ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল
‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি
স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনেই এক বা একাধিক জাল ভোট প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সার্বিক পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
জাল ভোট নিয়ে টিআইবির ব্যাখ্যা
গবেষণার ফল তুলে ধরে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “মাঠ পর্যায়ের গবেষণার জন্য নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোট পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে জাতীয়ভাবে মোট ভোটের ২১ শতাংশ
জাল ভোট পড়েছে। বিষয়টি যেন ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা না হয়, সেদিকে তিনি সতর্ক করেন।” তিনি স্পষ্ট করেন, এটি মূলত ওই নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে অনিয়মের ঘটনার পরিসংখ্যান। সাংসদদের ঋণ ও পেশা হলফনামা বিশ্লেষণের তথ্যে দেখা যায়, ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা বিগত চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। নির্বাচিতদের অর্ধেক সদস্যই কোনো না কোনোভাবে ঋণের সঙ্গে যুক্ত। দলগতভাবে বিএনপিতে এই হার ৬২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীতে ১৬ শতাংশ। পেশাগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য এবারও বজায় রয়েছে। সংসদে প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্যই ব্যবসায়ী। যদিও দ্বাদশ সংসদের তুলনায় ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ৫ শতাংশ কমেছে, তবে নবম সংসদের তুলনায় তা ৩
শতাংশ বেড়েছে। প্রশাসন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন টিআইবির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, নির্বাচন আয়োজনে সম্পৃক্ত সরকারি কর্মচারী, বিশেষ করে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের মধ্যে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে নিষ্ক্রিয়তা ও অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার করলেও বাস্তবে তা রক্ষা করেনি। প্রার্থীদের নির্ধারিত নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করার প্রবণতাও অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাল ভোট পড়েছে। বিষয়টি যেন ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা না হয়, সেদিকে তিনি সতর্ক করেন।” তিনি স্পষ্ট করেন, এটি মূলত ওই নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে অনিয়মের ঘটনার পরিসংখ্যান। সাংসদদের ঋণ ও পেশা হলফনামা বিশ্লেষণের তথ্যে দেখা যায়, ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা বিগত চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। নির্বাচিতদের অর্ধেক সদস্যই কোনো না কোনোভাবে ঋণের সঙ্গে যুক্ত। দলগতভাবে বিএনপিতে এই হার ৬২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীতে ১৬ শতাংশ। পেশাগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য এবারও বজায় রয়েছে। সংসদে প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্যই ব্যবসায়ী। যদিও দ্বাদশ সংসদের তুলনায় ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ৫ শতাংশ কমেছে, তবে নবম সংসদের তুলনায় তা ৩
শতাংশ বেড়েছে। প্রশাসন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন টিআইবির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, নির্বাচন আয়োজনে সম্পৃক্ত সরকারি কর্মচারী, বিশেষ করে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের মধ্যে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে নিষ্ক্রিয়তা ও অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার করলেও বাস্তবে তা রক্ষা করেনি। প্রার্থীদের নির্ধারিত নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করার প্রবণতাও অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।



