
পরিবারের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বললেন জয়
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এক ফেসবুক পোস্টে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন।
১২ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জয় লিখেছেন, আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’।
তিনি দাবি করে বলেন, আমরা কখনোই কোনও সরকারি প্রকল্পে জড়িত ছিলাম না বা এর থেকে অর্থ উপার্জন করিনি।
ফেসবুক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় আরো লেখেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছর ধরে বসবাস করছি এবং আমার খালা ও কাজিনরা যুক্তরাজ্যে প্রায় একই সময় ধরে বসবাস করছেন। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের এই দুই দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আমাদের কোনো অফশোর
অ্যাকাউন্ট নেই। তিনি আরও বলেন, ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প থেকে বিলিয়ন ডলার সরানো সম্ভব নয়। আমরা লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করাটা একটি মিথ্যা অভিযোগ। আমি দুর্নীতি দমন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছি, এই তথাকথিত লেনদেন প্রকাশ করতে এবং প্রমাণ করতে যে আমরা এসব অনিয়মে জড়িত। জয় বলেন, অবৈধ ইউনুস সরকার এবং তাদের সন্ত্রাসী ছাত্র সমন্বয়করা দেশ চালানোর ব্যর্থতা, আইনের শাসনের অভাব, অর্থনৈতিক পতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণতন্ত্রের সংকট এবং রাজনৈতিক দমনপীড়ন থেকে জনগণের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাৎ করেছেন– এমন অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া জয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের অভিযোগও উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে ৩০ কোটি ডলার বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন মার্কিন ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অ্যাকাউন্ট নেই। তিনি আরও বলেন, ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প থেকে বিলিয়ন ডলার সরানো সম্ভব নয়। আমরা লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করাটা একটি মিথ্যা অভিযোগ। আমি দুর্নীতি দমন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছি, এই তথাকথিত লেনদেন প্রকাশ করতে এবং প্রমাণ করতে যে আমরা এসব অনিয়মে জড়িত। জয় বলেন, অবৈধ ইউনুস সরকার এবং তাদের সন্ত্রাসী ছাত্র সমন্বয়করা দেশ চালানোর ব্যর্থতা, আইনের শাসনের অভাব, অর্থনৈতিক পতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণতন্ত্রের সংকট এবং রাজনৈতিক দমনপীড়ন থেকে জনগণের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাৎ করেছেন– এমন অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া জয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের অভিযোগও উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে ৩০ কোটি ডলার বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন মার্কিন ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।



