পদত্যাগের পর রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগের ঘটনায় চাপের মুখে প্রশাসন, ব্যাখ্যা নেই দুই সাবেক উপদেষ্টার ! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৬:২০ অপরাহ্ণ

পদত্যাগের পর রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগের ঘটনায় চাপের মুখে প্রশাসন, ব্যাখ্যা নেই দুই সাবেক উপদেষ্টার !

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৬:২০ 28 ভিউ
পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার এক সপ্তাহ পরও সরকারি বাসভবন না ছাড়ায় এবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সুশাসন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। সাবেক দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক প্রশ্রয়ের অভিযোগে বিষয়টি আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদত্যাগের পরও সরকারি বাসভবন, নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিদিন রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু এই ব্যয় কোন আইনি বা প্রশাসনিক অনুমোদনে হচ্ছে, সে বিষয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাসভবন ছাড়ার বিষয়ে দুই সাবেক উপদেষ্টা কোনো লিখিত আবেদন

বা যোগাযোগ করেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, “এটি সাধারণ অবহেলা নয়। পদত্যাগের পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন দখলে রাখা স্পষ্ট অনিয়ম। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কেউ দায়িত্ব নিতে চাইছে না।” এই অবস্থাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কার নির্দেশে বাসভবন ও অন্যান্য সুবিধা বহাল আছে, নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়নি কেন, আর্থিক ব্যয়ের হিসাব কে দিচ্ছে—এসব প্রশ্নের কোনো জবাব নেই আজকের কন্ঠ থেকে দুই সাবেক উপদেষ্টার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেননি। এসএমএস পাঠানো হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অভিযোগের মুখে থেকেও নীরব থাকা তাঁদের দায় এড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় সংসদ

নির্বাচন আচরণ বিধিমালায় স্পষ্ট বলা আছে, সরকারি বাসভবন বা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া যাবে না। ফলে পদত্যাগের পরও এসব সুবিধা ভোগ করা নির্বাচনী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়েও আইনগত প্রশ্ন উঠছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, এই ঘটনা অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা ও নৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা বলেন, “যাঁরা পরিবর্তনের কথা বলে ক্ষমতায় গেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই যদি রাষ্ট্রীয় সুবিধা অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে এবং কোনো জবাব না আসে, তাহলে সেটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।” সুশাসনকর্মীদের মতে, দুদকের উচিত স্বপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি তদন্তে নেওয়া। তাঁদের দাবি, পদত্যাগের তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত বাসভবন ও অন্যান্য সুবিধা ব্যবহারে কত অর্থ

ব্যয় হয়েছে, সেই অর্থের ক্ষতিপূরণ আদায় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। উল্লেখ্য, গত ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সেই পদত্যাগ কার্যকর হলেও বাস্তবে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ছাড়ার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে শুধু দুই সাবেক উপদেষ্টাই নয়, তাঁদের এই অবস্থান দীর্ঘায়িত করতে যাঁরা নীরবে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের দায়ও এড়ানোর সুযোগ থাকবে না। নীরবতা ভাঙতে না পারলে এই ঘটনা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক ও নৈতিক সংকটে রূপ

নিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র কীর্তনে হামলা, প্যান্ডেল ভাঙচুর—এই কি ইউনুস–জামাতের ‘নিরাপদ বাংলাদেশ’? শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা বাংলাদেশের ২০২৬ নির্বাচন: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, গণতন্ত্রের পরীক্ষা নির্বাচনে কালো টাকার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে মাঠে নামছে দুদক মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া এবারও কলকাতার বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ উত্তর-পশ্চিমের আট জেলায় শৈত্যপ্রবাহ দুর্ভোগে মানুষ চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি রাজধানীতে আজ কোথায় কী মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ ১৩ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি