ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ থেকেই কার্যকর
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায়
শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা
সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ
লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর
গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন
গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে
নেপালে ৩৩৬ টন আলু রপ্তানি করলো বাংলাদেশ
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও ৩৩৬ মেট্রিক টন আলু নেপালে রপ্তানি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দরটি দিয়ে ফ্রেস আলু ভর্তি ১৬টি ট্রাক নেপালে পাঠানো হয়। থিংকস টু সাপ্লাই ও লোড বাউন্ড লজিস্টিকসসহ কয়েকটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ফ্রেস আলু রপ্তানি করে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারিনটিন ইন্সপেক্টর উজ্জল হোসেন।
উজ্জল হোসেন বলেন, ফ্রেস আলুগুলো পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামী থেকে সংগ্রহ করে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ১৬টি ট্রাকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে নিয়ে আসে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বৃহস্পতিবার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ৩৩৬ মেট্রিক টন আলু নেপালে যায়। প্রতি ট্রাকে ২১ টন আলু ছিল।
এ নিয়ে এ বন্দর দিয়ে জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির
১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কয়েক পর্যায়ে সর্বমোট ৪৬ ট্রাকে ৯৬৬ মেট্রিক টন আলু বাংলাদেশ থেকে বাংলাবান্ধা হয়ে নেপালে রপ্তানি করা হয়েছে। স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সড়ক পথে ট্রানজিট সুবিধা থাকায় ব্যবসা ও পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করেছে স্থলবন্দরটি। স্থলবন্দরটিতে ৯৫ শতাংশই পাথর নির্ভর হলেও বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকটি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ভারত ও নেপালে। প্রয়োজনে বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে আমদানি হচ্ছে এ বন্দর দিয়ে।
১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কয়েক পর্যায়ে সর্বমোট ৪৬ ট্রাকে ৯৬৬ মেট্রিক টন আলু বাংলাদেশ থেকে বাংলাবান্ধা হয়ে নেপালে রপ্তানি করা হয়েছে। স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সড়ক পথে ট্রানজিট সুবিধা থাকায় ব্যবসা ও পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করেছে স্থলবন্দরটি। স্থলবন্দরটিতে ৯৫ শতাংশই পাথর নির্ভর হলেও বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকটি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ভারত ও নেপালে। প্রয়োজনে বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে আমদানি হচ্ছে এ বন্দর দিয়ে।



