ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত তার ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’র বিখ্যাত দর্শনের জন্য। কিন্তু নিজ দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তার বিদায়বেলায় উঠে এসেছে এক চরম বিরল ও হতাশাজনক চিত্র। দারিদ্র্য বিমোচনের জাদুকর হিসেবে যার খ্যাতি, তার শাসনামলেই দেশে দারিদ্র্য কমে নি, বরং বেড়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ড. ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশে নতুন করে ৩০ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব যখন তিনি গ্রহণ করেছিলেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল—এবার হয়তো দারিদ্র্য বিমোচনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। খোদ ড. ইউনূসের জন্যও এটি ছিল তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ও দর্শন বাস্তবায়নের এক দারুণ সুযোগ। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, তিনি সেই
সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং দারিদ্র্য বিমোচনের বৈশ্বিক আইকন হয়েও রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে তার এই পরিসংখ্যান তার দীর্ঘদিনের ইমেজের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’র স্বপ্নদ্রষ্টার বিদায়লগ্নে ৩০ লাখ নতুন দরিদ্রের বোঝা—ইতিহাসের পাতায় এক বড় ও করুণ ব্যর্থতা হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল।
সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং দারিদ্র্য বিমোচনের বৈশ্বিক আইকন হয়েও রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে তার এই পরিসংখ্যান তার দীর্ঘদিনের ইমেজের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’র স্বপ্নদ্রষ্টার বিদায়লগ্নে ৩০ লাখ নতুন দরিদ্রের বোঝা—ইতিহাসের পাতায় এক বড় ও করুণ ব্যর্থতা হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল।



