তারেক রহমানের সরকার বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ করে, স্বাধীনতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন: গাজী জহিরুল ইসলাম – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ মার্চ, ২০২৬

তারেক রহমানের সরকার বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ করে, স্বাধীনতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন: গাজী জহিরুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ মার্চ, ২০২৬ |
বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে। ১৯৭১ সালে যে রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, তার ভিত্তি ছিল বাঙালির জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। এই আদর্শের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পথে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কিছু শব্দ আছে, যা শুধু বাক্য নয়—একটি জাতির আত্মা। ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে উচ্চারণ করেছিলেন সেই অমর আহ্বান— “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এই আহ্বানই ছিল বাঙালি জাতির জাগরণের ডাক, যা পরিণত হয়েছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ। সেই ঐতিহাসিক ভাষণ, যা আমরা জানি ৭ মার্চের ভাষণ

নামে, কোটি মানুষের মনে স্বাধীনতার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন— “আর দাবায়ে রাখতে পারবা না।” এই কথার মধ্যেই ছিল বাঙালির অদম্য শক্তি, আত্মমর্যাদা এবং স্বাধীনতার সংকল্প। তাই আজও যখন স্বাধীনতার চেতনা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের প্রশ্ন ওঠে, সেই কণ্ঠ আবার যেন প্রতিধ্বনিত হয়, অন্যায় ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস দেয়। তবু স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় বিতর্ক বারবার সামনে আসে। প্রশ্ন ওঠে দেশ কি সত্যিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে এগোচ্ছে, নাকি পুরোনো পাকিস্তানি রাজনৈতিক কৌশলের ছায়া এখনো রয়ে গেছে? সমালোচকদের মতে, তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেই সেই প্রাচীন ফর্মুলা কার্যকর করেছেন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ । এর ফলে বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলোকে গণমাধ্যম

এবং জনসভা থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা দেখা যায়। বিশেষ করে ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করার মতো সিদ্ধান্তকে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে অবমাননা হিসেবে দেখেন। এটি শুধু একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয় বরং একটি জাতির আত্মমর্যাদা ও ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টাও বটে। এমন প্রক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীর বিভাজন এবং বিতর্কের জন্ম দেয়। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইতিহাসের সত্যকে সম্মান করা এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা যেন দেশের স্বাধীনতার ভিত্তিকে দুর্বল না করে। কারণ যে রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, সেই রাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সবসময়ই কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে থাকবে। ইতিহাসকে ভুলে যাওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ প্রতীককে অবমূল্যায়ন করা মানেই দেশের রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও জাতীয়

ঐক্যের ক্ষতি। আজও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং তার আহ্বান বাঙালির মনে অমর। এই আহ্বান শেখায় যে সংগ্রাম একবার স্বাধীনতার জন্য হয়েছিল, তার চেতনা এখনও জীবিত এবং যে কোনও সময় দেশ ও জাতিকে নতুন দৃষ্টিতে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি-স্থানীয়দের তৎপরতায় ব্যর্থ হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি? কানাডার ফুটবল সাফল্যকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ: শমিত এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল পুশ ইন ঠেকাতে লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি, সতর্ক স্থানীয়রাও সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযানের মধ্যেই খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা জাপানের বড় ধাক্কা, অবসরের ঘোষণা এন্দোর রোববার থেকে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে যাচ্ছেন বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকরা ‘ডিসক্লোজার ডে’-তে ভিনগ্রহীদের নিয়ে ফিরছেন স্পিলবার্গ ৪৯ বছর বয়সেও দারুণ ফিট শাকিরা, রহস্যটা জানালেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষক শিক্ষায় বরাদ্দ ২ শতাংশে উন্নীত, স্বাগত জানালেন শিক্ষাবিদরা ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর ক্ষমতা ব্যাংকের হাতে দেওয়ার প্রস্তাব অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা করার প্রস্তাব ২০২৮ থেকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হতে যাওয়া চার নতুন বিষয়ে যা থাকবে প্রেমের নাটক ‘সমান সমান’ করদাতাদের জন্য সুখবর বস্তিতে জন্ম নেওয়া সেই ছেলেটি এখন দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক