ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট: এনসিপি নেতা আটক, কারাগারে প্রেরণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ একাধিক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক আনোয়ার হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, শনিবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় জনতা আনোয়ার হোসেনকে আটক করে। আটকের সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এনসিপি।
আটককৃত আনোয়ার হোসেন সোনাপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং এনসিপির শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রবিবার দুপুরে যুবদল নেতা রুহুল আমিন মিঝি বাদী হয়ে দণ্ডবিধি ও সাইবার সুরক্ষা আইনে রায়পুর থানায়
মামলা দায়ের করেন। মামলায় আনোয়ার হোসেনসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে নামোল্লেখ করা হয়েছে আনোয়ারের ভাই ইমন হোসেন, রুবেল হোসেন ও দিপুকে। বাকি চারজন অজ্ঞাত। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী অ্যানির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন আনোয়ার। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বাদী যুবদল নেতা রুহুল আমিন মিঝিকেও অভিযুক্তরা মারধর করেছেন। মামলা দায়েরের পর আদালত আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা দায়ের করেন। মামলায় আনোয়ার হোসেনসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে নামোল্লেখ করা হয়েছে আনোয়ারের ভাই ইমন হোসেন, রুবেল হোসেন ও দিপুকে। বাকি চারজন অজ্ঞাত। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী অ্যানির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন আনোয়ার। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বাদী যুবদল নেতা রুহুল আমিন মিঝিকেও অভিযুক্তরা মারধর করেছেন। মামলা দায়েরের পর আদালত আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।



