ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ কবির হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোক
বাংলাদেশের নির্বাচন এবং আস্থার সংকট
গণভোট ২০২৬: সংখ্যার রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক কারচুপির নেপথ্যে
গণভোট ২০২৬: নম্বরের উপর প্রশ্ন
৬ মাস ধরে কারাগারে ছাত্রলীগ কর্মী ফাইজা: দলের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ হতাশ পরিবার
ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার করতে হবে’: মহসীন রশীদ
চাইলে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারতাম, ক্ষমতার লোভ নেই: সজীব ওয়াজেদ জয়
দেশব্যাপী নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার রক্তক্ষয়ী রুপ
ফলাফল প্রকাশের পরে ভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ব্যাপক হারে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীর সাথে জামায়াত কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ রক্তক্ষয়ী রুপ নিচ্ছে। প্রাণঘাতি সহিংসতায় এ পর্যন্ত ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের এক শিশু সহ, মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটের একজন করে মোট তিন জনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে; এ পর্যন্ত দেশব্যাপী আহতের সংখ্যা ১০২জন। (তথ্যসূত্রঃ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শিশুসহ নিহত ২, আহত ১০২, যুগান্তর)
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাগেরহাট-২ আসনে (কচুয়া উপজেলা) বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ওসমান সরদার (২৯) নামে একজন সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওসমান সরদার (২৯) সদর উপজেলার পার
নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ওসমান সরদার সহ অন্তত ১০ জন আহত হন (তথ্যসূত্রঃ- বাগেরহাটে নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক নিহত, প্রথম আলো) নির্বাচনী দ্বন্দ্বের জের ধরে ফলাফল ঘোষনার একদিন পর মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার চরআব্দুল্লাহ গ্রামে জসিম উদ্দিন (৩০) নামের ফুটবল প্রতীক সমর্থক এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে বিএনপির সমর্থকেরা। ১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার বিকেলে ধানের শীষের সমর্থকদের হামলায় জসিম ছাড়াও তার বড় ভাই মসিউর নায়েব ও পিতা মাফিক নায়েব
গুরুতর আহত হন। সহিংসতায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। (তথ্যসূত্রঃ- মুন্সীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত, সময় টিভি) নির্বাচনের পরেই আধিপত্য বিস্তার ও পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার সাতাইশ এলাকায়। জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি নেতা বেলালের নেতৃত্বে একটি দল দেশীয় অস্ত্রসহ পার্টি অফিসে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং উপস্থিত যুবদল নেতাকর্মীদের ব্যাপক মারধর করে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। (তথ্যসূত্রঃ টঙ্গীতে বিএনপির দু‘গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দৈনিক সংগ্রাম) বিএনপিকে সমর্থন না করায় গাজীপুরের কাপাসিয়া মাদ্রাসার একজন প্রিন্সিপালের বাড়িতে ঢুকে হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষকের স্ত্রী বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টায় তোফাজ্জল নামক এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে বাড়িতে হামলা করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে যায়। জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের। (তথ্যসূত্রঃ যমুনা টেলিভিশন।। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীরসহ অন্তত ৭ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাসিনুর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে; অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। জানা যায়, ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বির হোসেনকে
মারপিট করে বিএনপির কর্মীরা এবং এর জের ধরে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরবর্তীতে সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। (তথ্যসূত্রঃ- নাটোরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ-গুলি আহত ৭, যায়যায়দিন)
নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ওসমান সরদার সহ অন্তত ১০ জন আহত হন (তথ্যসূত্রঃ- বাগেরহাটে নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক নিহত, প্রথম আলো) নির্বাচনী দ্বন্দ্বের জের ধরে ফলাফল ঘোষনার একদিন পর মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার চরআব্দুল্লাহ গ্রামে জসিম উদ্দিন (৩০) নামের ফুটবল প্রতীক সমর্থক এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে বিএনপির সমর্থকেরা। ১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার বিকেলে ধানের শীষের সমর্থকদের হামলায় জসিম ছাড়াও তার বড় ভাই মসিউর নায়েব ও পিতা মাফিক নায়েব
গুরুতর আহত হন। সহিংসতায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। (তথ্যসূত্রঃ- মুন্সীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত, সময় টিভি) নির্বাচনের পরেই আধিপত্য বিস্তার ও পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার সাতাইশ এলাকায়। জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি নেতা বেলালের নেতৃত্বে একটি দল দেশীয় অস্ত্রসহ পার্টি অফিসে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং উপস্থিত যুবদল নেতাকর্মীদের ব্যাপক মারধর করে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। (তথ্যসূত্রঃ টঙ্গীতে বিএনপির দু‘গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দৈনিক সংগ্রাম) বিএনপিকে সমর্থন না করায় গাজীপুরের কাপাসিয়া মাদ্রাসার একজন প্রিন্সিপালের বাড়িতে ঢুকে হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষকের স্ত্রী বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টায় তোফাজ্জল নামক এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে বাড়িতে হামলা করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে যায়। জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের। (তথ্যসূত্রঃ যমুনা টেলিভিশন।। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীরসহ অন্তত ৭ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাসিনুর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে; অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। জানা যায়, ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বির হোসেনকে
মারপিট করে বিএনপির কর্মীরা এবং এর জের ধরে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরবর্তীতে সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। (তথ্যসূত্রঃ- নাটোরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ-গুলি আহত ৭, যায়যায়দিন)



