নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
     ১:৫১ অপরাহ্ণ

আরও খবর

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন

এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী

জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার

ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি

ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত

নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১:৫১ 1 ভিউ
কম রাজস্ব আদায়, বৈদেশিক ঋণপ্রবাহে ধস এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার ফল হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার আবারও নির্বিচারে ব্যাংক ঋণের ওপর ঝুঁকছে। অর্থবছরের শুরুতে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে স্বস্তির বার্তা দিলেও মাঝপথে এসে উল্টো চিত্র- ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার গতি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এতে একদিকে ব্যাংক খাতের তারল্যে চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে ঋণনির্ভর বাজেট ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ছয় মাস চার দিনে সরকার ব্যাংক খাত থেকে নিট ঋণ নিয়েছে ৫৯ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। যা পুরো অর্থবছরের ব্যাংক ঋণ লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি

টাকার ৫৭.৪৫ শতাংশ—অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি। অর্থবছরের মাঝপথেই এ বিপুল ঋণগ্রহণ সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের ঋণ নেওয়ার গতি কার্যত বিস্ফোরণমূলক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস চার দিনে সরকার যে পরিমাণ ব্যাংক ঋণ নিয়েছে, তা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬১৯ শতাংশ বেশি। যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে নিট ব্যাংক ঋণ ছিল মাত্র ৮ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। অথচ চলতি অর্থবছরের ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত সরকারের ব্যাংক ঋণ বরং ৫০৩ কোটি টাকা কমেছিল—যা দেখাচ্ছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঋণগ্রহণের প্রবণতা কতটা হঠাৎ ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়েছে। পরিসংখ্যান আরও ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে। গত অর্থবছরের ৩০শে জুন শেষে

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের ৪ঠা জানুয়ারি পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ২৩২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মাত্র ছয় মাস চার দিনে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেই নিট ঋণ বেড়েছে ৩৫ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থাও ভিন্ন নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের স্থিতি গত অর্থবছরের ৩০শে জুনে ছিল ৯৮ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৪২৯ কোটি টাকা। এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৪ হাজার ৬ কোটি টাকা। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে সরকার বাংলাদেশ

ব্যাংকে ৫৪ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করেছিল। সব মিলিয়ে বর্তমানে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ৬ লাখ ১০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, অর্থবছরের শুরুতে উন্নয়ন ব্যয়ের গতি কম থাকায়, রাজস্ব আয়ের তুলনামূলক ভালো প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক ঋণপ্রাপ্তির কারণে তখন সরকারের ঋণচাপ কম ছিল। কিন্তু এখন উন্নয়ন ব্যয়ের গতি বাড়ার পাশাপাশি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ, নির্বাচনি ব্যয়, ভর্তুকি ও ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপ সামলাতে সরকার আবার সহজ পথ—ব্যাংক ঋণের দিকেই ঝুঁকছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এভাবে লাগামহীন ব্যাংক ঋণগ্রহণ অব্যাহত থাকলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হবে, সুদের হার বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন করে চাপ

তৈরি হবে। রাজস্ব সংস্কার ও ব্যয় সংযমের পরিবর্তে বারবার ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতাই নগ্নভাবে প্রকাশ করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী