ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
তীব্র সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা জারি
বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের লক্ষ্যে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।
আজ ৫ই মার্চ, বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, কর্পোরেশনসহ সব দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ও সাশ্রয়ী আচরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী—
দিনে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করে জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
বিদ্যমান আলোর অন্তত অর্ধেক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় লাইট
বন্ধ রাখতে হবে। অফিস চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখা যাবে না। এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এসিসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হয়েছে। অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখতে হবে। জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হতে হবে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন কার্যালয়ে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের
জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
বন্ধ রাখতে হবে। অফিস চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখা যাবে না। এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে। কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এসিসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হয়েছে। অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখতে হবে। জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হতে হবে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন কার্যালয়ে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের
জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।



