
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

বিকেলে ব্যাংকে লুকিয়ে রাতে ভল্ট ভাঙার চেষ্টা, সরঞ্জামসহ সেনাসদস্য আটক

ভাড়াটিয়া সেজে গৃহকর্ত্রীকে খুন, পরে মামলা তুলে নিতে হুমকি

শ্বশুরবাড়িতে মদপানে জামাইয়ের মৃত্যু

শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি শিক্ষার্থী

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

বন্ধুর হাতেই খুন হয় রেদোয়ান: র্যাব

বিলে ভেসে উঠল বস্তাবন্দি গলিত লাশ
নাটোরে প্রাইভেটকার থামিয়ে চালককে গলা কেটে হত্যা

নাটোরের লালপুর উপজেলায় প্রাইভেটকার থামিয়ে সাইদুর রহমান (৩৫) নামে এক চালককে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গোপালপুর-লালপুর সড়কের গোপালপুর মিলস হাইস্কুলের পাশের রাস্তায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা রেলগেট এলাকার বামনগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাইদুর রহমান একটি প্রাইভেটকার নিয়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে বনপাড়া যাচ্ছিলেন। পথে গোপালপুর রেলগেট এলাকায় দুর্বৃত্তরা গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির ভেতরেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
মুমূর্ষু অবস্থায় সাইদুর গাড়ি থেকে নেমে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করলেও রক্তক্ষরণে সড়কের পাশেই তার মৃত্যু হয়। সহযাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে
এসে সড়কের পাশে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সঙ্গে থাকা কাগজপত্র দেখে পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান।’ তিনি আরও জানান, ‘প্রাইভেটকারটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং গাড়িতে থাকা এক যাত্রীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।’ এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে
পড়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তে অগ্রগতি হচ্ছে এবং খুব শিগগির বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
এসে সড়কের পাশে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সঙ্গে থাকা কাগজপত্র দেখে পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান।’ তিনি আরও জানান, ‘প্রাইভেটকারটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং গাড়িতে থাকা এক যাত্রীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।’ এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে
পড়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তে অগ্রগতি হচ্ছে এবং খুব শিগগির বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।