নেটজারিম করিডোর থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার শুরু – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

নেটজারিম করিডোর থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার শুরু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজার নেটজারিম করিডোর থেকে রোববার তাদের সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে নেটজারিম থেকে এই সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ইসরাইলের পাবলিক সম্প্রচার সংস্থা কেএএন রোববার বিকালে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া আজকের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজার উত্তর অংশ থেকে দক্ষিণ অংশকে আলাদা করতেই মূলত এই নেটজারিম করিডোর তৈরি করেছিল। যাতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আর নিজেদের ঘরে ফিরতে না পারে। ফিলিস্তিনিদের জন্য বিপর্যয়কর ফাঁদ সেই নেটজারিম করিডোর থেকে ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহারের খবরটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইসরাইল ও হামাস তাদের পঞ্চম দফা বন্দি বিনিময় সম্পন্ন করেছে।

এই দফায় তিনজন ইসরাইলি বন্দির বিনিময়ে ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এদিকে শনিবারের এই বন্দি বিনিময় সম্পন্ন হওয়ার পর এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ অক্ষ ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর ‘নিরঙ্কুশ বিজয়ের’ স্বপ্নকে ‘ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্নে’ পরিণত করেছে। বিবৃতিতে প্রায় ২০০ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলা হয়, এ ঘটনায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের ‘অপরাজেয়’ থাকার মিথ্যা স্বপ্ন ধুলায় মিশে গেছে। এর আগে ইসরাইলি জিম্মিদের হস্তান্তরের প্ল্যাটফর্মে লেখা বার্তায় বলা হয়, ‘আমরাই ঝড়, আমরাই আগামী দিন’। এর মাধ্যমে হামাস তেলআবিবকে এই বার্তা দিয়েছে যে, গাজা আজও যেমন হামাসের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ভবিষ্যতেও তেমনি তাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। অন্যদিকে তিন ইসরাইলি জিম্মির মুক্তির পর, হামাসকে আবারও ‘নির্মূল’ করার

হুমকি দেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেইসঙ্গে হামাসের হাতে থাকা সব জিম্মিকে ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা হামাসকে নির্মূল করব এবং আমাদের জিম্মিদের ফিরিয়ে আনবো। ’ এছাড়াও বিবৃতিতে হামাসকে ‘দানব’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, শনিবার ভোরে মুক্তি দেওয়া তিন জিম্মিকে ক্ষীণকায় দেখাচ্ছিল এবং তাদের মঞ্চে বক্তৃতা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। গত ১৯ জানুয়ারি কার্যকর হওয়া এই অস্ত্রবিরতি চুক্তিটি মূলত গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধ করেছে। এই যুদ্ধে ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১২ হাজারের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ১৫ মাস ধরে চলা ইসরাইলি আগ্রাসনে গাজার পুরো অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে

পরিণত হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ সরকার: গত ঈদের তুলনায় এবার সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৮.২৬% আবারও পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা বাংলাদেশে, বয়ান দেবেন চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা জামালপুরে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতা-কর্মীর গণআত্মসমর্পণ, আদালতের কারাগারে পাঠানোর আদেশ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা ইরান সংকটে ‘দ্রুত সমাধান’ খুঁজছেন ট্রাম্প, তবে পরিস্থিতি জটিল—বিশ্লেষকদের সতর্কতা সরকারি নিষেধাজ্ঞা নয়, বকেয়া মেটাতে না পারায় আইপিএল দেখাতে পারছে না টি-স্পোর্টস বরিশালেও বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৬ ইউনূস অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কিনতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ: এখন দেশে হাম মহামারি সংসদ ভবনে ঘোলা পানি খেয়ে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে : চিফ হুইপ আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়! ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর ভানুয়াতুর উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপিকে হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো ঢাকায় ‘জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার গুঞ্জন, মুখ খুলল ইরান ইরানকে নতুন হুমকি দিলেন ট্রাম্প মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন মিন অং হ্লাইং