নেতানিয়াহুর বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত আসে যে নারীর কাছ থেকে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

নেতানিয়াহুর বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত আসে যে নারীর কাছ থেকে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
রাজনীতির জগতে নৃশংসতা ও নির্দয়তা আর নির্মম চরিত্রের জন্য পরিচিত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত আসে এক নারীর কাছ থেকে। সহিংসতা ও নৃশংসতার রানি খ্যাত এই নারী তারই স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর সিনিয়র বিশ্লেষক তাসফি বারিয়েল এ প্রসঙ্গে বলেছেন, সারা নেতানিয়াহুই এখন ইসরাইলের সিদ্ধান্ত-গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমান যুদ্ধে আলোচনা, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত নিয়োগগুলোর নিয়ন্ত্রকও এখন তিনিই। সারার জন্ম ১৯৫৮ সালে উত্তর ইসরাইলে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক এই সদস্য বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন বলে নিজেই জানিয়েছেন। সারা ১৯৮০ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ‘কিব্বুতস’ গ্রুপের এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলেন। তার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর, সারা

এল আয়াল নামের এক বিমান কোম্পানিতে চাকরি নেন, বিমানবালা হিসেবে। এই বিমানেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে এবং ১৯৯১ সালে তারা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। জার্মান ইন্টারনেট-ভিত্তিক দৈনিক Suddeutsche Zeitung জানিয়েছে, অন্যান্য নারীরা যেখানে তাদের ক্ষমতাধর স্বামীর পাশে আকর্ষণীয় মুচকি হাসি ও কোমলতার জন্য খ্যাত, সারা নেতানিয়াহু সেখানে এর ব্যতিক্রম। তিনি তার সহিংসতা, অভদ্রতা ও বদমেজাজের জন্যই বিখ্যাত! নেতানিয়াহুর বাসভবনের সাবেক সেবক সিলভি জিনিসিয়া সারা নেতানিয়াহুর স্বভাব সম্পর্কে বলেছেন, তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন এবং তিনি চাইতেন আমি যেন প্রতিদিন তার পায়ে চুমু খাই! নেতানিয়াহুর গৃহকর্মীরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারার বিস্ফোরক আচরণ সম্পর্কে সব সময়ই অভিযোগ করে আসছেন।

এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন গৃহকর্মী আদালতে মামলা দায়ের করে নেতানিয়াহু পরিবারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতেও সক্ষম হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় সর্বশেষ মামলায় ইসরাইলি বিচারকরা সারা নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কিছু আচরণ সম্পর্কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এই আদেশ এমন সময় দেওয়া হলো, যখন সারা ও তার স্বামী নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার একজন সাক্ষীকে সারা নিজে হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য